বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
২০০৯-২০২৩ সময়ে বিপুল অর্থ পাচার, দাবি তারেক রহমানের পাঁচ শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকের কাছে বড় অঙ্কের পাওনা দাবি ইসলামী ব্যাংকের ডিএসইতে দরপতনে শীর্ষে ফারইস্ট ফাইনান্স ডিএসইতে দর বৃদ্ধিতে শীর্ষে সিলভা ফার্মাসিউটিক্যালস সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে লেনদেনে শীর্ষে ওরিয়ন ইনফিউশন গার্ডিয়ান লাইফ এর সহায়তায় ঋণমুক্ত হলো দুই পরিবারের সদস্যরা পহেলা বৈশাখ উদযাপনে ‘স্মুথনেস উইদাউট লিমিট’ প্রতিশ্রুতি নিয়ে উন্মোচিত হলো অপো এ৬কে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত নিটল ইন্স্যুরেন্সের ১০% নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা হরিপুরে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমেলায় পুরুস্কার বিতরণ হয়েছে

৬৫ গুণ দ্রুত গলেছে হিমালয়ের বরফ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২০ জুন, ২০২৩
  • ২১০ Time View

বিশ্বের প্রায় ২০০ কোটি মানুষের জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় পানি সরবরাহ করে হিমালয় পর্বতমালার হিমবাহগুলো। কিন্তু বিগত এক দশকে সেই হিমবাহগুলো অতীতের তুলনায় ৬৫ গুণ বেশি দ্রুত গলেছে। আর এতে করে বিজ্ঞানীরা হিমালয় থেকে নেমে যাওয়া পানির ওপর নির্ভরশীল জনগোষ্ঠীর জীবনে ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে আসার আশঙ্কা করছেন।

বিশ্বের পর্বতমালার পরিস্থিতি নিয়ে গবেষণা করা প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেইন ডেভেলপমেন্টের (আইসিইএমওডি) একটি গবেষণার বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিগত দশকগুলোর তুলনায় ২০১১ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত এক দশকে হিমালয়ের হিমবাহ ৬৫ গুণ বেশি দ্রুত গলেছে।

গবেষণার প্রধান গবেষক ফিলিপ্পাস ওয়েস্টার এএফপিকে বলেছেন, ‘যেহেতু পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে, তাই বরফ গলবে এটা সহজেই অনুমান কার যায়। কিন্তু এখানে খুবই দ্রুত গলছে যা আমাদের জন্য দুশ্চিন্তার বিষয়। এটি আমাদের চিন্তার চেয়েও বেশি দ্রুত গলছে।’

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে হিমালয়ের হিন্দুকুশ অঞ্চলটি সরাসরি ২ কোটি ৪০ লাখ মানুষকে পানি সরবরাহ করে। এর বাইরেও হিমালয়ের নিচের উপত্যকায় বিভিন্ন নদীর মাধ্যমে প্রায় ১৬৫ কোটি মানুষ সরাসরি পানি পেয়ে থাকে হিমালয় থেকে।  

গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, বর্তমানে যে হারে কার্বন নিঃসরণ হচ্ছে তাতে করে চলতি শতকের শেষ নাগাদ হিমালয়ের ৮০ শতাংশ হিমবাহ গলে যাবে। আইসিইএমওডি’র গবেষণায় বলা হয়েছে, এসব হিমবাহ বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ১০ নদী ব্যবস্থায় পানি সরবরাহ করে। এর মধ্যে ভারত-বাংলাদেশের গঙ্গা-পদ্মা, ভারত-পাকিস্তানের সিন্ধু, চীনের পীত, পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া মেকিং এবং মিয়ানমারের ইরাবতী নদী উল্লেখযোগ্য। 

আইসিইএমওডি’র উপপ্রধান ইজাবেলা কোজিয়েল বলেছেন, ‘এশিয়ার প্রায় ২০০ কোটি মানুষ পানির জন্য এই পর্বতমালায় জমে থাকা হিমবাহের ওপর নির্ভরশীল। তাই এখানকার ক্রায়োস্ফিয়ারে জমে থাকা (শীতল এলাকা) বরফ এত দ্রুত গলে যাওয়া সত্যিই চিন্তার বিষয়।’

প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়েছে, যদি প্রাক শিল্পায়ন যুগের তাপমাত্রায় পৌঁছার লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করাও যায় তারপরও ২১০০ সাল নাগাদ এখানকার প্রায় ৫০ শতাংশ বরফ গলে যাবে।    

উল্লেখ্য, দক্ষিণ এশিয়ার দেশ বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান মিয়ানমার এবং ভুটান নেপালভিত্তিক আইসিইএমওডির সদস্য।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS