মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৪৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
নির্বাচনী অপরাধে তাৎক্ষণিক বিচার: সারাদেশে ৬৫৫ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ ফ্যাসিবাদ রুখতে ১১ দলীয় জোটকে বিজয়ী করার আহ্বান নাগরিক মঞ্চের চাঁপাইনবাবগঞ্জে নির্বাচন বানচালের অপচেষ্টা প্রতিহতে যৌথ বাহিনীর মহড়া অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় স্বাধীনতা বিরোধীদের পরাজিত করে জনগণ ধানের শীষকে বিজয়ী করবে ইনশাল্লাহ-নির্বাচনী জনসভায় আব্দুর রউফ ৭০ এর নির্বাচনের যাদের বিরুদ্ধে লড়েছিলাম আজ আবার তারাই আমার প্রতিপক্ষ- বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী ‎ইসলামপুরে বিএনপির বিশাল নির্বাচনী জনসভা ও গণমিছিল জনগণের কাছে দায় স্বীকার: অতীতের ভুলের জন্য ক্ষমা চাইলেন তারেক রহমান আড়াই হাজারে ১২ দলীয় জোট সমর্থিত ধানের শীষ প্রতীকের বিশাল নির্বাচনী জনসভা বীরগঞ্জে ধানের শীষের নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত রপ্তানিমুখী সবজি খাত উন্নয়নে আইএফআইসি ব্যাংক ও সুইসকন্টাক্টের অংশীদারত্ব

অভিযানের নিজের ট্রলারেই আগুন দিতে বললেন ইউএনও

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২২
  • ২৮৪ Time View

বরিশাল প্রতিনিধিঃ ইলিশ রক্ষা অভিযানে গিয়েছিলেন বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত ফাতিমা। যে ট্রলার নিয়ে তিনি অভিযানে গিয়েছিলেন, তার নির্দেশে সেই ট্রলারই পোড়ানো হয়েছে। ট্রলারের মাঝি কথা না শোনায় ট্রলারে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।  বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাবুগঞ্জ সুগন্ধা নদীর লঞ্চঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাবুগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী ইমদাদুল হক ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুবুর রহমান। অগ্নিসংযোগের পর ট্রলারটি নদীতে ভাসতে ভাসতে বাহেরচর নামক স্থানে রয়েছে। ট্রলারটি পুরোপুরি পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন বাবুগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের ইনচার্জ আব্দুল মালেক। ইউএনও নুসরাত ফাতিমার ফোন নম্বর বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বাবুগঞ্জ থানার ওসি মাহাবুবুর রহমান বলেন, মাঝি আনোয়ার হোসেনের ট্রলারে অভিযানে যান তিনি (ইউএনও)। অভিযান শেষে ঘাটে ভেড়ার পরে তিনি জব্দ জাল পোড়ান। শেষে ট্রলারের মাঝি জব্দকৃত মাছ সরিয়ে রেখেছেন বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। ট্রলারে তল্লাশি চালিয়ে কোনো মাছ পান না। তিনি বলেন, তখন ইউএনও তাকে (মাঝিকে) কিছু কথা শোনান। এতে ভয় পেয়ে মাঝি পেছন থেকে পালিয়ে যান। মাঝি পালিয়ে যাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযানের আনসার সদস্যদের নির্দেশ দেন ডিজেল দিয়ে ট্রলারে আগুন ধরিয়ে দিতে। উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী ইমদাদুল হক বলেন, অভিযান শেষে ট্রলারের মাঝি জব্দ করা বড় কিছু ইলিশ সরিয়ে রাখেন—এটিই তার (ইউএনও) রাগের কারণ। তার নির্দেশনা ছিল অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও ট্রলার ভেড়ানো যাবে না। মাঝি তা করেছেন। এ কারণে ইউএনও আইনগতভাবেই আগুন ধরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন। কারণ অভিযানে তার কথার বাইরে কাজ হলে ম্যাজিস্ট্রেসি প্রশ্নবিদ্ধ হয়। উপজেলা ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের ইনচার্জ আব্দুল মালেক বলেন, খবর পেয়ে আমরা নৌকা নিয়ে ঘটনাস্থলে যাই এবং আগুন নেভাই। তবে তার আগেই ট্রলারটির প্রায় সব পুড়ে যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS