টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সিনিয়র সাংবাদিক নুরুল হোসাইনকে বিনা অপরাধে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় সাংবাদিক সমাজে তীব্র ক্ষোভ ও গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনাকে স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে উল্লেখ করে দেশব্যাপী নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।
স্থানীয় সূত্র জানায়, কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ কিংবা গ্রহণযোগ্য কারণ ছাড়াই সাংবাদিক নুরুল হোসাইনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে চালান দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই গ্রেপ্তার কেবল একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়; বরং সমগ্র সাংবাদিক সমাজ ও গণতান্ত্রিক অধিকারকে ভীত করার অপচেষ্টা।
টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন,
“সাংবাদিক নুরুল হোসাইন দীর্ঘদিন ধরে সততা, পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সাংবাদিকতা করে আসছেন। তাঁর বিরুদ্ধে এ ধরনের অন্যায় ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গ্রেপ্তার গণতন্ত্র এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য অশনি সংকেত।”
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অবিলম্বে নুরুল হোসাইনের নিঃশর্ত মুক্তি নিশ্চিত করতে হবে এবং সাংবাদিকদের হয়রানির উদ্দেশ্যে দায়ের করা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মামলার সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। অন্যথায়, বৃহত্তর আন্দোলন ও কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিবাদ জোরদার করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন সাংবাদিক নেতারা।
এ ঘটনার প্রতিবাদে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী ও সচেতন নাগরিকরা লিখছেন—
“কলম থামবে না, সত্য চাপা পড়বে না।”
সাংবাদিক নুরুল হোসাইনের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে আগামী দিনে আন্দোলন আরও বেগবান করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক সংগঠনগুলো।