1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫০ পূর্বাহ্ন
Title :
আইএফআইসি ব্যাংক ও রানার মটরস এর মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর নড়াগাতীর দেবদুন গ্রামে পাঁচ মামলার আসামি আরাফাতকে কুপিয়ে হত্যা কালিয়ার মাউলীতে মা ইলিশ রক্ষায় সচেতনতামূলক সভা সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা সেবার সুযোগ বাড়াতে ইউনিলিভার বাংলাদেশ ও ফ্রেন্ডশিপের যৌথ উদ্যোগ বিএটি বাংলাদেশের করপোরেট ও রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স বিভাগের প্রধান হলেন মোমশাদ আলী খান সিলেটে এ বছর ৬৩৬ স্থানে দুর্গাপূজা হচ্ছে রাজস্ব ঘাটতিতে অক্টোবর-ডিসেম্বরে ৩০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেবে সরকার ১১ খাতে অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করল এনবিআর ৭ নভেম্বর সরকারি ছুটি, ২২ অক্টোবরের পরিবর্তে ১৭ অক্টোবর খোলা থাকবে সকল সরকারি প্রতিষ্ঠান সরাসরি স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্তির বিধিনিষেধ তুলে নিল সরকার

রোজার আগেই খেজুরের দাম দ্বিগুণ

  • আপডেট : বুধবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩, ১১.০১ এএম
  • ২৩১ Time View

রোজার ইফতারে সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত পুষ্টিগুণে ভরপুর খাদ্য খেজুর। প্রতিটি রোজাদারের ইফতারে আর কিছু না থাকুক, খেজুর চাই-ই-চাই। তবে, এবার রমজানে খেজুর কিনতে ভোক্তাদের খরচ করতে হবে বাড়তি টাকা। এরই মধ্যে পাইকারি ও খুচরা বাজারে খেজুরের দাম বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। তাই রোজায় খেজুরের বাজার আরও অস্থিতিশীল হয়ে ওঠার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। 

ব্যবসায়ীরা বলছেন, ইতোমধ্যে জাতভেদে খেজুরের দাম বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। দেড় হাজার টাকার আজওয়া খেজুরের দাম উঠেছে সাড়ে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত। আমদানিকারকদের দাবি, এবার খেজুর আমদানি করতে এলসিই খোলা যাচ্ছে না।

খেজুর বিক্রেতারা বলেন, গত বছর মমতাজ-মরিয়ম জাতের খেজুরের পাঁচ কেজির কার্টন ১৫০০ থেকে ২২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এ বছর বাজারে তা ৩৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত বছর ফরিদা জাতের খেজুরের পাঁচ কেজির কার্টন ছিল ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা। এ বছর ইতোমধ্যে বেড়ে সর্বনিম্ন হয়েছে ১৫০০ টাকা। ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান বলছে, চাহিদার তুলনায় খেজুরের আমদানি কমেছে প্রায় অর্ধেক হারে। রোজায় খেজুরের চাহিদা থাকে ৫০ হাজার টনের মতো। গত তিন মাসে খেজুর আমদানি হয়েছে প্রায় ২২ হাজার টন। যা গেল বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৬ শতাংশ কম। অবশ্য জানুয়ারিতে ২৯ হাজার টন খেজুর আমদানির এলসি খোলা হয়েছে। যা রোজার আগে এসে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। এদিকে, আমদানিকারকরা বলছেন, এলসি খোলা গেলেও, অনেক ব্যবসায়ী পণ্য খালাস করতে পারছেন ডলার ছাড় না দেওয়ার কারণে। পাশাপাশি ছোট ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, খেজুর আমদানিতে ঋণপত্র খোলাই তাদের বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাড়িয়েছে।

আমদানিকারক মো. নাসের আহমেদ বলেন, আগে আমরা এলসি খুললে ব্যাংকে বাকি করতাম। এখন বাকির কোনো সিস্টেম নাই। আগে টাকা দেও, পরে সিরিয়ালে থাকো। ১০ কনটেইনার চাহিদা থাকলে দেয় দুই কনটেইনার। আরেক আমদানিকারক মোহাম্মদ সেলিম বলেন, কোনো ব্যাংক যদি এলসি না দেয়, তাহলে খেজুর-ফল সব জিনিসেরই বাজারে সংকট থাকবে। এতে দাম এমনিতেই বেড়ে যাবে।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, সংকটে কম দামে খেজুর সরবরাহ করতে কমাতে হবে আমদানি শুল্ক। ক্যাবের বাজার বিশ্লেষক কাজী আবদুল হান্নান বলেন, ১০০ টাকায় যে খেজুরটি কিনে আনা হবে, সেটির ওপর শুল্ক ১০৩ টাকা। অর্থাৎ ক্রয়মূল্য ও শুল্ক মিলিয়ে পড়ে ২০৩ টাকা। এর ওপরে আমদানি করে আনতে খরচ ও মুনাফা। এই শুল্ক যদি কমিয়ে দেন, তাহলে হয়তো দাম কিছুটা কমানো সম্ভব।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com