রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:০৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
বৃহত্তর লাকসাম ফাউন্ডেশন ইউএসএ ইনক-এর সভাপতি হলেন নূরে আলম ভোলাহাটের ‘সোর্স’ ইয়াকুব—প্রতারণার আড়ালে দেশবিরোধী গোয়েন্দা তৎপরতার অভিযোগ! আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চট্টগ্রাম রেলওয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মচারী লুৎফা বেগম, সে অফিস যাতায়াত করেন ল্যান্ডক্রুজারে জামায়াতে ইসলামী ১১ দলীয় কেন্দ্রীয় নেতাদের আগমনে জনসমুদ্রে পরিনত কেরানীগঞ্জ জোট-ভোটে ডিজিটাল প্রচারণায় ব্যস্ত রাজনীতির মাঠ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এর শোকবার্তা এই নির্বাচন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের চূড়ান্ত অগ্নিপরীক্ষা — ইলিয়াস হোসেন মাঝি জলঢাকায় গ্রিনল্যান্ড পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের এক ভিন্ন বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সিলেট বিভাগের উদ্দ্যোগে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে নানান আয়োজনে বনভোজন অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহ ১০ গফরগাঁও আসনে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী গণমিছিল অনুষ্ঠিত

ভোলাহাটের ‘সোর্স’ ইয়াকুব—প্রতারণার আড়ালে দেশবিরোধী গোয়েন্দা তৎপরতার অভিযোগ! আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৩৭ Time View

অনুসন্ধানী প্রতিবেদক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ: সীমান্তবর্তী উপজেলা ভোলাহাটে এক ভয়ংকর অপরাধী চক্রের মূলহোতা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে ইয়াকুব আলী (২৯)। কখনো পুলিশ, কখনো র‌্যাব, আবার কখনো দেশের প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থার ‘সোর্স’ পরিচয়ে দাপিয়ে বেড়ানো এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে এবার উঠেছে চাঞ্চল্যকর দেশবিরোধী অভিযোগ। এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীদের দাবি, ইয়াকুব কেবল একজন সাধারণ চাঁদাবাজ বা প্রতারকই নয়, বরং সে ভিনদেশি গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ (RAW)-এর হয়ে কাজ করছে এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচার করছে। ছদ্মবেশে অপরাধের মহোৎসব! অনুসন্ধানে জানা যায়, চামুসা গ্রামের মোজাম্মেল হক টুনুর ছেলে ইয়াকুবের শিক্ষাগত যোগ্যতা মাত্র তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত হলেও তার চাতুর্য আকাশচুম্বী। সে নিজেকে সাংবাদিক এবং সরকারি গোয়েন্দা হিসেবে জাহির করে এলাকায় একটি ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। তার মূল অস্ত্র হলো ‘ভয়’। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে ছোটখাটো ব্যবসায়ী—সবাইকে প্রশাসনের ভয় দেখিয়ে মোটা অঙ্কের চাঁদা আদায় করাই তার নেশা।

গুরুতর অভিযোগ! তথ্য পাচার ও দেশদ্রোহিতা,
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, ইয়াকুবের যাতায়াত ও যোগাযোগ সীমান্তবর্তী এলাকায় সন্দেহজনক। বিভিন্ন অপরাধ জগতের গডফাদারদের লিড দেওয়া এবং প্রশাসনের নাম ভাঙিয়ে তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার আড়ালে সে দেশের অভ্যন্তরীণ তথ্য ভিনদেশে পাচার করছে বলে জোরালো অভিযোগ উঠেছে। এই দেশবিরোধী কর্মকাণ্ডের ফলে সীমান্তের নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। দুই সাল থেকে মামলার পাহাড়, তবুও বেপরোয়া! রেকর্ড অনুযায়ী, ইয়াকুবের বিরুদ্ধে ভোলাহাট থানাসহ বিভিন্ন স্থানে চাঁদাবাজি, মাদক, হুমকি এবং মারামারিসহ অন্তত ১৫টি নিয়মিত মামলা রয়েছে। ইতিপূর্বে ২০২২ সালে সে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলেও জামিনে বেরিয়ে এসে আরও দ্বিগুণ উৎসাহে অপরাধ কর্মকাণ্ড শুরু করে।

সম্প্রতি চরধরমপুর গ্রামে ভুয়া পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে সে গণধোলাইয়ের শিকার হলেও তার স্বভাব বদলায়নি।

ভুক্তভোগীদের আর্তনাদ ও জনরোষ,
এলাকার বাসিন্দা আবু সায়েদ ও আরিফুল ইসলাম জানান”ইয়াকুব হাতে হ্যান্ডকাফ নিয়ে ঘোরে এবং নিজেকে পুলিশের লোক দাবি করে। তার অত্যাচারে আমরা অতিষ্ঠ। সে গ্রেফতার না হলে ভোলাহাটের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নেই, এমনকি দেশের গোপন তথ্যও নিরাপদ নয়।” সীমান্তবর্তী এলাকায় তার বাড়ি হওয়াই, মাদক অস্ত্র পাচার সহ বিভিন্ন অপকাণ্ড সে সরাসরি জড়িত, তাই এই অপরাধের সফল অপকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে প্রশাসনের নাকের ডগায়। বর্তমানে এলাকায় গুঞ্জন উঠেছে যে, এই শীর্ষ প্রতারক কোনো শক্তিশালী মহলের ছত্রছায়ায় থেকে আবারও বড় ধরনের কোনো অপরাধের ছক কষছে।

প্রশাসনের বক্তব্য ও জনগণের দাবি ভোলাহাট থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ইয়াকুব একজন তালিকাভুক্ত অপরাধী এবং তার প্রতিটি পদক্ষেপ নজরে রাখা হচ্ছে। তবে এলাকাবাসীর দাবি, তাকে কেবল গ্রেফতার করলেই হবে না, বরং তাকে রিমান্ডে নিয়ে তার সাথে ভিনদেশি গোয়েন্দা সংস্থার কোনো যোগসূত্র আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে! বিশেষ করে তার মোবাইল ক্রপ করলেই সকল তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে জানান বিশ্বস্ত সূত্রে বলছে অনেকেই। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং ভোলাহাটের মানুষের জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে এই ‘ছদ্মবেশী এজেন্ট’ ইয়াকুবকে অবিলম্বে আইনের আওতায় আনা এখন সময়ের দাবি। অন্যথায়, এই আগাছা বিশাল মহীরুহে পরিণত হয়ে দেশের বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে।

দেশের তথ্য পাচার ও প্রশাসনের নাম ভাঙিয়ে ইয়াকুবের রামরাজত্ব! অতিষ্ঠ সীমান্তবাসী, গ্রেফতারের দাবি তুঙ্গে’ ভোলাহাটের ‘ছলনাময়’ ইয়াকুবের নতুন ফন্দিতে! প্রশাসনের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি, এবার খোদ ভোলাহাট থানার ওসির বিরুদ্ধেই অপপ্রচার,গণহারে। গণধোলাই খেয়ে ‘রাজনৈতিক নাটক’।

অনুসন্ধানে জানা যায়, গত কয়েকদিন আগে গোয়েন্দা সংস্থার নাম ভাঙিয়ে চাঁদা আদায় করতে গেলে স্থানীয় এলাকাবাসী ইয়াকুবকে হাতেনাতে আটক করে উত্তম-মধ্যম দেয়। কিন্তু চতুর এই প্রতারক নিজের অপরাধ ঢাকতে ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করে। সে নিজেকে ‘আওয়ামী লীগের নির্যাতনের শিকার’ দাবি করে ভোলাহাট থানায় একটি মিথ্যা এজাহার দায়ের করে। তবে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে বেরিয়ে আসে আসল থলের বিড়াল। তদন্তকারী কর্মকর্তারা নিশ্চিত হন যে, ইয়াকুব কোনো রাজনৈতিক কারণে নয়, বরং সাধারণ মানুষের ওপর গোয়েন্দা পরিচয় দিয়ে জুলুম ও চাঁদাবাজি করার কারণেই গণধোলায় শিকার হয়েছে। মিথ্যা এজাহার দিয়ে পার না পেয়ে এবার ইয়াকুব সরাসরি পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধেই যুদ্ধে নেমেছে। পুলিশ ও ওসির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে ফাইদা হাসিলের চেষ্টা! নিজের মনগড়া মামলায় ব্যবস্থা নিতে দেরি হওয়ায় সে কতিপয় অসাধু অনলাইন মাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে ভোলাহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এবং তদন্তকারী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর ও ভুল তথ্য দিয়ে প্রতিবেদন ছড়িয়ে দিচ্ছে। প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করে নিজের অপরাধ আড়াল করাই তার মূল লক্ষ্য।

বিকাশে ‘ডোনেশন’ ও অসাধু চক্রের মদদ,
অনুসন্ধানে আরও একটি ভয়াবহ তথ্য মিলেছে। ইয়াকুবের মতো একজন চিহ্নিত অপরাধীর সাথে পুলিশের কিছু অসাধু নিচু পদের সদস্য ও সোর্সের সখ্যতা রয়েছে। তথ্য আদান-প্রদানের নামে ইয়াকুবের বিকাশ নম্বরে নিয়মিত সাপ্তাহিক ও মাসিক ভিত্তিতে ‘ডোনেশন’ বা টাকা পাঠানো হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই অসাধু চক্রের ছত্রছায়াতেই সে দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

সাংবাদিক পরিচয়ে আন্তর্জাতিক প্রতারণা,
নিজেকে ‘বড় মাপের সাংবাদিক’ পরিচয় দিয়ে ইয়াকুব শুধু দেশেই নয়, প্রবাসীদের সাথেও প্রতারণা করছে। বিদেশে লোক পাঠানোর নাম করে এবং প্রশাসনিক তদবিরের ভয় দেখিয়ে বহু মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার সরাসরি অভিযোগ এখন ভুক্তভো গীদের মুখে মুখে।

এলাকাবাসীর দাবি‘দেশ বাঁচাতে ইয়াকুবকে থামান! বর্তমানে ইয়াকুবের বিরুদ্ধে ভোলাহাট থানায় প্রতারণা, চাঁদাবাজি, মাদক এবং মারামারি সহ মোট ৫টিরও বেশি মামলা চলমান। স্থানীয়দের দাবি, সে শুধু একজন সাধারণ প্রতারক নয়, বরং দেশের অভ্যন্তরীণ তথ্য পাচারের সাথেও জড়িত। দ্রুত তাকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিলে বেরিয়ে আসবে তার নেপথ্যের কুশীলবদের নাম। স্থানীয় এক কলেজ প্রভাষক মন্তব্য করেন ইয়াকুবের মতো অপরাধীরা যখন প্রশাসনের নাম ব্যবহার করে অপরাধ করে, তখন সাধারণ মানুষের আস্থা নষ্ট হয়। অবিলম্বে এই ‘তথ্য পাচারকারী’ ও ‘পেশাদার প্রতারক’কে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

প্রশাসনের জালে ভোলাহাটের তথ্য পাচারকারী’ ইয়াকুব ‘জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কড়া হুঁশিয়ারি ও নজরদারির আওতায় অপরাধের প্রমাণ মিলেছে, যেকোনো সময় গ্রেফতার’ আইনশৃঙ্খলার সূত্রে জানা যায়,
গোয়েন্দা সংস্থার নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি, বিদেশের এজেন্ট হিসেবে তথ্য পাচার এবং পুলিশকে বিতর্কিত করার নায়ক ইয়াকুব আলীর দিন ফুরিয়ে এসেছে। প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায় থেকে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রশাসনের ভাষ্য’ ইয়াকুবের অপরাধের পাহাড়!সম্প্রতি ইয়াকুবের বিরুদ্ধে ওঠা চাঞ্চল্যকর সব অভিযোগ নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক (DC), পুলিশ সুপার (SP) এবং ভোলাহাট থানার অফিসার ইনচার্জের (OC) সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা ইয়াকুবের অপরাধের ভয়াবহতার সত্যতা নিশ্চিত করেন। জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের বক্তব্য’ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা জানান, ইয়াকুবের বিরুদ্ধে তারা জোরালোভাবে তথ্য অনুসন্ধান করছেন। তার বিরুদ্ধে অনেক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকা এবং বিভিন্ন মহলের সাথে অবৈধ সখ্যতার প্রমাণ ইতোমধ্যে শক্তপুক্তভাবে হাতে নেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে,। অফিসার ইনচার্জ ভোলাহাট (ওসি) জানান, আমার বিরুদ্ধে ইয়াকুবের সকল অপপ্রচার, দ্রুত আইনি মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া সহ। ইয়াকুবের সকল অপরাধের বিস্তারিত তথ্য ও তার করা অপকর্মের বিষয়গুলো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের লিখিতভাবে অবগত করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা আসা মাত্রই তাকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS