রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দরপতনের শীর্ষে পপুলার লাইফ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দর বৃদ্ধির শীর্ষে রানার অটোমোবাইলস সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে লেনদেনের শীর্ষে সিটি ব্যাংক বাস ভাড়া ১৫ পয়সা বৃদ্ধির প্রস্তাব যাত্রী কল্যাণ সমিতির   তেলের দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত আত্মঘাতি : মোমিন মেহেদী শ্রীপুর পৌরসভার মেয়র পদে প্রার্থী হতে চান পীরজাদা এস. এম. রুহুল আমীন বাস ও লঞ্চ ভাড়া পূনর্গঠনের দাবীতে যাত্রী কল্যাণ সমিতির স্বারকলিপি ঢাকার আশকোনা হজ ক্যাম্পে স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংকের হজ বুথ উদ্বোধন বাংলাদেশ রিটেইল অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এ ‘সেরা ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম (বি-টু-বি)’ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছে ইউনিলিভার বাংলাদেশ চন্দনাইশে লায়ন্স ক্লাব ও এসএএফের উদ্যোগে স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

এবার চিনির দাম বাড়ানোর প্রস্তাব

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : শুক্রবার, ১২ আগস্ট, ২০২২
  • ২০৪ Time View

এবার দেশের বাজারে চিনির দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে রিফাইনারি মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ সুগার রিফাইনার্স অ্যাসোসিয়েশন। একই সঙ্গে আমদানি শুল্ক মওকুফ এবং ব্যাংক রেটে ডলার চেয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি চিঠি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিবের কাছে দিয়েছেন অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব গোলাম রহমান।

বুধবার (১০ আগস্ট) চিঠিটি দেওয়া হয়। তবে কেজিতে কত টাকা বাড়াতে চাওয়া হয়েছে তা চিঠিতে উল্লেখ করা হয়নি।

এতে বলা হয়, চিনির রিফাইনারিগুলো বিলম্বে মূল্য পরিশোধের সুবিধা নিয়ে ঋণপত্র খোলার পর মূল্য পরিশোধের ক্ষেত্রে ডলারের বিপরীতে অতিরিক্ত টাকা পরিশোধ করতে হচ্ছে। ফলে বিপুল লোকসান হচ্ছে কোম্পানিগুলোর। অপরিশোধিত চিনি আমদানির জন্য যখন ঋণপত্র খোলা হয়, তখন ডলারের দাম ছিল ৮৩-৮৫ টাকা। কিন্তু এখন ওইসব এলসির মূল্য পরিশোধের সময় বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো আমাদের কাছ থেকে প্রতি ডলার ১১৫ টাকা হারে বিনিময়মূল্য আদায় করছে। এতে চিনি আমদানিতে ব্যয় হচ্ছে বাড়তি অর্থ।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, আগে টনপ্রতি চিনি আমদানিতে শুল্ক দিতে হতো ২২ হাজার থেকে ২৩ হাজার টাকা। ডলারের দাম বাড়ায় এখন শুল্ক দিতে হচ্ছে টনপ্রতি ২৮ হাজার থেকে ২৯ হাজার টাকা। এতে পরিশোধন শেষে প্রতিমণ চিনির মিলগেট দাম দাঁড়াচ্ছে ৩ হাজার ৭০৩ থেকে ৩ হাজার ৮৮৮ টাকা। কিন্তু চিনি বিক্রি করতে হচ্ছে ২ হাজার ৯০০ থেকে ২ হাজার ৯২০ টাকায়। এ পরিস্থিতিতে চিনির দাম বাড়াতে না পারলে লোকসান বেড়ে কারখানাগুলো দেউলিয়ায় পরিণত হবে।

বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের তথ্যমতে, দেশে বছরে প্রায় ১৮ লাখ টন পরিশোধিত চিনির প্রয়োজন হয়। এর প্রায় ৯৮ শতাংশ করা হয় আমদানি। এসব চিনির বেশির ভাগই আসে ব্রাজিল থেকে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS