1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০৬ অপরাহ্ন
Title :
৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের বিভিন্ন কর্মসূচি পালন কাশীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন আসাদুল হাবিব দুলু স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ৭ নভেম্বর ঐতিহাসিক ঘটনা -আসাদুল হাবিব দুলু ​কুমিল্লার তিতাসে কথিত পীরের বিরুদ্ধে তৌহিদী জনতার বিক্ষোভ ও সমাবেশ বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক জোরদারের প্রত্যয় নিয়ে শেষ হলো ৩০তম ইউএস ট্রেড শো পোশাক খাত অস্থিরতায় স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপ কোনোভাবেই জড়িত নয় টাঙ্গাইলে দেশীয় মাছের আকাল ডিআরইউ মিডিয়া কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের স্পনসর হলো ওয়ালটন দিনাজপুরের বীরগঞ্জ হাসপাতালে জনবল সংকটে বেহাল দশা ৭ নভেম্বরের অঙ্গীকার হোক স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা: তারেক রহমান

‌‘জাতীয় কবি’র গেজেট চেয়ে আইনি নোটিশ

  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৩১ মে, ২০২২, ১২.৫১ পিএম
  • ২০৪ Time View

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে ‘জাতীয় কবি’ হিসাবে ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশের জন্য সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক এবং কবি নজরুল ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক বরাবর আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩১ মে) সুপ্রিম কোর্টের ১০ আইনজীবীর পক্ষে আইনজীবী মো. আসাদ উদ্দিন এ নোটিশ পাঠান। নোটিশ প্রেরণকারী অন্য আইনজীবীরা হলেন- মোহাম্মদ মিসবাহ উদ্দিন, মো. জোবায়দুর রহমান, আল রেজা মো. আমির, মো. রেজাউল ইসলাম, কে এম মামুনুর রশিদ, মো. আশরাফুল ইসলাম, শাহীনুর রহমান, মো. রেজাউল করিম ও মো. আলাউদ্দিন।

নোটিশ প্রেরণকারী আইনজীবী মো. আসাদ উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, কাজী নজরুল ইসলাম মৌখিকভাবে বাংলাদেশের জাতীয় কবি হিসাবে পরিচিত হলেও লিখিতভাবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি নেই। বলা হয়ে থাকে, ১৯২৯ সালের ১৫ ডিসেম্বর কলকাতার আলবার্ট হলে একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে সর্বভারতীয় বাঙালিদের পক্ষ থেকে কবিকে জাতীয় সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু, শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকসহ গুরুত্বপূর্ণ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। ওই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নজরুলকে ‌‘জাতীয় কবি’ হিসাবে ঘোষণা করা হয়। সেই থেকে মুখে মুখে তিনি জাতীয় কবি হয়ে আছেন।

কিন্তু আজ পর্যন্ত সরকাবিভাবে তাঁকে জাতীয় কবি হিসাবে ঘোষণা করে কোনও প্রজ্ঞাপন বা গেজেট প্রকাশ করা হয়নি। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। কারণ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি কোনও মৌখিক বিষয় নয়।

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ২৪ মে কবিকে বাংলাদেশে আনা হয়। বসবাসের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ধানমন্ডিতে তাঁকে একটি বাড়ি দেওয়া হয়। বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে অবদানের জন্য ১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ডি-লিট উপাধিতে ভূষিত করে।

এরপর ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দিয়ে সরকারি আদেশ জারি করা হয়। ১৯৭৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তাঁকে ‘একুশে পদক’ দেওয়া হয়। সবকিছুরই ছবি, তথ্যসহ লিখিত দলিল আছে। কিন্তু নির্মম সত্য এটিই যে, ‘জাতীয় কবি’ হিসাবে সরকারি ঘোষণার কোনও লিখিত দলিল বা প্রমাণ নেই।

বাংলাদেশের দু’টি আইনে জাতীয় কবি হিসাবে নজরুলের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। বিভিন্ন সরকারি আয়োজনে তাঁকে জাতীয় কবি হিসাবে উল্লেখও করা হয়। কিন্তু সবই পরোক্ষ স্বীকৃতি। এমন স্বীকৃতি কালের পরিবর্তনে মুছে যেতে পারে।

আগামীর প্রজন্ম একদিন হয়তো না-ও জানতে পারে যে, আমাদের জাতীয় কবির নাম কাজী নজরুল ইসলাম। তিনি আমাদের ইতিহাসের অংশ। ইতিহাস ও জাতীয় স্বীকৃতি কখনও অলিখিত থাকতে পারে না। অলিখিত ইতিহাস ও তথ্য সময়ের বিবর্তনে বিলীন হয়ে যায়।

এ জন্য ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সংরক্ষণে রাষ্ট্রকে বিপুল অর্থ বরাদ্দ দিতে হয়। এছাড়া নজরুলকে জাতীয় কবি হিসাবে ঘোষণার দাবিতে কবি পরিবারের পক্ষ হতে বারবার দাবি তোলা হয়েছে। নজরুল গবেষক এবং সাহিত্য-সংস্কৃতি সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকেও অনেক দাবি জানানো হয়েছে।

কিন্তু অদ্যাবধি এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তাই দেশের সচেতন নাগরিক এবং উচ্চ আদালতের আইনজীবী হিসাবে এ আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

নোটিশ প্রাপ্তির ৭ কর্মদিবসের মধ্যে কাজী নজরুল ইসলামকে জাতীয় কবি হিসাবে ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করতে অনুরোধ করা হয়েছে। অন্যথায় নোটিশদাতারা উচ্চ আদালতের সম্মুখীন হবেন মর্মে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com