1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৪:১২ অপরাহ্ন
Title :
এবি ব্যাংকের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন জনাব মো. ফজলুর রহমান ঋণনির্ভরতা কমিয়ে অর্থের বিকল্প উৎস খুঁজছে সরকার: অর্থমন্ত্রী তিস্তার পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি, রংপুর অঞ্চলে বন্যার শঙ্কা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে আজ মালয়েশিয়া যাচ্ছেন তারেক রহমান ডিজিটাল রূপান্তরের নতুন বাস্তবতা আলোচনার মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হলো ১২তম ডিজিটাল সামিট কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে দুইজনের কারাদণ্ড টেকনাফ হ্নীলার নাটমুড়া পাড়ার আইয়ুব- ১৭ হাজার ৭২৫ পিস ইয়াবাসহ হাটহাজারীতে আটক আবারও চট্টগ্রাম ভাসল; মাত্র পৌনে এক ঘণ্টার বৃষ্টিতে চরম ভোগান্তিতে নগরবাসী জীবননগর উপজেলা আইসিটি অফিসারের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে দুই বাসের সংঘর্ষে নিহত-১

তিস্তার পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি, রংপুর অঞ্চলে বন্যার শঙ্কা

  • আপডেট : রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১.৪৬ পিএম
  • ৫২ Time View

ধারাবাহিক বৃষ্টি আর উজানের ঢলে হুহু করে বাড়ছে তিস্তা নদীর পানি। অব্যাহতভাবে পানি বাড়ার কারণে তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই করছে। নদীর দুই তীরের নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলগুলোতে অবিরাম পানি ঢুকতে শুরু করায় তলিয়ে গেছে আমন ধানের বীজতলাসহ শত শত একর আবাদি জমি। ফলে রংপুর অঞ্চলের ৫টি জেলায় বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কায় চরম দিশাহারা হয়ে পড়েছেন নদীপাড়ের লাখো মানুষ।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, ভারতের গজলডোবা ব্যারেজের ২০টি গেট একযোগে খুলে দেওয়ায় বাংলাদেশ অংশে তিস্তার পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার কাছাকাছি চলে এসেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দোয়ানী তিস্তা ব্যারেজের ৪৪টি জলকপাট (স্লুইস গেট) পুরোপুরি খুলে রাখা হয়েছে।

লালমনিরহাট পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল কুমার বলেন, “গেল ২৪ ঘণ্টায় তিস্তার পানি ৩৮ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। শনিবার সকাল ৯টা থেকে পানি বিপদসীমার মাত্র ১৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। উজান থেকে যেহেতু এখনো পাহাড়ি ঢল আসছে, তাই পানি বাড়তেই থাকবে। আমরা সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।” পাউবো প্রকৌশলীদের আশঙ্কা, এমন অবস্থা চলমান থাকলে আজ রবিবারের মধ্যেই পানি বিপদসীমা অতিক্রম করে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত করবে।

পাউবোর তথ্যমতে, শনিবার সকালে ব্যারেজ পয়েন্টে নদীর পানি রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ২ মিটার, যেখানে এই পয়েন্টে বিপদসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার। নদীপাড়ের কৃষকেরা জানান, হুহু করে পানি বাড়ায় নদীর অববাহিকায় থাকা চরের নিচু জমিগুলো ইতোমধ্যে তলিয়ে গেছে। মহিপুর তিস্তার চর এলাকার কৃষক মকবুল হোসেন হতাশা প্রকাশ করে বলেন, “উজান থেকে যেভাবে পানি আসছে, মনে হচ্ছে এবার বড় বন্যা হবে। আমন ধানের চারার জন্য কষ্ট করে তৈরি করা বীজতলাগুলো সব পানির নিচে তলিয়ে গেছে।”

একই অবস্থা কালীগঞ্জ উপজেলার চর শৌলমারী ও হাতীবান্ধার গড্ডিমারী এলাকায়। চর শৌলমারীর কৃষক নজরুল ইসলাম জানান, তাদের চরটি ইতোমধ্যে পানিতে ডুবে গেছে। তারা এখনো বাড়িতে থাকলেও পানি আর একটু বাড়লেই নিরাপদ আশ্রয়ে কিংবা বাঁধে ছুটে যেতে হবে।

রংপুর বিভাগীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আহসান হাবিব জানান, ব্রহ্মপুত্র, দুধকুমার, ধরলা, গঙ্গাধর, জিনজিরাম ও ঘাঘট নদীর পানি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, রংপুর ও গাইবান্ধা—এই ৫টি জেলায় তিস্তাপাড়ের বন্যা ও ভাঙন পরিস্থিতি সতর্কতার সাথে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। আপৎকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড নদীপাড়ের মানুষদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com