1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৬ পূর্বাহ্ন
Title :
সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্সে ৩% প্রবৃদ্ধি, এসেছে ২৭৬.৬ কোটি ডলার জুলাই-আগস্টের অনলাইন ভ্যাট রিটার্নে সময় বাড়ল, শেষ সময় ১৫ অক্টোবর গোপালগঞ্জ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ‘ফ্যাব্রিক লাইব্রেরি’র যাত্রা শুরু, দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কৃষকের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের উদ্যোগ: ফজলুল হক মিলন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বরণে কুমিল্লার মহাসড়কজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের অডিট কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত আইনজীবী অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফার মৃত্যু, সাওল পরিবারের শোক আইএফআইসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান পুনর্নির্বাচিত হলেন মো. মেহমুদ হোসেন অল-রাউন্ড ব্যবহারের উপযোগী নতুন সি-সিরিজ স্মার্টফোন আনছে রিয়েলমি চুয়াডাঙ্গায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত

কৃষকরা পাচ্ছেন না ধানের দাম, অথচ বাজারে চালের দাম নাগালের বাইরে

  • আপডেট : রবিবার, ৮ মে, ২০২২, ৪.৩১ পিএম
  • ২১৪ Time View

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ধান উঠতে শুরু করলেও চালের বাজারে প্রভাব পড়েনি। এখনও খুচরা দোকানে উচ্চ মূল্যেই বিক্রি হচ্ছে চাল, যা সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। বিক্রেতাদের আশা, আগামী সপ্তাহে হাটে আসতে শুরু করবে ধান। সে সময় থেকে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। মিল গেট ও পাইকারি বাজারে জোরালো তদারকি না থাকায় ক্ষুব্ধ ক্রেতারা বলছেন, চালের মোকামে স্বস্তি আনতে প্রয়োজন সমন্বিত কার্যক্রম।

এদিকে চালের চড়া দরে ভোগান্তিতে পরেছে সীমিত আয়ের মানুষ। এর মধ্যেই নতুন ধান বাজারে আসতে শুরু করেছে। তাই মিল মালিকরা এখন আর পুরনো চাল ধরে রাখতে চাচ্ছেন না। তাদের দাবী বাজার স্বাভাবিক রাখতেই তারা পুরনো চাল ছেড়ে দিচ্ছেন। তবে এর তেমন প্রভাব নেই খুচরা বাজারে।

কাওরান বাজারে প্রতি কেজি মিনিকেট চালের দাম ৬৬ থেকে ৬৮ টাকা, নাজিরশাইল চালের দাম ৭০ থেকে ৭২ টাকা, আটাশ চাল প্রতি কেজি ৪৮ থেকে ৫০ টাকা। তবে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি মিনিকেট বিক্রি হচ্ছে ৬৯ থেকে ৭০ টাকা, নাজিরশাইল বিক্রি হচ্ছে কেজিতে ৭২ থেকে ৭৪ টাকা আর আটাশ চাল বিক্রি হচ্ছে ৫১ থেকে ৫২ টাকায় ।

খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, মিলাররা আমাদেরকে যে দাম ধরে তার সাথে পরিবহন খরচ যোগ করে আমাদের বিক্রয় মূল্য নির্ধারণ করতে হয়। সবে ঈদ গেলো। এখন পর্যাপ্ত চাল বাজারে আসলেই দাম কমার সম্ভাবনা আছে।

বিক্রেতারা আরও বলেন, এখন বাজারে চাহিদা কতোটুকু আছে তা দেখার সুযোগ নেই। বাজারে চাল যথেষ্ট মজুদ আছে কিন্তু তার পরেও বাজার বাড়তি।

এর কারণ হিসেবে বিক্রেতারা উৎপাদন, পাইকারী ও খুচরা বাজারে সমন্বিত তদারকি না থাকাকেই দায়ী করছেন। এতে করে তাদের বাড়তি টাকা দিয়া চাল কিনতে হচ্ছে।

এদিকে কৃষকদের অভিযোগ, তারা সঠিক দামে ধান বিক্রি কোর্টে পারছেন না। ধানের দাম বাজারে অনেক কম।

সরকারী সংস্থা টিসিবির পরিসংখ্যান বলছে এক বছরে চিকন চালের দাম বেড়েছে চার শতাংশেরও বেশি।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com