বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
১০ জনকে উপদেষ্টা নিয়োগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রমজানের পবিত্রতা রক্ষায় দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জামায়াত আমিরের প্রথম রমজান থেকে বদলাচ্ছে মেট্রোরেল চলাচলের সময় ফরিদপুরের মেয়ে শামা ওবায়েদ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী: শপথের পরই জেলাজুড়ে উৎসবের আমেজ সালাফিকে ধর্মমন্ত্রী করে ইসলাম ও রাষ্ট্র ধ্বংস না করার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে আল্লামা ইমাম হায়াতের আহবান শিবচরে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে পেঁয়াজ বীজ, সার ও কীটনাশক বিতরন ভারোত্তোলন প্রদর্শনী ও গ্রামীণ খেলা অনুষ্ঠিত অদম্য নারী পুরস্কার-২০২৫’ সম্মাননা উপলক্ষ্যে বিভাগীয় কমিটির সভা রয়েল এনফিল্ড বাংলাদেশে এক বছর পূর্তি উদ্‌যাপন করলো নতুন Classic 350 ও Meteor 350-এর লাইন-আপ নিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে ২৫ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ

বিদ্যুৎ উৎপাদনে ৩০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে সামিট

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : শনিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৩৯২ Time View

দক্ষিণ এশিয়ায় সৌর, বায়ু ও জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে ৩০০ কোটি ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছে সামিট গ্রুপ। পরিবেশবান্ধব শক্তির ওপরে জোর দেওয়া ও কোম্পানিটির জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক ব্যবসা বহুমুখীকরণের অংশ হিসেবে এই বিনিয়োগ করা হবে। সামিটের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান এসব তথ্য জানিয়েছেন।

রয়টার্সকে তিনি বলেন, এই বিনিয়োগ পরিকল্পনার আওতায় ১ হাজার মেগাওয়াট সৌর ও বায়ুবিদ্যুৎকেন্দ্র গড়ে তুলবে সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনাল।

বাংলাদেশে সামিট গ্রুপের যত বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র রয়েছে, সেগুলোর হোল্ডিং কোম্পানি হলো সিঙ্গাপুরভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠান। এতে জাপানি প্রতিষ্ঠান জেরার ২২ শতাংশ মালিকানা রয়েছে।

নিজের দপ্তরে রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আজিজ খান বলেন, ‘আমরা বড় বড় ভারতীয় কোম্পানির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছি। বাংলাদেশের জন্য এটাই হবে সবচেয়ে কম দামের বিদ্যুৎ। এমনকি প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করে উৎপাদন করা বিদ্যুতের চেয়েও এই বিদ্যুৎ সস্তা হবে।’

সামিট ১২টিরও বেশি জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনা করে। এ ছাড়া তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ব্যবস্থাপনার জন্য দেশে যে দুটি ভাসমান স্টোরেজ ও তরলকে পুনরায় গ্যাসে রূপান্তর করার ইউনিট রয়েছে, তার একটির মালিক এই প্রতিষ্ঠান।

সামিট ভুটান ও নেপালে ৭০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন জলবিদ্যুৎকেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে বলেও জানান মুহাম্মদ আজিজ খান।

তিনি বলেন, বিশ্বে এলএনজির দাম এখনো খুব বেশি, ফলে বাংলাদেশে প্রধান প্রধান খাতের চাহিদা পূরণে তা সমস্যা তৈরি করছে। আর এ কারণে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং ঘন ঘন বিদ্যুৎ–বিভ্রাট ঘটাচ্ছে।

এক দশক ধরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এলএনজি কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করছে। এ সময় লাখ লাখ মানুষ প্রথমবারের মতো বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার আওতায় এসেছে। দেশটিতে গ্যাসের স্থানীয় মজুত কমে আসছে। ফলে গত দশকের দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশে দুই-তৃতীয়াংশ বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য এলএনজি ব্যবহার করতে হচ্ছে।

তবে ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার পর এলএনজির মূল্য বেশ বেড়ে যায়। একই সময়ে বৈদেশিক মুদ্রার মজুত কমে যাওয়া ও স্থানীয় মুদ্রার দরপতনের কারণে জ্বালানি আমদানিতে সমস্যায় পড়ে বাংলাদেশ। ঠিক একই সঙ্গে আবহাওয়ার খেয়ালি আচরণের কারণে অপ্রত্যাশিতভাবে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় চলতি বছরে বাংলাদেশে গত এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক বিদ্যুৎ–ঘাটতি দেখা দেয়।

মুহাম্মদ আজিজ খান আশা করছেন যে নতুন সরবরাহ আসার কারণে এলএনজির দাম কমে আসবে। তাঁর প্রত্যাশা, সামিটের দ্বিতীয় ভাসমান স্টোরেজ ও তরলকে পুনরায় গ্যাসে রূপান্তর করার ইউনিট ২০২৬ সালের এপ্রিলে চালু করা যাবে।

তিনি বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে অনুভব করছি যে শীতের পর গ্যাসের দাম কমে যাবে।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS