1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৩২ অপরাহ্ন
Title :
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে ইসলামী ব্যাংকের ৩ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন চুক্তি আন্তর্জাতিক মানের আর্থিক প্রতিবেদন নিশ্চিত করতে ইউসিবির নতুন উদ্যোগ নড়াইলের পঞ্চগ্রাম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ ও মতবিনিময় ১৬ দেশের অংশগ্রহণে ৩ সেপ্টেম্বর থেকে বসছে কসমেটিকস ঢাকা ২০২৬ চট্টগ্রামে ট্রাস্ট ব্যাংকের মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ বিষয়ক সম্মেলন ড. ফেরদৌস আহমদ কোরেশীর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বাংলাদেশে পাবজি মোবাইল প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন এমআর ই-স্পোর্টস ই-সেবায় ঝামেলা কমেনি, ইউনিয়ন-উপজেলায় নাগরিকদের ভোগান্তি জুলাইয়ে ১৮০ মিলিয়ন ডলার ঋণ, পরিশোধ ৪৫৩ মিলিয়ন ডলার এনবিআরের ৩৬ অতিরিক্ত কর কমিশনারকে বদলি

রাজস্ব ঘাটতি হতে পারে ৮২ হাজার কোটি টাকা

  • আপডেট : শনিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৪, ২.১৩ পিএম
  • ৩২৬ Time View

চলতি ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরে সরকার বড় অঙ্কের রাজস্ব ঘাটতির মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। বিগত ছয় মাসের রাজস্ব আদায়ের চলমান ধারা পর্যবেক্ষণে অর্থবছর শেষে ৮২ হাজার কোটি টাকা ঘাটতি হবে বলে দাবি করছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।

শনিবার (১৬ মার্চ) রাজধানীর ধানমন্ডিতে সিপিডির কার্যালয়ে ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের জাতীয় বাজেটে সিপিডির সুপারিশমালা শীর্ষক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন এসব কথা বলেন।

ফাহমিদা বলেন, এমন একটা সময় বাজেট প্রণয়ন হতে যাচ্ছে যখন সামষ্টিক অর্থনীতি নেতিবাচক ধারায় রয়েছে। দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, ব্যাংকের তারল্য সংকট, বাজেট বাস্তবায়নে নিন্ম ও স্লথ গতি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নিন্মগামী এবং রপ্তানি আয় ও রেমিট্যান্স নিচের দিকে। এই প্রেক্ষিতে আমাদের সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা যেটা আমরা দেখতে চাই বিশেষ করে উচ্চ প্রবৃদ্ধি ও নিন্ম মূল্যস্ফীতিসহ অন্যান্য সূচক যেখানে থাকার কথা সেটা নেই। বরং চরমভাবে চাপের মুখে পড়েছে। এর কারণ আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ দুটোই।

তিনি বলেন, আগামী ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের মূল বাজেটই হবে কীভাবে সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা যায়। ওই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করে কীভাবে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করা যায়, সেটা বড় বিষয়। যেমন-গত ছয় মাসের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৬.৩ শতাংশ। কিন্তু ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রাপ্তি মাত্র ১৩.৯ শতাংশ। আমরা যদি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে চাই, তাহলে বাকি ৬ মাসে রাজস্ব আহরণে ৫৪.৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে হবে। যা অত্যন্ত কঠিন বিষয়। বিগত দিনের ধারা লক্ষ্য করলে দেখা যায় রাজস্ব ঘটতি আগের মতোই চলমান থাকবে। যার পরিমাণ ৮২ হাজার কোটি টাকা হবে বলে মনে করছি।

অন্যদিকে সরকারি ব্যয়ে সংযম লক্ষ্য করছি। ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যয় ২৫.৫ শতাংশ দেখতে পাচ্ছি। গত বছরে ২৭ শতাংশের মতো ছিল। যেখান থেকে আরও কমেছে। নিজস্ব আর্থিক ব্যবস্থা ও আইএমএফ পরামর্শে ব্যয় কমেছে। ওই সময় বাজেট ঘাটতি বেশ কমেছে, বাজেট ঘাটতি ৭ হাজার ৮৮৫ কোটি টাকা। যেখানে গত অর্থবছরের এই সময়ে ঘাটতি ছিল ২০ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। আর বাজেট ঘাটতি পূরণে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে ঋণ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে ব্যক্তিখাতে ঋণ প্রবাহ কমে গেছে।

মূল্যস্ফীতি প্রসঙ্গে ফাহমিদা বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা দেখতে পাচ্ছি মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের বেশি। যেখানে খাদ্য মূল্যস্ফীতি শহর ও গ্রামে দুটোই জায়গায় বেশি ছিল। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ ব্যাংকের পদক্ষেপ খুব বেশি প্রভাবে ফেলতে পারিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com