সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৪১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
সাতক্ষীরা পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের সুলতানপুরে আব্দুর রউফের ধানের শীষের নির্বাচনী পথসভা উত্তরায় সাংবাদিক কল্যাণ ফোরামের উদ্যোগে মরহুমা বেগম জিয়ার রুহের দোয়া ও শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ ত্রয়োদশ রাষ্ট্রীয় নির্বাচনে ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের নারী প্রার্থীদের ইশতিহার, মানুষ হিসেবে রাষ্ট্রে সকল ধর্মের সকল মানুষের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে ফু-ওয়াং সিরামিক পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে বিডিকম অনলাইন জৈন্তাপুর ডিবি হাওরের লাল শাপলা পর্যটনের সৌন্দর্য হারাতে বসেছে কচুরিপানার আগ্রাসনে সংসদ নির্বাচন ও গনভোট উপলক্ষে ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত আল-আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংকের এটিএম ও অনলাইন ব্যাংকিং বন্ধ ৯ দিন রাজারহাটে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ৫পরিবারের সর্বস্ব ভস্মীভূত ময়মনসিংহ নগরীতে মসিকের অর্থায়নে শতাব্দীর প্রাচীনতম পানির কল সংরক্ষণ

সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টিকারীরা দেশের স্বাধীনতা-সংস্কৃতিকে ধারণ করে না : জয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : শুক্রবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২২
  • ১০৯ Time View

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, সবাই সবার নিজের ধর্ম পালন করবে, অন্যদের ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবে, ধর্ম নিয়ে কেউ সহিংসতা করবে না- এটাই হলো ধর্মনিরপেক্ষতার মূল কথা। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি এ কথা বলেন।

সবাইকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে জয় বলেন, করোনামুক্ত দেশে আবারো প্রাণচাঞ্চল্য ফিরিয়ে আনুক এবারের বৈশাখ। নতুন বছরের প্রথম দিন থেকেই সম্প্রীতির পথে হাঁটতে শুরু করুক সবাই। বাংলা ভাষা এবং হাজার বছরের বাঙালি সংস্কৃতির বিকাশ ঘটুক আমাদের নতুন প্রজন্মের হাত ধরে।

তিনি বলেন, ‘যে ভাষা ও সংস্কৃতির জন্য প্রায় দুই যুগ সংগ্রাম করেছেন আমাদের পূর্বপুরুষরা, যে শোষণমুক্ত সাম্যভিত্তিক স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য প্রাণ বিসর্জন দিয়েছেন ৩০ লাখ মানুষ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শিতায় আজ সেই দেশ ডিজিটাল রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে।’

তিনি বলেন, পূর্বপুরুষদের অনিঃশেষ ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে, এই দেশে চিরায়ত বাঙালি সংস্কৃতির বিকাশ ঘটানো প্রয়োজন। আবহমান বাংলার প্রধানতম সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হলো অসাম্প্রদায়িকতা, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সমাজের সবাই মিলেমিশে থাকা। শান্তি ও সমৃদ্ধির আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে শুরু হোক নতুন বছর।

তিনি বলেন, দীর্ঘ মুক্তিসংগ্রাম এবং ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের মাধ্যমে যে চারটি স্তম্ভের ওপর বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম হলো ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’। সবাই সবার নিজের ধর্ম পালন করবে, অন্যদের ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবে, ধর্ম নিয়ে কেউ সহিংসতা করবে না-এটাই হলো ধর্মনিরপেক্ষতার মূল কথা।

এর সঙ্গে নৃতাত্ত্বিকভাবে চলে আসা বাঙালি সংস্কৃতির কোনো বিভেদ নেই’-এ কথা উল্লেখ করে জয় বলেন, ‘সাংস্কৃতিকভাবে আমরা অনেক সমৃদ্ধ জাতি। নিজেদের ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষার আন্দোলন থেকেই বাঙালি জাতি বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে স্বাধীনতা যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছিল। অনেক ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত সেই স্বাধীন দেশে নিজেদের সংস্কৃতি লালন করা প্রতিটি নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব।’

তিনি বলেন, ইতিহাস বলে, ধর্মীয় গোঁড়ামি কখনোই বাঙালির ওপর দীর্ঘমেয়াদে চেপে বসতে পারেনি। আমাদের দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ নাগরিকই ধর্মপ্রাণ মুসলমান, কিন্তু ধর্মান্ধ নন। আমাদের পূর্বপুরুষরাই একসময় বাংলা ভাষা ও বাঙালি সংস্কৃতি রক্ষার জন্য ধর্মব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন।

যার ফলে, ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনে ২৩৭টি মুসলিম আসনের মধ্যে ২২৩টিতে জয়লাভ করে আওয়ামী লীগ। বিপরীতে মাত্র ৯টি আসন পেয়ে ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যায় ধর্মব্যবসায়ীরা। বাংলার মানুষ ঐতিহ্যগতভাবে সরলপ্রাণ ও ধর্মপ্রাণ, কিন্তু ধর্ম প্রদর্শনকারী বা ধর্মব্যবসায়ী নয়।

তিনি বলেন, ‘প্রত্যেক বাঙালি শান্তিপূর্ণভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালন করুন এবং একইসঙ্গে হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য লালন করুন। যারা এটি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করতে চায়, তারা বাংলাদেশকে, বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে এবং সংস্কৃতিকে ধারণ করে না। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি শান্তিপূর্ণ সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে আসুন আমরা সবাই জাতি- ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করি।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS