1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩৬ অপরাহ্ন
Title :
মোহাম্মদ শাহিন উদ্দিন রোটারী ক্লাব অব সোনারগাঁও ঢাকার সভাপতি নির্বাচিত ডিসেম্বরে দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ডিসকাউন্ট ফেস্ট অনুষ্ঠিত হবে ঢাকায় বড় ব্যাটারি ও ইমারসিভ ডিসপ্লে নিয়ে আসছে ভিভো ওয়াই৫০০ ইসলামী ব্যাংকের ‘গ্রাহক সেবা মাস’ শুরু ন্যাশনাল ব্যাংকের স্বতন্ত্র পরিচালক হলেন মোঃ আখতার হোসেন অনলাইন জুয়া, এক সর্বনাশা মায়াজাল; মু. জোবায়েদ মল্লিক বুলবুল ইউসিবির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) হিসেবে পদোন্নতি পেলেন মোহাম্মদ শফিকুর রহমান ও মো. রীদওয়ানুল হক মাধবপুরে ফ্লাইওভার নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন দি প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসির ২৭তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত বুয়েট ও চুয়েটে হুয়াওয়ের ক্যাম্পাস রিক্রুটমেন্ট কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যায় ৪ যুবকের মৃত্যুদণ্ড

  • আপডেট : রবিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২২, ৫.৫৭ পিএম
  • ৩০৮ Time View

বগুড়ায় ধর্ষণের পর দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী মাহি উম্মে তাবাসসুমকে (৮) হত্যার দায়ে চার যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। এ সময় দণ্ডপ্রাপ্ত সবাইকে এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

রোববার দুপুরের দিকে জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল- ২ এর বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর এ রায় দেন। ফাঁসির দণ্ড প্রাপ্তরা হলেন- বগুড়ার ধুনট উপজেলার নশরতপুর গ্রামের মোজাম্মেলের ছেলে বাপ্পি আহম্মেদ (২৪), একই এলাকার দলিল উদ্দিন তালুকদারের ছেলে কামাল পাশা (৩৭), ছানোয়ার হোসেনের ছেলে শামিম রেজা (২৪) ও মৃত সাহেব আলীর ছেলে লাভলু শেখ (২৩)। তারা একে অপরের বন্ধু। বাপ্পি স্থানীয় জিএমসি ডিগ্রি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিল। কামাল পাশা মুদি দোকানদার, শামীম রেজা রাজমিস্ত্রি ও লাবলু রংমিস্ত্রি।

রায় ঘোষনার সময় তারা সবাই আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

বিষয়গুলো নিশ্চিত করেছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আশিকুর রহমান সুজন।

আদালত ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ১৪ ডিসেম্বর ধুনটের নশরতপুর গ্রামে সন্ধ্যার দিকে তাবাসসুমকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের পর হত্যা করে বাঁশঝাড়ে ফেলে রাখা হয়। পরে খোঁজাখুজিঁর পর ওই রাতেই তার মরদেহ উদ্ধার করে স্বজনরা। এ ঘটনায় ওই বছরের ২৫ ডিসেম্বর পুলিশ দণ্ডপ্রাপ্ত চার যুবককে গ্রেপ্তার করে। তাবাসসুমের বাবা-মা ঢাকায় পোশাক কারখানায় কাজ করেন। সে তার বোন ও দাদির সঙ্গে গ্রামে বসবাস করত। ঘটনার দিনে গ্রামের ওয়াজ মাহফিল চলছিল। সন্ধ্যার দিকে সেখানে মিষ্টি কিনতে যায় তাবাসসুম। দণ্ডপ্রাপ্ত বাপ্পীদের সাথে শিশুটির পরিবারে আগে থেকেই পারিবারিক বিরোধ ছিল। এ সুযোগে বাপ্পী প্রতিশোধ নেওয়ার পরিকল্পনা করে। তিনি তাবাসুমকে বাদাম কিনে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে মাহফিলের পাশের একটি কলেজের কক্ষে নিয়ে যায়। সেখানে তার তিন বন্ধুকে নিয়ে শিশুটিকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। এ সময় তাবাসুমের অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে তার মৃত্যু নিশ্চিতের জন্য গলাটিপে হত্যা করে বাপ্পী।

এ ঘটনায় পরের দিন তাবাসসুমের বাবা বেলাল হোসেন খোকন অজ্ঞাত আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার তদন্তে ২০২০ সালের ২৫ ডিসেম্বর চার আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে ২৬ ডিসেম্বর বাপ্পী, শামিম ও লাভলু আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। আর কামাল পাশা জবানবন্দি দেন ২৯ তারিখে।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী স্পেশাল পিপি আশেকুর রহমান সুজন জানান, এ মামলায় ডিএনএ টেস্ট করা হয়। এতে তাবাসসুমের মরদেহে আসামিদের বীর্যের উপিস্থিতিও পাওয়া যায়। ধর্ষণ ছাড়াও ময়নাতদন্তে ওই শিশুকে শ্বাসরোধ করে হত্যারও প্রমাণ পাওয়া গেছে। পরবর্তীতে পুলিশ ২০২১ সালের ২৫ নভেম্বরে আদালতে মামলার পূর্নাঙ্গ চার্জশিট জমা দেয়। মামলায় সব সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে রোববার রায় ঘোষণা করেন বিচারক। রায়ে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেক আসামিকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com