সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ১১:২০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি ঘাটতি ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে পাম্পগুলো বন্ধ হওয়ার আশংকা মালিক সমিতির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে ইসরাইলে ইরানের সরাসরি হামলা হরমুজ প্রণালী খুলতে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম, ইরানকে ট্রাম্পের হুমকি স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে বিএনপির কর্মসূচি জানালেন রিজভী স্বাধীনতা দিবসে স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাবেন তারেক রহমান চট্টগ্রামগামী ট্রেনের ধাক্কা, কুমিল্লায় বাস দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত মাধবপুরে পিকআপ উল্টে খালে নারী-শিশুসহ ৪জন নিহত ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে বাস-পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৪ নিহত আনিস আলমগীরসহ তিন সাংবাদিককে ফোন করে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েলের পারমাণবিক প্রকল্পে ইরানের পাল্টা হামলা, আহত শতাধিক

তথ্যমন্ত্রী: নির্বাচনকে ভয় বলেই ষড়যন্ত্রের পথে বিএনপি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : সোমবার, ২০ মার্চ, ২০২৩
  • ১৭২ Time View

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘বিএনপি নিজেদের জনপ্রিয়তার অবস্থা জানে বলেই তাদের নির্বাচনভীতি পেয়ে বসেছে। এ কারণে তারা নির্বাচনের পথে না হেঁটে ষড়যন্ত্রের পথে হাঁটছে।’

সোমবার (২০ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে তথ্য ভবনের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট (এনআইএমসি) আয়োজিত ‘সড়ক নিরাপত্তা রিপোর্টিং’ সেমিনারের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুলের বক্তব্য–‘নির্বাচনের ফাঁদে পা দেবে না বিএনপি’–নিয়ে প্রশ্নের জবাবে সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, “বিএনপিকে আসলে নির্বাচনভীতি পেয়ে বসেছে। ভীতি পাওয়া স্বাভাবিক, কারণ, ২০০৮ সালে বিএনপি সর্বশক্তি প্রয়োগ করে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে মাত্র ২৯টি আসন পেয়েছিল। পরবর্তী সময়ে উপনির্বাচনে তারা ৩০টি আসন অতিক্রম করতে পেরেছে। ২০১৪ সালে তারা নির্বাচন বর্জন করেছিল। আর ২০১৮ সালের নির্বাচনে সব দলের ঐক্য করে ড. কামাল হোসেনের মতো মানুষকে ‘হায়ার’ করে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে মহিলা আসনসহ মাত্র ৭টি আসন পেয়েছিল।”

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমরা চাই, বিএনপি ভীতি কাটিয়ে ওঠে নির্বাচনে অংশ নিক। অন্যসব গণতান্ত্রিক দেশে যেভাবে নির্বাচন হয়, এখানেও সেভাবে নির্বাচনকালীন সরকার হবে–চলতি সরকার এবং নির্বাচন হবে নির্বাচন কমিশনের অধীন। সেখানে সরকারি দল আওয়ামী লীগ অংশগ্রহণ করবে এবং বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করুক–এটিই আমাদের প্রত্যাশা।’

মির্জা ফখরুলের বক্তব্য–‘আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশের কথা শুনলে একাত্তরের শান্তি কমিটির কথা মনে হয়’–নিয়ে প্রশ্ন করলে মন্ত্রী বলেন, ‘মির্জা সাহেবের বাবা শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন, পাকিস্তানপন্থি ছিলেন। স্বাধীনতার পর মির্জা ফখরুল সাহেবও অনেক দিন আত্মগোপনে ছিলেন। এ জন্য ওনার বেশি বেশি শান্তি কমিটির কথা মনে পড়ে। এ ছাড়া অন্য কিছু নয়। তারা যখনই রাজনৈতিক কর্মসূচি করে, হয় নিজেরা মারামারি করে অথবা পুলিশের সঙ্গে মারামারি করে। দেশে যাতে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় থাকে, সে জন্য জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা শান্তি সমাবেশ করছি।’

এর আগে সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘একটা সড়ক দুর্ঘটনা শুধু একজন মানুষকে পঙ্গু বা হত্যা করে তা নয়–পুরো পরিবারকে হত্যা করে, পঙ্গু করে দেয়। এটি বন্ধ করার জন্য যানবাহন মালিক, চালক, শ্রমিক, আইন রক্ষাকারীসহ আমাদের সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। একই সঙ্গে টেলিভিশনগুলোকে নিজস্ব উদ্যোগে সচেতনতামূলক বিজ্ঞাপন প্রচার করতে হবে।’

রাজনীতি নিয়ে এত টকশো হয়, সড়ক নিরাপত্তা নিয়েও টকশো হওয়া প্রয়োজন, ভালো রিপোর্টিং হওয়া প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তথ্যমন্ত্রী।

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ফায়জুল হকের সভাপতিত্বে অতিরিক্ত সচিব মো. ফারুক আহমেদ বিশেষ অতিথি হিসেবে এবং রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আল মাহবুব উদ্দীন আহমেদ, বুয়েটের অ্যাকসিডেন্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাহবুব আলম তালুকদার, বার্তা সংস্থা ইউএনবির উপদেষ্টা সম্পাদক ফরিদ হোসেন, বিআরটিএ পরিচালক (সড়ক নিরাপত্তা) শেখ মোহাম্মদ মাহবুব-ই-রাব্বানী, এশিয়া-প্যাসিফিক ইনস্টিটিউট ফর ব্রডকাস্টিং ডেভেলপমেন্ট (এআইবিডি) প্রোগ্রাম ম্যানেজার নাবিল তিরমাযি, এনআইএমসি পরিচালক ড. মো. মারুফ নওয়াজ ও সেমিনার পরিচালক মোহাম্মদ আবু সাদিক সেমিনারে বক্তব্য দেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও এআইবিডির সহায়তায় আয়োজিত দিনব্যাপী এ সেমিনারে বিভিন্ন গণমাধ্যমের ২০ জন সাংবাদিক অংশ নেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS