রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
বৃহত্তর লাকসাম ফাউন্ডেশন ইউএসএ ইনক-এর সভাপতি হলেন নূরে আলম ভোলাহাটের ‘সোর্স’ ইয়াকুব—প্রতারণার আড়ালে দেশবিরোধী গোয়েন্দা তৎপরতার অভিযোগ! আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চট্টগ্রাম রেলওয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মচারী লুৎফা বেগম, সে অফিস যাতায়াত করেন ল্যান্ডক্রুজারে জামায়াতে ইসলামী ১১ দলীয় কেন্দ্রীয় নেতাদের আগমনে জনসমুদ্রে পরিনত কেরানীগঞ্জ জোট-ভোটে ডিজিটাল প্রচারণায় ব্যস্ত রাজনীতির মাঠ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এর শোকবার্তা এই নির্বাচন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের চূড়ান্ত অগ্নিপরীক্ষা — ইলিয়াস হোসেন মাঝি জলঢাকায় গ্রিনল্যান্ড পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের এক ভিন্ন বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সিলেট বিভাগের উদ্দ্যোগে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে নানান আয়োজনে বনভোজন অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহ ১০ গফরগাঁও আসনে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী গণমিছিল অনুষ্ঠিত

আজ শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের ১০৮তম জন্মবার্ষিকী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ১৯২ Time View

ক্যানভাসে রংতুলির ছোঁয়ায় শিল্পের সুষমায় অনবদ্য সৃজনশীলতার পরিচয় দিয়েছেন জয়নুল আবেদিন। চিত্রমালা, মই দেওয়া, সংগ্রাম, সাঁওতাল রমণী, ঝড়, কাক, বিদ্রোহী ইত্যাদি শিল্পকর্ম এখনো শিল্পানুরাগীদের পরানের গহীনে দাগ কাটে। পূর্ববঙ্গে তথা বাংলাদেশে চিত্রশিল্প বিষয়ক শিক্ষার প্রসারে আমৃত্যু প্রচেষ্টার জন্য তিনি শিল্পাচার্য অভিধা লাভ করেন। আজ ২৯ ডিসেম্বর কিংবদন্তি এই শিল্পীর ১০৮তম জন্মবার্ষিকী।

১৯১৪ সালের এই দিনে তৎকালীন ময়মনসিংহ জেলা বর্তমান কিশোরগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন। তিনি  ছিলেন বিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত বাঙালি চিত্রশিল্পী। বাবা তমিজউদ্দিন আহমেদ ছিলেন পুলিশের দারোগা, মা জয়নাবুন্নেছা ছিলেন গৃহিণী। ৯ ভাইবোনের মধ্যে জয়নুল আবেদিন ছিলেন সবার বড়।

তার মা জয়নুল আবেদিনের আগ্রহ দেখে নিজের গলার হার বিক্রি করে ছেলেকে কলকাতার তখনকার আর্ট স্কুলে ভর্তি হতে সাহায্য করেন।

১৯৪৭ সালে ভারতবিভাগের পর পূর্ব পাকিস্তানে একটি চিত্রকলা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন অনুভূত হয়। জয়নুল আবেদিনের উদ্যোগে ১৯৪৮ সালে পুরান ঢাকার জনসন রোডের ন্যাশনাল মেডিকেল স্কুলের একটি জীর্ণ কক্ষে গভর্নমেন্ট আর্ট ইন্সটিটিউট স্থাপিত হয়। শুরুতে এর ছাত্র সংখ্যা ছিল মাত্র ১৮ জন। জয়নুল আবেদিন ছিলেন এ প্রতিষ্ঠানের প্রথম শিক্ষক।

১৯৫১ সালে এই আর্ট ইন্সটিটিউট সেগুনবাগিচার একটি বাড়িতে স্থানান্তরিত হয়। ১৯৫৬ সালে আর্ট ইন্সটিটিউটটি শাহবাগে স্থানান্তরিত হয়। ১৯৬৩ সালে এটি একটি প্রথম শ্রেণির সরকারি কলেজ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে এবং এর নাম হয় পূর্ব পাকিস্তান চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয়।

১৯৭১-এ বাংলাদেশের অভ্যূদয়ের পর একই প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘বাংলাদেশ চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয়’।

জয়নুল আবেদিন ১৯৪৮ সাল থেকে ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

জয়নুল আবেদিনের চিত্রকর্মের সংখ্যা প্রায় ৩ হাজার। বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে সংগৃহীত তার শিল্পকর্মের সংখ্যা ৮০৭টি। তিনি দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কারেও ভূষিত হয়েছেন। ১৯৭৬ সালের ২৮ মে মৃত্যুবরণ করেন তিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের পাশে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS