মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৪৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দরপতনের শীর্ষে হামিদ ফেব্রিক্স সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দর বৃদ্ধির শীর্ষে নাহি অ্যালুমিনিয়াম সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে লেনদেনের শীর্ষে সামিট এলায়েন্স কালিয়ায় এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষে কক্ষ পরিদর্শকদের কর্মশালা অনুষ্ঠিত ভোক্তা অধিকার আইন লঙ্ঘন করে বাস ও লঞ্চে একচেটিয়া ভাড়া বৃদ্ধির পায়তাঁরা বন্ধ করুন- যাত্রী কল্যাণ সমিতি ওয়ালটন ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্কের ইয়ারলি অ্যাওয়ার্ড প্রোগ্রাম-২০২৫ অনুষ্ঠিত রিকভারি কার্যক্রম জোরদার করতে রাজধানী ঢাকায় প্রিমিয়ার ব্যাংকের টাউন হল মিটিং অনুষ্ঠিত বীরগঞ্জে শুরু হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন, লক্ষ্য ৩২ হাজারের বেশি শিশু এক প্ল্যাটফর্মেই চ্যাটজিপিটি, ডিপসিক ও জেমিনি নিয়ে এলো রাইজ   ছাতকে পুলিশের বিশেষ অভিযানে নিয়মিত মামলা সহ ৫ জন গ্রেফতার

রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি সাড়ে ৬ হাজার কোটি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২২ নভেম্বর, ২০২২
  • ২৫৭ Time View

বৈশ্বিক অর্থনীতির নেতিবাচক প্রভাব বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও পড়েছে। দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য গতিশীল থাকলে রাজস্ব আদায়েও গতি বেশি হয়। তাছাড়া নানা সংকট থাকা সত্ত্বেও এনবিআরের রাজস্ব আহরণের পরিমাণ সন্তোষজনক। দাবি এনবিআর।

চলতি ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে রাজস্ব আহরণে ঘাটতি ৪ হাজার কোটি টাকা থেকে চার মাসের (জুলাই-অক্টোবর) মাথায় তা সাড়ে ৬ কোটি টাকা দাঁড়িয়েছে। পিছিয়ে আছে প্রবৃদ্ধির বিবেচনায়ও। তিন মাস শেষে আদায়ের প্রবৃদ্ধি ১৫.৬৫ শতাংশ হলেও অক্টোবর পর্যন্ত তা কমে ১৪.১৭ শতাংশ হয়েছে। এনবিআর থেকে পাওয়া সাময়িক হিসাব সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এনবিআরের পরিসংখ্যান বিভাগ সূত্রে পাওয়া সাময়িক হিসাব বলছে, চলতি অর্থবছরের চার মাস (জুলাই-অক্টোবর) শেষে রাজস্ব আদায় করতে সক্ষম হয়েছে ৯০ হাজার ৯০১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। যেখানে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৯৭ হাজার ৩০৬ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। অর্থাৎ ঘাটতি ৬ হাজার ৪০৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। গত অর্থবছরের তুলনায় প্রবৃদ্ধি ১৪.১৭ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরে (জুলাই-জুন) এনবিআরের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ হয় ৩ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ২০২২-২৩ অর্থবছরে আমদানি ও রপ্তানি পর্যায়ে রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ১১ হাজার কোটি, মূসক আদায়ে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৯০০ কোটি টাকা এবং আয়কর খাতে ১ লাখ ২২ হাজার ১০০ কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়।
২০২১-২০২২ অর্থবছরে একই সময়ে রাজস্ব আদায় হয়েছিল ৭৯ হাজার ৬২২ কোটি ৬০ লাখ টাকা। আর শুধুমাত্র অক্টোবর মাস হিসাবে রাজস্ব এসেছে ২৩ হাজার ৭৭৭ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। প্রবৃদ্ধি ১০.০৯ শতাংশ হলেও পিছিয়ে আছে ২ হাজার ৩৪৯ কোটি ৯২ লাখ টাকা।

এ বিষয়ে এনবিআরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা (সদস্য) গণমাধ্যমকে বলেন, করোনা মহামারি পরবর্তী চলমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের বাইরে নয় আমাদের দেশের অর্থনীতি। দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য গতিশীল থাকলে রাজস্ব আদায়েও গতি বেশি হয়। তারপরও বলব এনবিআরের রাজস্ব আদায়ের সাফল্য সন্তোষজনক। আমরা লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৯৪ শতাংশ আহরণ করতে সক্ষম হয়েছি। তাছাড়া যে হিসাবের কথা বলছেন সেটা সাময়িক।

তিনি বলেন, চূড়ান্ত হিসাবে আরও কিছু রাজস্ব যোগ হবে। আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। তাছাড়া কর সেবা মাস চলছে। এবারে অনেক বেশি রিটার্ন জমা হবে। যার মাধ্যমে রাজস্ব খাতে ইতিবাচক পড়বে বলে মনে করি।

এনবিআর সূত্রে পাওয়া পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে আরও জানা যায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট সবচেয়ে বেশি আদায় হয়েছে। এ খাতে ১৬.২৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধিতে আদায় ৩৪ হাজার ১৮৪ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। ঘাটতি ৪০ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। এই খাতে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৪ হাজার ২২৫ কোটি টাকা।

এরপরই আমদানি ও রপ্তানি পর্যায়ে সাময়িক হিসাবে শুল্ক-কর আদায় হয়। এই খাতে আদায় ২৯ হাজার ৯৩৬ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। প্রবৃদ্ধি ১৩.৬০ শতাংশ। ঘাটতি ৪ হাজার ৮০২ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৪ হাজার ৭৩৯ কোটি ৮৫ লাখ টাকা।

অন্যদিকে অক্টোবর পর্যন্ত আয়কর খাতে রাজস্ব আহরণ হয়েছে ২৬ হাজার ৭৮০ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। প্রবৃদ্ধি ১২.১৭ শতাংশ হলেও লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে পিছিয়ে আছে ১ হাজার ৫৬১ কোটি ৪১ লাখ টাকা।

এর আগে চলতি অর্থবছরের (২০২২-২৩) প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে রাজস্ব আদায়ে চার হাজার ৭৪ দশমিক ৩৯ কোটি টাকা পিছিয়ে ছিল এনবিআর। সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আয়কর, ভ্যাট ও শুল্ক সেক্টরে রাজস্ব আহরণ হয়েছে ৬৭ হাজার ১০৪ দশমিক ৪৫ কোটি টাকা। বিপরীতে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭১ হাজার ১৭৮ দশমিক ৮৪ কোটি টাকা।

চলতি অর্থবছরের চার মাস (জুলাই-অক্টোবর) শেষে রাজস্ব আদায় করতে সক্ষম হয়েছে ৯০ হাজার ৯০১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। যেখানে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৯৭ হাজার ৩০৬ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। অর্থাৎ ঘাটতি ৬ হাজার ৪০৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। গত অর্থবছরের তুলনায় প্রবৃদ্ধি ১৪.১৭ শতাংশ।

এর আগে অভ্যন্তরীণ খাত থেকে শুল্ক-কর আদায়ের পরিমাণ বাড়াতে সাত দফা পরিকল্পনা নেয় প্রতিষ্ঠানটি। তবে রাজস্ব আদায়ে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের বড় ধরনের পরিবর্তন ইতিবাচক প্রভাব এখনো দেখা যায়নি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

২০২১-২০২২ অর্থবছরে ১৬.০৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হলেও বছর শেষে ঘাটতি দাঁড়িয়েছিল ২৮ হাজার কোটি টাকা। লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।

আর চলতি অর্থবছরে (জুলাই-জুন) এনবিআরের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ হয় ৩ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ২০২২-২৩ অর্থবছরে আমদানি ও রপ্তানি পর্যায়ে রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ১১ হাজার কোটি, মূসক আদায়ে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৯০০ কোটি টাকা এবং আয়কর খাতে ১ লাখ ২২ হাজার ১০০ কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS