রাজধানীর পূর্বাচলে মাসব্যাপী ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার পর্দা নামছে আজ। বিকাল ৪টায় সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মেলার পর্দা নামবে। ব্যবসায়ীরা মেলার সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন জানালেও সে আবেদনে সাড়া না দিয়ে
বাংলাদেশ সরকারের জন্য ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার বা ৪৭০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। সোমবার (৩০ জানুয়ারি) বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় অনুষ্ঠিত আইএমএফের নির্বাহী
সরকারের নির্বাহী আদেশে এবার পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। যা আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে বিদ্যুৎ
রপ্তানিমুখী শিল্পের বিকাশ ও প্রসারের চলমান ধারা অব্যাহত রাখতে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ তহবিল থেকে প্রাক-অর্থায়ন সুবিধা দেওয়া হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে ‘রপ্তানি সহায়ক
পুঁজিবাজারকে ভাল করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ভূমিকা রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক নীতি সহায়তাসহ মনিটরিংয়ের জায়গা থেকে সহায়তা করতে পারে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশনার ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ।
বাংলাদেশের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও বাড়াতে চায় ল্যাটিন অ্যামেরিকার দেশ মেক্সিকো। অটোমোবাইল, ফার্মাসিউটিক্যাল, কেমিক্যাল এবং ফিনটেক খাতে বড় সম্ভাবনা দেখছে উভয় দেশ। সোমবার (৩০ জানুয়ারি) ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন দি ফেডারেশন
বাংলাদেশকে সাড়ে চার বিলিয়ন ডলার ঋণ দেওয়ার প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্বাহী পর্ষদে উঠছে। সোমবার (৩০ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে আইএমএফ’র নির্বাহী বোর্ডের সভা বসবে। সভায়
শীঘ্রই ডিজিটাল ব্যাংক চালুর পরিকল্পনা চলছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার। রোববার (২৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর হোটেল শেরাটনে এক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) কান্ট্রি ডিরেক্টর এডিমন গিন্টিং বলেন, ২০৩১ সালের মধ্যে উচ্চমধ্যম আয়ের দেশ হতে জরুরি ভিত্তিতে আর্থিক খাত শক্তিশালী করা প্রয়োজন। এ জন্য ব্যাংক খাতের সমন্বিত ও সার্বিক
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডলার সহায়তা নিয়ে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে অর্থাৎ গত বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো তাদের বৈদেশিক মুদ্রার ৮০ শতাংশই ব্যয় করেছে সরকারি আমদানিতে।