আবারো চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গু। চলতি বছর আগস্ট পর্যন্ত আট মাসের রেকর্ড ভেঙে ফেলেছে রোগটি। সেপ্টেম্বরের প্রথম ২৫ দিনেই ছাড়িয়ে গেছে এ রোগে আক্রান্ত ও মৃত্যুর রেকর্ড। এটিকে অশনি সংকেত হিসেবে দেখছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। ডেঙ্গুর প্রভাব বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে রোগীদের চাপ।
কারো জ্বর থাকে ৬ দিন; আবার কারো ৯ দিন। তারপর পরীক্ষায় ধরা পড়েছে শরীরে এডিস মশার কামড়ে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন তারা। পরবর্তীতে ঠাঁই হয়েছে হাসপাতালের বিছানায়।
চলতি সেপ্টেম্বরে এখন পর্যন্ত বছরের আগের যে কোনো মাসের চেয়ে দ্বিগুণের বেশি রোগী ভর্তি হয়েছে। এ সময় মৃত্যুও হয়েছে বেশি। এ মাসের প্রথম ২৫ দিনেই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৩ হাজার ৭১৪ রোগী। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৫৫ জনের। প্রথম ছয় মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা শতকের ঘরে থাকলেও, গেলো জুলাই থেকে এ সংখ্যা বাড়তে থাকে লাফিয়ে লাফিয়ে। এতে বেড়েছে মৃত্যুর সংখ্যাও।
গত মঙ্গলবার পুরান ঢাকার আরমানিটোলাসহ বিভিন্ন এলাকায় ডেঙ্গুনিধন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা এ. এফ. হাসান আরিফ লোকদেখানো কাজ করে ডেঙ্গু সংক্রমণ কমানো সম্ভব নয় জানিয়ে ১২টি টিম গঠনের ঘোষণা দেন।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন জানিয়েছে, সকল ওয়ার্ডে একযোগে মশকনিধন কার্যক্রম চলছে সকালে ও বিকেলে। তদারকি করছে মনিটরিং টিম; অভিযান চলছে দক্ষিণেও। তবে নগরবাসীর অভিযোগ, ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়ার পর হুঁশ ফেরে নগর কর্তৃপক্ষের।
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে শুধু রাজধানীতেই এখন পর্যন্ত ১০০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
Leave a Reply