বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, বিসিআইয়ের সদস্য হলো বাংলাদেশ ব্যাংক সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দরপতনের শীর্ষে ঢাকা ডাইং অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দর বৃদ্ধির শীর্ষে বঙ্গজ লিমিটেড সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে লেনদেনের শীর্ষে খান ব্রাদার্স এই পহেলা বৈশাখে প্রথম ফোন ব্র্যান্ড হিসেবে ৯০ দিনের রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টি নিয়ে এলো অপো বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে কালিয়াতে প্রস্তুতিমুলক সভা বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতির ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা শাখার নতুন কমিটি অনুমোদন কুমিল্লায় ডিবি পুলিশ সেজে মাদক ব্যবসা: র‌্যাবের হাতে এক যুবক আটক বাংলাদেশের স্পেশাল ইকোনমিক জোনে লায়ন কল্লোল লিমিটেডের নতুন ম্যানুফ্যাকচারিং প্লান্ট স্থাপন ঘিওরে ভূমি অফিসে জমির নামজারি করতে গিয়ে ঘুয ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ

পাকিস্তানকে ১২ মাসে ঋণ শোধ করতে হবে ২২ বিলিয়ন ডলার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
  • ১৬৪ Time View

ডলার সংকটে জর্জরিত পাকিস্তান। বর্তমানে পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩.১ বিলিয়ন ডলার, যা দিয়ে তিন সপ্তাহের আমদানি ব্যয়ও মেটানো যাবে না। তবে আগামী ১২ মাসের মধ্যে পাকিস্তানকে বৈদেশিক ঋণ ও সুদ বাবদ প্রায় ২২ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করতে হবে। তা না হলে দেশটি খেলাপি হয়ে পড়বে।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) কর্মসূচি ফের শুরু হওয়ার পর আশা করা হচ্ছে ডলার সংকটে জর্জরিত পাকিস্তান সরকার ঋণদাতাদের সঙ্গে আলোচনা শুরু ও বৈদেশিক ঋণ পুনর্গঠন করতে পারবে।

পাকিস্তান আগামী কয়েক বছরে যে পরিমাণ অর্থ পাবে, দেশটির বর্তমান দেনার পরিমাণ তার চেয়ে অনেক বেশি।

স্টেট ব্যাংক অভ পাকিস্তানের (এসবিপি) তথ্য বলছে, এক বছরে পাকিস্তানকে মোট ২১.৯৫ বিলিয়ন ডলার ঋণ শোধ করতে হবে। এর মধ্যে ১৯.৩৪ বিলিয়ন ডলার হচ্ছে মূল ঋণ এবং ২.৬০ বিলিয়ন ডলার হচ্ছে ওই ঋণের সুদ।

তবে পাক-কুয়েত ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানির (পিকেআইসি) তথ্য বলছে, আগামী ১২ মাসের জন্য পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক কোনো বৈদেশিক ঋণ পাওয়ার প্রক্ষেপণ করেনি।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, পাকিস্তানকে এক মাসের মধ্যে ৩.৯৫ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করতে হবে। পরের তিন মাসের মধ্যে ৪.৬৩ বিলিয়ন ডলার ও শেষ আট মাসের মধ্যে ১৩.৩৭ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করতে হবে দেশটিকে।

পিকেআইসির গবেষণা প্রধান সামিউল্লাহ তারিক দি এক্সপ্রেস ট্রিবিউনকে বলেন, ‘পাকিস্তান নজিরবিহীন অর্থনৈতিক সংকট পার করছে। বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট থেকে উত্তরণ ও নিশ্চিত ভবিষ্যতের জন্য দেশের সুচিন্তিত পরিকল্পনা প্রয়োজন। ‘

তারিক বলেন, ‘রোশান ডিজিটাল অ্যাকাউন্টের (আরডিএ) প্রবাহ বাড়ানোর জন্য দেশের উচিত প্রবাসী পাকিস্তানিদের আস্থা বাড়ানো এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে আকর্ষণীয় করা।’

তারিক পরামর্শ দেন, সরকারের উচিত বিদ্যমান ঋণ পুনর্গঠন করা, ২০২৩-এর জুনে আইএমএফের বর্তমান কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর নতুন কর্মসূচি নেওয়া, আমদানি কমানো এবং আনুষ্ঠানিক চ্যানেলের মাধ্যমে রপ্তানি আয় ও শ্রমিক রেমিট্যান্সের প্রবাহ বাড়ানো।

পাকিস্তানকে আগামী সাড়ে তিন বছরে (২০২৩-এর ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৬-এর জুন পর্যন্ত) ৮০ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করতে হবে।

কিন্তু দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ক্রমেই কমছে। বর্তমানে পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩.১ বিলিয়ন ডলার, যা দিয়ে তিন সপ্তাহের আমদানি ব্যয়ও মেটানো যাবে না।

সূত্রঃ দি এক্সপ্রেস ট্রিবিউন

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS