
সিলেট প্রতিনিধি : সিলেট টিটিসির কোটি টাকার মালিক ড্রাইভার বিল্লা স্বপদে বহাল থাকতে দৌঁড় ঝাপ শুরু করেছেন। নিজের ক্ষমতা থেকে ধরে রাখতে ইতিমধ্যে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় সহ বিএমইটি‘র অসাধু কর্মকর্তাদের প্রায় ৮ লাখ টাকা ঘুষ দিয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। সম্প্রতি ১৯ ফেব্রুয়ারী ২৬ইং (বৃহস্পতিবার) সিলেট নাগরিক অধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে ড্রাইভার কাজি মো. বিল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সহ বিভিন্ন অধিদপ্তরে অভিযোগ দাখিল করেন সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের আহমদ নামের একজন। ওই অভিযোগের তদন্ত থেকে বাচতে এবং সিলেট টিটিসিতে নিজের স্বপদে বহাল থাকতে সিলেট বিভাগীয় কমিশনার অফিসের এক কর্মকর্তা থেকে মোটা অংকের টাকা দিয়েছেন যাতে তার বিরুদ্ধে জমাকৃত অভিযোগটি কোন মন্ত্রণালয় বা কোন সংস্থায় তদন্ত না পেরণের জন্য।
অভিযোগে জানা যায়,সিলেট সরকারি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি’র) ওই ড্রাইভার দীর্ঘ ২০ বছর কর্মস্থলে থাকার অভিযোগ উঠেছে। বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমল থেকে রয়েছে তার ক্ষমতার দৌরাত্ম্য। সেই ক্ষমতাদর ড্রাইভারের নাম কাজি মো. বিল্লাল হোসেন। সিলেট টিটিসির সেই ড্রাইভার বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমল থেকে অদৃশ্য ছাত্র ছায়ায় বেপরোয়া হয়ে উঠছেন। সিলেটের দক্ষিণ সুরমা এলাকার গোঠাটিকরে করেছেন ১ কোটি টাকার বাড়ি, রয়েছে সিলেটি নাম্বারের ১০ টি অটো রিক্সা সিএনজি, আর রয়েছে নামে বেনামে নানা ব্যবসা বাণিজ্য। সিলেট টিটিসিতে ভর্তি বাণিজ্য থেকে শুরু করে সর্ব ক্ষেত্রে তাকে দিতে হয় ভাগ বাটোয়োরা। বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে সিলেট টিটিসিতে আসা প্রবাসী কল্যাণ মান্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সচিব ও মন্ত্রীদের অনুসারিদের নিয়ে আগমনে তার গাড়ি দিয়ে সিলেটের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র ঘুরিয়ে দেখাতেন এবং সেই সুযোগে এসব বড় কর্তাদের ঘনিষ্ট হয়ে বিগত ১৫ বছরে আঙ্গুল ফুলে কালা গাছ হয়ে উঠেছেন। নিরবে তিনি টাকার পাহাড় গড়ে তুলেছেন। একই প্রতিষ্ঠানে ২০ বছর ধরে কর্মরত তার স্ত্রী (ডিজেল/অটো) ওয়ার্কসপ এটেনডেন্ট ফাতেমা আক্তার। মো. বিল্লাল হোসেন এর বিরুদ্ধে একাধিক মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ জমা হলে অদৃশ্য ক্ষমতাবলে শামলে নিয়ে নেন। সরকার পরিবর্তনের সাথে-সাথে ওই টিটিসির ক্ষমতাদর ড্রাইভার কাজি বিল্লাল হোসেন জামায়াতের সমর্থক বলে বলয় থাকে আর বর্তমানে নির্বাচনের পর থেকে বিএনপির একজন মনোনিত সমর্থক ও কর্মী বলে লোক মুখে বলে বেড়াচ্ছেন। বিএনপি দলের অনেক সেন্ট্রাল নেতা তাদের নিকট আত্মীয়।
এদিকে ড্রাইভার কাজি মো. বিল্লাল হোসেনের রয়েছে সিলেটের সিএনজি ও জায়গা জমি বিক্রির ব্যবসা। চাকুরির অন্তরালে নানা ব্যবসা বাণিজ্য, সিলেট টিটিসিতে এদের বিরুদ্ধে কোন তদন্ত বা অভিযোগ উঠলেই উধ্বর্তণ কর্মকর্তাদের তা ম্যানেজ করে নেন এরা। সময়-দিন যত যাচ্ছে গুটি কয়েক কর্মকর্তা-কর্মচারী দুনীতির মাধ্যমে টাকার পাহাড় হয়ে উঠছেন।
Design & Developed By: ECONOMIC NEWS
Leave a Reply