1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০২:৩৬ পূর্বাহ্ন
Title :
Financial Statements (Q2) of BANGLADESH NATIONAL INSURANCE COMPANY LIMITED Financial Statements (Q2) of National Bank PLC পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে ইউনাইটেড ফাইন্যান্স নবীনগরে ১৫০ প্রধান শিক্ষক পদ শূন্য, সংকটে শিক্ষা ব্যবস্থা হবিগঞ্জে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার; মৃত্যু নিয়ে রহস্য, পলাতক স্বামী ও স্বজনরা এবি ব্যাংকে নবনিযুক্ত ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসারদের অভিষেক অনুষ্ঠিত ৭,৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের শক্তিশালী ব্যাটারি ও ২.৩২ দিন পর্যন্ত ব্যাটারি লাইফ নিয়ে আসছে রেডমি ১৭ মুখ থুবরে পড়েছে যমুনা সেতু-ঢাকা মহাসড়কের বিকল্প পথ; ছয় বছরে তিন পিলারে আটকে আছে সেতু নির্মাণ টানা ৬ বছরের পারফরম্যান্স নিশ্চয়তা মিলবে এই স্মার্টফোনে পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স

দক্ষিণাঞ্চলে খাদ্য উৎপাদনে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব

  • আপডেট : রবিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২২, ২.৫৬ পিএম
  • ৪৬৯ Time View

বরিশাল প্রতিনিধি: দক্ষিণাঞ্চলে বর্ষা পেরিয়ে শরতের শেষ প্রান্তে এসে সেপ্টেম্বর মাসে বছরের সর্বোচ্চ এবং স্বাভাবিকের চেয়ে ৬.৬% বেশী বৃষ্টি হয়েছে। চলতি বছরের শুরু থেকে আগষ্ট মাস পর্যন্ত দক্ষিণাঞ্চল স্বাভাবিক বৃষ্টির মুখ দেখেনি। ভরা বর্ষার শ্রাবন ও শরতের ভাদ্রের ভরা পূর্ণিমার ভরা কাটালে ভর করে কয়েকদিন অতি বর্ষণ হলেও মাসের গড় হিসেবে তা ছিল স্বাভাবিকের চেয়ে কম। কিন্তু গত মাসের ২২ দিনে এ অঞ্চলে স্বাভাবিক ৩১৬ মিলিমিটারের স্থলে ৩৩৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করে আবহাওয়া বিভাগ। এ সময়ে সারাদেশে গড় বৃষ্টিপাতের পরিমান ছিল স্বাভাবিকের চেয়ে ৩.৩৪% বেশী। তবে এ অতি বর্ষণ স্বাভাবিক জনজীবনে যেমনি বিরূপ প্রভাব ফেলেছে, তেমনি কৃষি নির্ভর দক্ষিণাঞ্চলের ফসল আবাদ ও উৎপাদনেও যথেষ্ট বিরূপ প্রভাব ফেলতে যাচ্ছে। চলতি অক্টোবরে দক্ষিণাঞ্চলসহ সারাদেশেই সামগ্রিকভাবে স্বাভাবিক অপেক্ষা কিছু বৃষ্টিপাতের কথা বলছে আবহাওয়া বিভাগ। এমনকি চলতি মাসে বরিশাল অঞ্চলে ১৭ দিনের স্থলে ১৯ দিনে স্বাভাবিক ১৭৬ মিলিমিটারের পরিবর্তে ১৬০-২১০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ। তবে চলতি মাসের দ্বিতীয়ার্ধেই দক্ষিণাঞ্চলসহ সারাদেশ থেকে বর্ষা নিয়ে আসা মৌসুমী বায়ু বিদায় নেবে বলে আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে। গত মে মাসের শেষার্ধে বর্ষা মাথায় করে দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমী বায়ু দক্ষিণ উপকূলে পৌঁছে জুনের প্রথম দশ দিনেই দেশের বিভিন্নস্থানে ছড়িয়ে পড়লেও কাঙ্খিত বৃষ্টি হয়নি। গত এপ্রিলে বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলে স্বাভাবিক ১৩২ মিলিমিটারের স্থলে মাত্র ১৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। যা ছিলো স্বাভাবিকের চেয়ে ৮৫.৬% কম। মে মাসে আবহাওয়া বিভাগ বরিশালে স্বাভাবিক ২৬০ মিলিমিটারের স্থলে ২৪৫ থেকে ৩১০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিলেও বাস্তবে বৃষ্টি হয়েছিল স্বাভাবিকের চেয়ে ৫.৬% কম। অথচ ঐ মাসেই ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’তে ভর করে ৭ থেকে ১১ মে পর্যন্ত অতি বর্ষণে তরমুজসহ বিভিন্ন রবি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। জুনে স্বাভাবিক ৪৮৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের স্থলে আবহাওয়া বিভাগের পূর্বাভাস ছিল ৪৬০ থেকে ৫১০ মিলিমিটার। কিন্তু ওই মাসে প্রকৃত বৃষ্টিপাতের পরিমান ছিল স্বাভাবিকের ৪৪.৪৫% কম, ২৬৮.৫ মিলিমিটার। জুলাই মাসে স্বাভাবিকের প্রায় ৬৫% কম বৃষ্টিপাতের পরে আগষ্টে বরিশালে স্বাভাবিকের চেয়ে ১৬.৪% কম বৃষ্টি হয়েছে। ওই মাসে বরিশালে ৪৩৩ মিলিমিটারের স্থলে ৩৬২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। এমনকি এবার বৃষ্টির অভাবে খাদ্য উদ্বৃত্ত দক্ষিণাঞ্চলে খরিপ ১ মৌসুমে আউশের আবাদ ও উৎপাদনে বিপর্যয় নেমে এসেছে। বরিশাল কৃষি অঞ্চলের ১১ জেলায় এবার ২ লাখ ৪ হাজার ৬৭০ হেক্টরে আউশের আবাদ হলেও তা ছিল লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ২৪ হাজার হেক্টর পেছনে। সাম্প্রতিককালে সর্বনিম্ন আবাদের পাশাপাশি বৃষ্টির অভাব এবং অতি বর্ষণে দক্ষিণাঞ্চলে লক্ষ্যমাত্রার ৬.১৬ লাখ টন চাল পাওয়া যায়নি। বৃষ্টির অভাবে আবাদ লক্ষ্য অর্জিত না হবার পাশাপাশি শ্রাবন ও ভাদ্রের পূর্ণিমার অতিবৃষ্টির সাথে জোয়ারের প্লাবনেও বিপুল আধা-পাকা ও পাকা আউশ ধানের জমি প্লাবিত হয়। অপরদিকে বৃষ্টির অভাবের সাথে কয়েক দফার অস্বাভাবিক অতিবর্ষণে কৃষি নির্ভর দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান দানাদার খাদ্য ফসল আমন আবাদও বিপর্যয়ের কবলে। চলতি খরিপ-২ মৌসুমে দক্ষিণাঞ্চলে প্রায় ৭ লাখ হেক্টরে আবাদের মাধ্যমে সাড়ে ১৫ লাখ টন আমন চাল পাবার লক্ষ্য স্থির করেছিল কৃষি মন্ত্রনালয়। কিন্তু ভরা মৌসুমের শুরুতে বৃষ্টির অভাবে বীজতলা তৈরী যথেষ্ট ব্যাহত হয়। এরপরে শ্রাবন ও ভাদ্রের শেষে পূর্ণিমায় ভর করে লঘু চাপ থেকে নিম্নচাপের প্রভাবে অতি বর্ষণের সাথে ফুসে ওঠা সাগরের জোয়ারে দক্ষিণাঞ্চলের বিস্তীর্ণ আমন বীজতলা ও রোপা আমনের জমি প্লাবিত হয়। ফলে প্রধান দানাদার খাদ্য ফসল আমনের বীজতলা সহ রোপা আমনেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এমনকি আমন বীজতলা বিনষ্ট হওয়ায় বরগুনার প্রায় ২০ ভাগ জমি অনাবাদী রয়েছে এবার। বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, পিরোজপুর ও ঝালকাঠীতে বীজের অভাবে আমন রোপন যথেষ্ট ব্যাহত হলেও কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর-ডিএই’র মতে বরগুনা বাদে অন্য জেলাগুলোতে কৃষকরা বিভিন্নভাবে বীজ সংগ্রহ করে রোপন প্রায় শেষ করেছে। তবে রোপনের সময় শেষ হয়ে গেলেও বরগুনাতে প্রায় ৮০% সহ দক্ষিণাঞ্চলে এবার গড়ে ৯৬%-এর বেশী জমিতে আমন আবাদ সম্ভব হয়নি। ফলে আমন থেকে যে সাড়ে ১৫ লাখ টন চাল পাবার কথা, সে লক্ষ্যে পৌঁছানো নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে। এতে করে প্রায় সাড়ে ৮ লাখ টন উদ্বৃত্ত দক্ষিণাঞ্চলে এবার খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে সংশয় প্রকট হচ্ছে কৃষিবীদদের মধ্যে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com