1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন
Title :
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দরপতনের শীর্ষে এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দরবৃদ্ধির শীর্ষে গ্রীন ডেল্টা মিউচুয়াল ফান্ড সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে লেনদেনের শীর্ষে মালেক স্পিনিং মিলস বিক্রয় ও মুনাফায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিতে কর্মকর্তাদের পুরস্কৃত করলো ওয়ালটন সাভারে ট্যানারি শিল্প এখন মরণফাঁদ : সবুজ আন্দোলন টেকনো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ বাংলাদেশ ২০২৬ এর ড্রয়ে শ্রীলঙ্কা ও ভুটানের সঙ্গে একই গ্রুপে বাংলাদেশ বাংলাদেশে গাড়িচালকদের জন্য উবারের হাইব্রিড সাবস্ক্রিপশন চালু মাধবপুরে কাফনের কাপড় পাঠিয়ে বিএনপি নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান মীর খোশেরদ আলমসহ ১৩জনকে হত্যার হুমকি হবিগঞ্জে এনসিপি নেতার মামলায় জেলা ছাত্রদল সভাপতিসহ ১১ নেতাকর্মীর জামিন বাংলাদেশসহ ৫০ দেশের জন্য স্থায়ী হলো যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড কর্মসূচি

আলমগীর: নির্বাচন সুষ্ঠু হবে, গ্যারান্টি দিচ্ছি

  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৩, ৭.৫৫ পিএম
  • ১৭৮ Time View

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আলমগীর বলেছেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের ক্ষেত্রে তিনি কোনো আপস করবেন না। প্রয়োজনে নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব থেকে সরে যাবেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ মার্চ) দুপুরে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন তিনি।

মো. আলমগীর বলেন, ‘নির্বাচন অবশ্যই সুষ্ঠু হবে, আমরা গ্যারান্টি দিচ্ছি। আমরা যতক্ষণ আছি এই চেয়ারে, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য কাজ করে যাব। আমরা সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারব না, এটা বিশ্বাস করি না। আপনারা যদি হাইপোথিটিক্যালি বলেন যে এটা সম্ভব নয়, তখন আমরা সে দায়িত্ব পালন করব না।’

যদি সুষ্ঠু নির্বাচন না হয়, আপস করতে হলে কী করবেন জানতে চাইলে ইসি আলমগীর বলেন, ‘আমাদের আপস করতে হলে এ চেয়ারে দেখবেন না। আমরা যে কাজের জন্য শপথ করেছি সেটা যদি না-ই করতে পারি তাহলে এই চেয়ারে থাকব কেন? কমিশনে যারা আছি সবার মনোভাব একইরকম। আমরা সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারব না, এটা বিশ্বাস করি না। প্রয়োজনে দায়িত্ব থেকে সরে যাব।’

দলীয় সরকারের অধীনে ভোট সুষ্ঠু হবে না, এ ধারণা ভাঙার দায়িত্ব কার- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটা ভাঙার দায়িত্ব রাজনীতিবিদদের। এখানে নির্বাচন কমিশনের কিছু করার নেই। এটা রাজনৈতিক সমস্যা। রাজনৈতিক সমস্যা রাজনৈতিকভাবেই সমাধান করতে হবে। এ বিষয়টিতে আমাদের কিছু করার নেই। সংবিধানও সেই দায়িত্ব আমাদের দেয়নি।’

দলীয় সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ ভোট করা সম্ভব কি-না, এমন প্রশ্নের জবাবে এ কমিশনার বলেন, ‘কমিশন চাইলে সেটা সম্ভব। পৃথিবীর সব দেশেই প্রায় দলীয় সরকারের অধীনেই নির্বাচন হয়। এটা নির্ভর করে নির্বাচন কমিশন কতটা সঠিকভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করে। আমরা যদি আমাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করি এবং সেটা আমাদের ইচ্ছা আছে, অবশ্যই একটা সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব। অতীতে কেন পারেনি সেটা অতীতের কমিশন বলতে পারবে। আগের কমিশন আর বর্তমান কমিশনের লোক ভিন্ন। তাদের আচরণের সঙ্গে এদের আচরণ মিলবে না।’

সংকট দূর করার জন্য সংলাপের দায়িত্ব কে নেবে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সংবিধান কি সেই দায়িত্ব আমাদের দিয়েছে? আমাদের বিভিন্ন অংশীজন, সুশীল সমাজের মতামত নেয়ার ক্ষমতা দেয়া আছে। এখন আর হচ্ছে না। হয়ত পরবর্তীতে হতে পারে। সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে হতে পারে। আবার কোনো কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গেও হতে পারে।’

প্রশাসন নিয়ন্ত্রণে রাখা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে ইসি আলমগীর বলেন, ‘গাইবান্ধা উপ-নির্বাচন তারা বড় উদাহরণ। প্রশাসনে যারা কাজ করেছিলেন, যাদের গাফিলতি পাওয়া গেছে বা যারা অন্যায় কাজের সঙ্গে জড়িত ছিলেন তাদের সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আমরা চিঠি দিয়েছি এবং সেটা মনিটরিং করছি। কতজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে আমরা দুই-এক সপ্তাহ পরপরই মনিটরিং করছি। প্রার্থীর সংশ্লিষ্টতা তো আমরা বলতে পারি না। যারা জড়িত ছিল তারা প্রার্থীর কথা বলেনি। তারা কেন বলল না সেটাই রহস্য। তাদের বারবার প্রশ্ন করা হয়েছে, তদন্ত কর্মকর্তারা বারবার প্রশ্ন করেছেন এমন কাজ করলেন কেন, তারা বলেছেন আমরা স্বেচ্ছায় করেছি। এখন তারা যদি বলেন স্বেচ্ছায় করেছি। তাহলে তো আমাদের কিছু করার থাকে না। তারা যদি কারো নাম বলত আমরা ব্যবস্থা নিতে পারতাম।’

আরেক প্রশ্নের জবাবে মো. আলমগীর বলেন, নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হচ্ছে ভোট সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে থেকেই লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকা। নির্বাচনে যারা অংশ নেবেন, তারা স্বাধীনভাবে যাতে প্রচার করতে পারেন, ভোটাররা যাতে ভোটকেন্দ্রে এসে তাদের ইচ্ছেমতো পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন, ভোট গণনা যাতে সুষ্ঠুভাবে হয়, নির্বাচনের ফলাফলে যেন সঠিকভাবে প্রতিফলিত হয় ভোটারদের ইচ্ছা—সেটা ইসির দায়িত্ব। সে দায়িত্বপালনে তাদের শতভাগ অঙ্গীকার রয়েছে। তারা সেটা করবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com