মোঃ ইউসুফ আলী, হরিপুর (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: জেলা সদর হতে ৬৫ কিঃ দক্ষিণ- পশিচম কোনে উপজেলা হাসপাতালটির অবস্থান। ডাঙ্গীপাড়া গ্রামের রহিমা বেগম,মনোয়ারা , খোলড়া গ্রামের সাবিনা বেগম,আরো অনেকে জানালেন যে,আমরা খেটে খাওয়া দীন মজুরের সহধর্মীনি অসুখ হয়েছে রাজাবাদশার মতো টাকার অভাবে নিয়মিত ঔষধ কিন্তে পারি না। তাই হাসপাতালে দিনের পর দিন ঘুরেও ডায়াবেটিস /বহুমুত্র রোগের ঔষধ না পেয়ে ফিরে যাওয়ার সময় ডাক্তার সাহেব আমাদের হাতে একটি চিরকুট ধরিয়ে দেয় ঔষধ বিতরণ কারিকে দেওয়ার জন্য সেখান হতে অন্য রোগের ঔষধ পায় । লহুচাদ গ্রামের মোঃ আমিরুল ইসলাম জানালেন যে, আমাকে নিয়মিত ভাবে এক মাসের ঔষদ দিত গত দুই মাস যাবত একটি করে ঔষধ পায়। হাসপাতালে ঔষধ না থাকার কারণে কর্তিপক্ষ দিতে পারেনি। অপর রুগীনী জানালেন যে,এই সরকারের আমলে প্রথম র্পযায়ে একমাসের করে একই সাথে ঔধ দিত । বর্তমানে কি হল?
হাসপাতালের সমস্যা এব্যাপরে টিএইচ ডাক্তার শামিমুজ্জামান এর সহিত যোগাযোগ করলে প্রতিবেদকে অবহিত করেন যে, আউট সরসিংগে জনবল থাকার নিয়ম ১৬ জন , পেশ অন ডিপুটিশনে ২ জন, অনুপস্থিত ১ জন র্কমরত আছেন ১৩ জন, এই হাসপাতালে কাগজে কলমে ডাক্তার থকার নিয়ম ৩১ জন, বর্তমানে করমরত আছেন ৭ জন, ডিপুটিশনে ১ জন, সীজারের জন্য এন্সেথেসিয়া ডাক্তার ও গাইনি ডাক্তারের অভাবে সীজার র্কায্যক্রম চালু করা স্মভাব হচ্ছে না । বহির বিভাগে নিয়মিত ভাবে ৩৫০/৪০০ জন রুগীকে সেবা দেওয়া হয়। ডায়াবেটিস /বহুমুত্র রোগের রুগীর ঔষধ সীমিত পরিমান সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে। গ্লিক্যালাজইড/ মেটফরমিন রুগীর উপস্থিতি অনুয়ায়ি ঔষধের চাহিদা বেশী সরবরাহ কম। হাসপাতালে ৪৭ প্রকারের ঔষধ আসে।তার মধ্যে ১০/ ১২ প্রকারের ঔষধ নাই। টেকনেসিয়ান ৮ জনের স্থলে ৬ জন আছে,বায়োকেমিকেল এনালাইজার মেশিনটি নষ্ট, ঐ মেশিনটি নতুন পাওয়ার জন্য র্উধতন কতৃপক্ষকে অবহিত করেছি। টিইচ এর জন্য বরাদ্ধ কৃত জীপ গাড়িটির জালানী তেলের ও গাড়ির ড্রাইভার বরাদ্দ নাই, যার জন্য গাড়িটি ব্যবহৃারীত হচ্ছে না। তিঁনি আরো জানালেন যে, হাসপাতালে ঔষধ আছে রুগীর চাহিদানুযায়ী ঔষধ দিলে বর্তমানে ৬ মাসের ঔষধ একমাসে শেস হয়ে যাবে। এলাকা বাশির দাবি, সীমানÍবর্তী ও অবহেলিত এই উপজেলার স্বস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে দ্রুত পর্যাপ্ত চিকিৎসক নিয়োগ, ঔষধ সরবাহ বৃদ্ধি এবং নষ্ট যন্ত্রপাতি মেরামত করা জরুরি। গ্রামীন এবং প্রান্তিক এলাকায় স্ব্যাস্ব্যসেবা কেন্দ্র গুলোয় চিকিৎসক ,স্বাস্থ্যর্কমী প্রয়োজনীয় ঔষধের তীব্র সংকটের কারনে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হ্চ্ছ। কোথাও নেই পর্যাপ্ত মনীটরিং ব্যাবস্থাপনা। উপজেলা পর্যায়ে সরকারী হাসপাতালের এম্বুলেন্সের তেল চালুকের বেতন এমনকি কর্মকর্তাদের গাড়ীর তেল সহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সরবরাহ বন্দ রয়েছে। অত্র উপজেলাতে ২০২২ সালের জন শুমারী অনুযায়ী মোট জনসংখা ১৫৯৫১৬জন । বর্তমানে এই সংখ্যা অনেক বেশী বলে জানা গেছে।