1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন
Title :
ঈদুল আজহার ছুটির পর প্রথম কার্যদিবসে দর পতনের শীর্ষে প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স ঈদুল আজহার ছুটির পর প্রথম কার্যদিবসে দর বৃদ্ধির শীর্ষে সোনারগাঁও টেক্সটাইল ঈদুল আজহার ছুটির পর প্রথম কার্যদিবসে লেনদেনের শীর্ষে ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথে এমপি আমির হামজার পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ, আহত শ্যালক হবিগঞ্জ কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু নবীনগরে প্রবাসীর বাড়িতে হামলা-লুটপাট, গ্রেফতার ১, মূল হোতা এখনো পলাতক ওয়ালটন স্মার্ট ফ্রিজ ডিপিডিএলের ঈদ পরবর্তী রাউন্ডে খেলছেন জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা ‘ঢাকা ১২০৫’ চলচ্চিত্রে গাইলেন কনক দত্ত কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশের অভিযানে ১১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের শেষ আশ্রয়ও গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ

সদরপুরে ডিজেল সংকট: বোরো ফলন নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক ​

  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬, ১১.১৩ পিএম
  • ১৬১ Time View

বিপ্লব কুমার দাস, ফরিদপুর প্রতিনিধি: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে শুরু হওয়া জ্বালানি সংকটের ধাক্কা লেগেছে ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার প্রান্তিক কৃষকদের গায়ে। তীব্র ডিজেল সংকটের কারণে স্থানীয় ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেল সরবরাহ প্রায় বন্ধ। ফলে বোরো আবাদের ভরা মৌসুমে সময়মতো জমিতে সেচ দিতে পারছেন না চাষিরা। পানির অভাবে শুকিয়ে যাচ্ছে মাঠ, যার ফলে বোরো ধানের কাঙ্ক্ষিত ফলন নিয়ে কৃষকদের কপালে এখন চিন্তার ভাঁজ।

​সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার সদরপুর ও বাইশরশি (২২ রশি) এলাকায় মাত্র দুটি তেলের পাম্প রয়েছে। এর মধ্যে জাকের ফিলিং স্টেশনটিতে কোনো তেল মজুদ না থাকায় সেটি সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। অন্যদিকে, সদরপুর ফিলিং স্টেশনে সামান্য তেল থাকলেও সেখানে যানবাহন ও কৃষকদের উপচে পড়া ভিড়। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাক্টর চালক মতি মিয়া জানান, “সেচ কাজের জন্য তেল নিতে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। ডিজেল না পেলে সেচ দেওয়া যাবে না। চার দিন আগে মাত্র ৩০০ টাকার তেল পেয়েছিলাম।”

​কৃষকদের অভিযোগ, তাঁরা পাম্পে ৫ লিটারের ক্যান বা বোতল নিয়ে গেলে ডিজেল দেওয়া হচ্ছে না। আবার খুচরা দোকানে বাড়তি দাম দিয়েও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত তেল।

স্থানীয় কৃষক তৈয়ব বেপারী জানান,
​”২ বিঘা জমিতে ব্রি-২৯ ধানের আবাদ করেছি। ডিজেলের অভাবে ঈদের আগে থেকেই ঠিকমতো সেচ দিতে পারছি না। মাঝে হালকা বৃষ্টিতে কিছুটা উপকার হলেও এখন জমি আবার শুকিয়ে খটখটে। ঠিকমতো সেচ দিতে না পারলে ধানের থোড় বের হবে না, পোকা লাগারও ভয় আছে।”

​একই সংকটের কথা জানালেন আরেক কৃষক জাফর শেখ। তিনি বলেন, “৩ বিঘা জমিতে ব্রি-৮৯ আবাদ করেছি। সময়মতো সেচ ও সার দিতে পারলে বিঘায় ৩০ থেকে ৩৫ মণ ফলন হতো। এখন যে অবস্থা, তাতে ফলন কমে বিঘায় ২০ থেকে ২৫ মণে নামতে পারে।”

​উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সদরপুর উপজেলায় প্রায় ১ হাজার ২০০টি সেচ পাম্প রয়েছে। এসব পাম্প সচল রাখতে প্রতিদিন গড়ে অন্তত ৩ হাজার লিটার ডিজেলের প্রয়োজন হয়। অথচ বর্তমান পরিস্থিতিতে পাম্পগুলোর তথ্য অনুযায়ী, আজ বুধবার (১ এপ্রিল) পর্যন্ত মোট ডিজেল মজুদ আছে মাত্র ১ হাজার ১৫৮ লিটার—যা দৈনিক চাহিদার অর্ধেকেরও কম।

​এ বিষয়ে সদরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নীটুল রায় জানান, “এখন বোরো ধানের থোড় আসার মোক্ষম সময়। এই মুহূর্তে সেচ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে না পারলে উৎপাদন মারাত্মকভাবে কমে যাবে। সার্বিক বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)-কে অবগত করা হয়েছে। আমরা দাবি জানিয়েছি, প্রতিদিন পাম্পে যে পরিমাণ ডিজেল আসবে, তার অন্তত ৩০ শতাংশ যেন কৃষকদের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়।”

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com