1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন
Title :
সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্সে ৩% প্রবৃদ্ধি, এসেছে ২৭৬.৬ কোটি ডলার জুলাই-আগস্টের অনলাইন ভ্যাট রিটার্নে সময় বাড়ল, শেষ সময় ১৫ অক্টোবর গোপালগঞ্জ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ‘ফ্যাব্রিক লাইব্রেরি’র যাত্রা শুরু, দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কৃষকের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের উদ্যোগ: ফজলুল হক মিলন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বরণে কুমিল্লার মহাসড়কজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের অডিট কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত আইনজীবী অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফার মৃত্যু, সাওল পরিবারের শোক আইএফআইসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান পুনর্নির্বাচিত হলেন মো. মেহমুদ হোসেন অল-রাউন্ড ব্যবহারের উপযোগী নতুন সি-সিরিজ স্মার্টফোন আনছে রিয়েলমি চুয়াডাঙ্গায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত

সুবাতাস বইছে রেমিট্যান্সে

  • আপডেট : রবিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২২, ১০.১৬ পিএম
  • ২২৪ Time View

ঈদকে সামনে রেখে পরিবার-পরিজনের কাছে বেশি বেশি টাকা পাঠাচ্ছেন প্রবাসীরা। সে কারণে রেমিট্যান্স প্রবাহে উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে। চলতি এপ্রিল মাসের ২১ দিনেই ১৪০ কোটি ৭০ লাখ ৯০ হাজার ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।

বর্তমান বিনিময় হার হিসাবে (প্রতি ডলার ৮৬ টাকা ২০ পয়সা) টাকার অঙ্কে এই অর্থের পরিমাণ ১২ হাজার ১৩০ কোটি টাকা।

৩ এপ্রিল থেকে রোজা শুরু হয়েছে। সে হিসাবে ২ অথবা ৩ মে ঈদ উদযাপিত হবে দেশে। এই ২১ দিনে দেশে যে রেমিট্যান্স এসেছে, সে হারে এলে এপ্রিল শেষে মোট রেমিট্যান্সের পরিমাণ ২০০ কোটি ডলার বা ২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন ব্যাংকাররা।

এক বছর আগে গত বছরের মে মাসে ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি (২.১৭ বিলিয়ন) রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা।

বাংলাদেশ ব্যাংক রোববার রেমিট্যন্সের সাপ্তাহিক যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যায়, এপ্রিলের ২১ দিনে (১ থেকে ২১ এপ্রিল) রাষ্ট্রায়ত্ত ছয় বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে ২৬ কোটি ৪৫ লাখ ৮০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।

বিশেষায়িত কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ২ কোটি ৬৯ লাখ ৫০ হাজার ডলার। ৪২টি বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১১১ কোটি ৮ লাখ ৩০ হাজার ডলার। আর পাঁচটি বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৪৭ লাখ ৩০ হাজার ডলার।

এই বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, ঈদের আগে প্রতি বছরই রেমিট্যান্স বেশি আসে। এবারের ঈদে এর ব্যতিক্রম হচ্ছে না। বাকি এই কয় দিনে আরও বেশি রেমিট্যান্স আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, সর্বশেষ গত মার্চে ১৮৬ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা, যা ছিল গত আট মাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি।

টানা পাঁচ মাস কমার পর ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে বেড়েছিল অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ এই সূচক। কিন্তু ফেব্রুয়ারিতে ফের হোঁচট খায়। ওই মাসে ১৪৯ কোটি ৬০ লাখ ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা।

তার আগের দুই মাস ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে এসেছিল যথাক্রমে ১৬৩ কোটি ৬ লাখ ও ১৭০ কোটি ৪৫ লাখ ডলার।

ফেব্রুয়ারি মাস ২৮ দিন হওয়ায় ওই মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ কমেছিল বলে জানায় ব্যাংকগুলো। তবে মার্চে এই সূচকে ফের গতি ফিরে আসে। ওই মাসে ফেব্রুয়ারির চেয়ে ২৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ বেশি রেমিট্যান্স দেশে আসে।

২০২০ সালের মার্চে দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়ার পর রেমিট্যান্সপ্রবাহেও তার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। ওই বছরের এপ্রিলে মাত্র ১০৯ কোটি ২৯ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠান প্রবাসীরা। এর পর থেকে অবশ্য মহামারির মধ্যেও ২০২০-২১ অর্থবছরের পুরোটা সময়ে (২০২০ সালের জুলাই থেকে ২০২১ সালের জুন) রেমিট্যান্সের উল্লম্ফন দেখা যায়।

ওই অর্থবছরে অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে ২ হাজার ৪৭৮ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠান প্রবাসীরা, যা ছিল আগের অর্থবছরের চেয়ে ৩৬ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি।

কিন্তু চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের শুরু থেকেই রেমিট্যান্সপ্রবাহে ভাটার টান দেখা যায়। প্রথম মাস জুলাইয়ে আসে ১৮৭ কোটি ১৫ লাখ ডলার। আগস্টে আসে ১৮১ কোটি ডলার। সেপ্টেম্বরে আসে ১৭২ কোটি ৬২ লাখ ডলার। অক্টোবরে আসে ১৬৪ কোটি ৭০ লাখ ডলার। নভেম্বরে আসে আরও কম, ১৫৫ কোটি ৩৭ লাখ ডলার।

দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বিভিন্ন দেশে থাকা সোয়া কোটি বাংলাদেশির পাঠানো অর্থ। দেশের জিডিপিতে সব মিলিয়ে রেমিট্যান্সের অবদান ১২ শতাংশের মতো।

রেমিট্যান্সপ্রবাহ বাড়াতে ২০১৯-২০ অর্থবছর থেকে ২ শতাংশ হারে নগদ প্রণোদনা দিয়ে আসছিল সরকার। গত জানুয়ারি থেকে তা বাড়িয়ে ২ দশমিক ৫ শতাংশ করা হয়েছে।

অর্থাৎ কোনো প্রবাসী এখন ১০০ টাকা দেশে পাঠালে যার নামে পাঠাচ্ছেন তিনি ১০২ টাকা ৫০ পয়সা তুলতে পারছেন।

তবে চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের ৯ মাসের (জুলাই-মার্চ) হিসাবে এখনও নেতিবাচক প্রবৃদ্ধিতে রয়েছে রেমিট্যান্স। এই ৯ মাসে ১ হাজার ৫৩০ কোটি (১৫.৩০ বিলিয়ন) ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। গত ২০২০-২১ অর্থবছরের একই সময়ে পাঠিয়েছিলেন ১ হাজার ৮৫৯ কোটি ৮২ লাখ ডলার (১৮.৫৯ বিলিয়ন) ডলার।

এ হিসাবে জুলাই-মার্চ সময়ে রেমিট্যান্স কমেছে প্রায় ১৮ শতাংশ। গত বছরের মার্চে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৯১ কোটি ডলার।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com