1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০১:০৫ পূর্বাহ্ন
Title :
২০২৫-২৬ অর্থবছরে এনবিআরের রাজস্ব আদায় ৪.১৫ লাখ কোটি টাকা সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে লেনদেনের শীর্ষে একমি পেস্টিসাইড সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দরবৃদ্ধির শীর্ষে সেন্ট্রাল ইন্সুরেন্স সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দরপতনের শীর্ষে রিং শাইন টেক্সটাইল টাঙ্গাইলে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত জাতিসংঘের হিসাব ও সরকারি গেজেটের বাইরে থাকা ৫৬৪ নিহতের পরিচয় প্রকাশের দাবি বিসিআরএসের চুয়াডাঙ্গায় পুষ্পস্তবক অর্পণ ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত ৮ ব্র্যান্ডের ফর্সাকারী ক্রিমে বিপজ্জনক মাত্রায় মার্কারি, সতর্ক করল বিএসটিআই জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল সর্বস্তরের মানুষের আন্দোলন: মুহাম্মদ ইউনূস গণতন্ত্র ও আত্মত্যাগের ইতিহাস সংরক্ষণ করবে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর: প্রধানমন্ত্রী

‘বেকার যুবকদের মাসিক ১ হাজার টাকা ভাতা দেয়ার পরামর্শ’

  • আপডেট : সোমবার, ১৬ মে, ২০২২, ১০.০৫ পিএম
  • ১৯৭ Time View
dr.debpriya

মহামারি করোনার প্রভাব কাটিয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতি এখনও পুরোপুরি আগের অবস্থায় ফিরে যেতে পারেনি। এর উপর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, সরবরাহ চেইনে ব্যাঘাত এবং দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি আগামী অর্থবছরে পরিস্থিতি আরও খারাপ করে তুলবে।

এ অবস্থায় দেশের বেকার যুবকসহ আর্থিকভাবে অস্বচ্ছলদের অন্তত ১০ শতাংশকে সরকারের নিরাপত্তা বেষ্টনী উদ্যোগের আওতায় আনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশ।

সোমবার (১৬ মে) ‘বর্তমান আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতি, জাতীয় বাজেট ও অসুবিধাগ্রস্ত মানুষের প্রত্যাশা’ শীর্ষক একটি মিডিয়া ব্রিফিংয়ে নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক ও সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিষয়ভিত্তিকভাবে আলোচনায় অংশ নেন একশনএইড বাংলাদেশ পরিবেশ ও জলবায়ু ও সবুজ অর্থনীতি কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. রুমানা হকসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। নাগরিক প্ল্যাটফর্মের সমন্বয়ক আনিসাতুল ফাতেমা ইউসুফ এতে সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম আয়োজিত এই ব্রিফিংয়ে তিনি মূল প্রতিবেদন উপস্থাপনা করেন। কোর গ্রুপ সদস্য ও সিপিডি’র অপর বিশেষ ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান এতে সভাপতিত্ব করেন।

নাগরিক প্ল্যাটফর্মের হিসাব অনুযায়ী, আর্থিকভাবে অসচ্ছলদের জন্য ন্যূনতম ১ হাজার টাকার ভাতা নিশ্চিত করতে হলে সরকারকে ২০২২-২৩ অর্থবছরে অতিরিক্ত ৫ হাজার ৮৬৩ কোটি টাকা (জিডিপির ১.৩৪ শতাংশ) বরাদ্দ করতে হবে।

২০০৭-০৮ সাল থেকে বাংলাদেশে সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এতটা চাপের মধ্যে পড়েনি উল্লেখ করে তারা বলে, ব্যক্তি পর্যায়ে করমুক্ত আয়ের সীমা ৩.৫ লাখ টাকা হওয়া উচিত। এছাড়া নারী ও অন্যান্য সুবিধাবঞ্চিত গোষ্ঠীগুলোকে আরও সুযোগ দেওয়া যেতে পারে।

মূল্যস্ফীতি প্রসঙ্গে দেবপ্রিয় বলেন, সরকার মূল্যস্ফীতির কথা ছয় শতাংশের ওপরে বলে থাকে, যেটি প্রকৃত বাস্তবতার সঙ্গে আদৌ মিলে না। বিশেষ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যস্ফীতির হার অনেক বেশি। যেমন- ভোজ্যতেলের ও পাম ওয়েলের দাম বেড়েছে ৬১ শতাংশের ওপরে। আটা-ময়দার মতো পণ্যের দামও ৫৮ শতাংশ বেড়েছে। তবে মোটা চালের দাম বাড়েনি। কিন্তু মাঝারি বা সুগন্ধি চালের দাম অনেক বেড়েছে।

সার্বিকভাবে তেল,ডাল, ডিম, মুরগি ও মাছসহ ইত্যাদি পণ্যের দাম বাড়ার যে হার দিচ্ছে টিসিবি, তা বিবিএসের দেওয়া তালিকার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এমনকি পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের সঙ্গেও মিলে না। বিবিএস যে মুদ্রাস্ফীতির তথ্য দিচ্ছেন তা বাস্তবসম্মত নয়, এমনকি বিজ্ঞানসম্মতও নয়।

আমাদের ধারণা মূল্যস্ফীতি ১২ শতাংশ হওয়া অস্বাভাবিক নয়। আগামী দিনে এই ধারা অব্যাহত থাকবে। বিশ্ব বাজারে যে পণ্যের দাম বেড়েছে, সেই পণ্য এখনও দেশের বাজারে আসেনি। সেগুলো যখন আসবে, তখন নিত্যপণ্যের দাম আরেক দফা বাড়বে।

অর্থনীতির তিনটি বিষয়ের মধ্যে সমন্বয় করতে হবে উল্লেখ করে দেবপ্রিয় তার প্রতিবেদনে বলেন, মূল্যস্ফীতি বাড়ছে, অন্যদিকে টাকার মূল্যমান কমে যাচ্ছে। যেকোনো অর্থনীতির ভেতরে সুদের হার, বিনিময় হার ও মূল্যস্ফীতির মধ্যে সমন্বয় সাধন করতে হবে। একদিকে মূল্যস্ফীতি হচ্ছে, আবার অন্যদিকে টাকার মান অবনমন হচ্ছে। যে প্রত্যাশায় সুদের হার কম রাখা হচ্ছে, সেই বিনিয়োগ কত কয়েক বছরের বেড়েছে এমন কোনো তথ্য নেই। সুদের হার কমিয়ে বিনিয়োগ বাড়ানো যাবে এমন সূত্র বাংলাদেশে প্রযোজ্য নয়।

তিনি বলেন, এখন টাকার আমানতে গড় সুদের হার ৪ দশমিক ৪ শতাংশ। কিন্তু মূল্যস্ফীতি ৬ দশমিক ২২ শতাংশ। অর্থাৎ ব্যাংকে টাকা রাখলে প্রতি বছর প্রকৃত মূল্য দুই শতাংশ করে কমে যাবে। এটা বড় ধরণের সঞ্চয়বিরোধী। আগামীতে টাকার মান অবশ্যই নিম্নমুখী হবে। অবশ্যই সুদের হার বাড়াতে হবে। সামষ্টিক অর্থনীতিকে ধরে রাখতে হলে, মূল্যস্ফীতিকে কেন্দ্র করে পরিকল্পনা সাজাতে হবে। সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা নষ্ট হলে গরিব, নিম্ন মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্তরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কারণ তাদের আয় পণ্যমূল্যের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ে না।

ড. দেবপ্রিয় বলেন, সামষ্টিক অর্থনীতির ভিতরে বড় ধরনের টানাপোড়ন দেখা দিয়েছে। বিগত বছরে আমাদের আর্থিক যে আয়-ব্যয়ের হিসাব রয়েছে, তা সব সময়ই দুর্বল ছিল। দুর্বলতার লক্ষণ হচ্ছে আমাদের কর জিডিপি অনুপাত ১০ শতাংশের ওপরে উঠেনি। একই সঙ্গে উন্নয়ন ব্যয়ের চেয়ে পরিচালন ব্যয় বা অপারেটিং ব্যয় অনেক বেশি। দেশে কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা হলো- একদিকে অর্থের অভাব, অন্যদিকে সম্পদ থাকলেও তা যথাপোযুক্তভাবে খরচ করতে না পারা।

বৈদেশিক মুদ্রার মজুত কমে আসছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, একটি বিষয় লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন বৈদেশিক মুদ্রার মজুত ক্রমান্বয়ে কমে আসছে। গত সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকেই কমার ধারা শুরু হয়েছে। আমাদের বর্তমানে যে মজুদ আছে, তা দিয়ে ৪ থেকে ৫ মাসের বেশি আমদানি ব্যয় মেটানো যাবে না।

বিশ্ববাজারে দ্রব্যমূল্য যদি আরও বাড়তে থাকে, তাহলে আমাদের রিজার্ভের ওপর বড় ধরনের টান পড়বে। অন্যদিকে বাজার স্থিতিশীলতায় বাংলাদেশ ব্যাংকের ডলার ছাড়ার সক্ষমতা থাকছে না। এর ফলে টাকার পতনের ধারা অব্যাহত থাকবে। ইতোমধ্যে টাকা ও ডলারের বিনিময় হারে বড় ধরণের পার্থক্য হয়ে গেছে।

গরিব, নিম্ন মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্তের সঞ্চয় কমে যাচ্ছে জানিয়ে সিপিডির এই বিশেষ ফেলো বলেন, এ কারণে করমুক্ত আয়সীমা সাড়ে তিন লাখ টাকা করা উচিত। এর পাশাপাশি প্রান্তিক ও দুঃস্থ জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ প্রণোদনা রাখতে হবে। সুরক্ষাভাতা বৃদ্ধির প্রস্তাব করছি। আগামী দিনে ভর্তুকি ও পিছিয়ে পড়া মানুষের প্রণোদনা অব্যাহত রাখা কঠিন বিষয় হয়ে যাবে। ভর্তুকির টাকা যেন মেগা প্রকল্পের খাতে ব্যয় না হয়, সেটি লক্ষ্য রাখতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com