1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩৩ অপরাহ্ন
Title :
স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক পিএলসি. এর শরী‘আহ্ সুপারভাইজরি কমিটির ৫৪তম সভা অনুষ্ঠিত দীর্ঘ সক্ষমতা নিয়ে আলোচনায় রিয়েলমি সি১০০আইয়ের টাইটান ব্যাটারি টাঙ্গাইলে হেরোইন পাঁচারের দায়ে একজনের যাবজ্জীবন Financial Statements (Q2) of BANGLADESH NATIONAL INSURANCE COMPANY LIMITED Financial Statements (Q2) of National Bank PLC পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে ইউনাইটেড ফাইন্যান্স নবীনগরে ১৫০ প্রধান শিক্ষক পদ শূন্য, সংকটে শিক্ষা ব্যবস্থা হবিগঞ্জে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার; মৃত্যু নিয়ে রহস্য, পলাতক স্বামী ও স্বজনরা এবি ব্যাংকে নবনিযুক্ত ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসারদের অভিষেক অনুষ্ঠিত ৭,৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের শক্তিশালী ব্যাটারি ও ২.৩২ দিন পর্যন্ত ব্যাটারি লাইফ নিয়ে আসছে রেডমি ১৭

মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা বাতিল ও মাকসুদ কমিশনের শাস্তি দাবি

  • আপডেট : রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ১১.১৫ এএম
  • ১৭৪ Time View

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সদ্য বিদায়ী খন্দকার রাশেদ মাকসুদের নেতৃত্বাধীন কমিশন মিউচুয়াল ফান্ড নিয়ে নতুন বিধিমালা জারির মাধ্যমে এই খাতকে ধ্বংসের পাঁয়তারা করেছে। তারা এই খাতের ৭ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ নিয়ে খামখেয়ালি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যাতে আগামী ১ বছরের মধ্যে শেয়ারবাজার ধংস হয়ে যেতে পারে। এ অবস্থায় অবশ্যই মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা নামের কালো আইন বাতিল করতে হবে এবং মাকসুদ কমিশনকে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে এরা যেন কোনভাবেই দেশ ছেড়ে পালাতে না পারে, সে ব্যবস্থা সরকারকে গ্রহণ করতে হবে।

শনিবার (৬ জুন) ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্টস ফোরামের অফিসে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ‘বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেট ইনভেস্টরস্ অ্যাসোসিয়েশন’ এর নেতারা এসব কথা বলেছেন। এতে সংগঠনটির সভাপতি এস.এম ইকবাল হোসেনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বিনিয়েগাকারী নেতারা বলেছেন, মাকসুদ কমিশন মিউচুয়াল ফান্ড, মার্জিন রুলস ও আইপিও নিয়ে কালো আইন প্রণয়নের মাধ্যমে শেয়ারবাজারকে ধ্বংসের পথে নিয়ে গেছে। যদিও বর্তমান সরকার তাকে গত বৃহস্পতিবার অপসারণ করেছে। এখন তারা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। তাদের এই চেষ্টাকে আটকে দিতে সরকারের প্রতি অনুরোধ করেছেন বিনিয়োগকারী নেতারা।

তারা বলেছেন, নতুন বিধিমালার আওতায় বিদ্যমান মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডগুলোকে অবসায়ন (লিকুইডেশন) প্রক্রিয়ার মধ্যে আনা হতে পারে। এই আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে শেয়ারবাজারে ব্যাপক ধস নামবে এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ ছাড়া এই খাতে জড়িত হাজার হাজার কর্মী বেকার হয়ে পড়বে।

নতুন বিধিমালায় অনেকটা জোর করেই অবসায়নের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানালেন বক্তারা। অথচ এই খাতের ৩ লাখ বিনিয়োগকারী কখনো সেটা চায়নি। এই আইনে বলা হয়েছে, দুই তৃতীয়াংশ শেয়ারহোল্ডারদের ভোটে মেয়াদি ফান্ডগুলোর রূপান্তর বা অবসায়নের সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে। যারা ফান্ডগুলো টিকিয়ে রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন, তাদের জন্য এখানে তৃতীয় কোনো বিকল্প রাখা হয়নি। এতে করে যেসব বিনিয়োগকারী দীর্ঘমেয়াদে ফান্ডে বিনিয়োগ করেছেন, তাদের মতামত অগ্রাহ্য করে বিপুল ক্ষতির মুখে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

তাদের মতে, এই বিপুল মিউচুয়াল ফান্ড পোর্টফোলিও যদি হঠাৎ অবসায়ন বা বাধ্যতামূলক পুনর্গঠনের আওতায় আনা হয়, তাহলে দুর্বল ক্রয় চাহিদার বাজারে ব্যাপক সরবরাহ সৃষ্টি হবে, যা শেয়ারদরে অতিরিক্ত চাপ তৈরি করতে পারে। এতে ডিএইএক্স ১৫০০ পয়েন্ট পর্যন্ত কমে যেতে পারে এবং আরও লক্ষাধিক বিনিয়োগকারী বাজার থেকে বের হয়ে যাবে।

তারা জানালেন, মাকসুদ কমিশনের ইচ্ছায় মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা ২০২৫ প্রণয়ন করা হয়েছে। এ ধরনের অবিবেচনা প্রসূত আইন প্রণয়নের ফলে দেশের অর্থনীতিতে বড় আঘাত আসবে। এই অবস্থায় সদ্য দায়িত্ব নেওয়া মাসুদ কমিশনের কাছে সর্বপ্রথম মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।

মাকসুদ কমিশন তাদের ২১ মাসের দায়িত্বে শেয়ারবাজারে প্রায় ১৫০০ কোটি টাকা জরিমানা করে আতঙ্ক তৈরি করেছিলেন বলে জানান বিনিয়োগকারীরা। অথচ তিনি আদায় করতে পেরেছেন মাত্র ৫ কোটি টাকা।

সংবাদ সম্মেলনে সরকার ও নতুন কমিশনের কাছে শেয়ারবাজারে অতিতের সব অনিয়ম ও ব্যর্থতার নিরপেক্ষ তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ; ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণ; সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা করা; বিনিয়োগবান্ধব নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন; শেয়ারবাজারে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ; নিয়ন্ত্রক সংস্থার দক্ষতা ও জবাবদিহি বৃদ্ধি; বিতর্কিত নীতিমালা স্থগিত করা; একীভূত করা ৫ ব্যাংকের বিনিয়োগকারীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা; কারসাজির ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স; কোম্পানির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতকরণ; দুর্বল ও লোকসানি কোম্পানির পুনর্গঠন ও শেয়ারহোল্ডারদের অধিকার রক্ষার দাবি জানিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com