বিশ্বের বিভিন্ন দেশ তাদের পর্যটনস্পটগুলো নিয়ে বিশেষ প্রচারণা চালায়। এই প্রচারণার ওপর ভিত্তি করেই বিদেশি পর্যটকরা আকৃষ্ট হন বলে মন্তব্য করেছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি মেনেজমেন্ট বিভাগের সভাপতি সোহেল মুহাম্মদ নাফি। তবে এক্ষেত্রে আমরা পিছিয়ে আছি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দেশে ৮৭ হাজার গ্রামের মধ্যে একটিও বিশ্ব পর্যটন সংস্থার (ইউএনডব্লিউটিও) তালিকায় বেস্ট ট্যুরিজম ভিলেজ হতে পারল না। এজন্য গ্রামগুলোর প্রমোশন ও প্রচার না থাকাই দায়ী।’
শুক্রবার (৩ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধিতে অভ্যন্তরীণ পর্যটন’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
নোবিপ্রবির এই শিক্ষক আরও বলেন, ‘আমাদের দেশে এত সুন্দর সুন্দর গ্রাম থাকার পরেও একটি গ্রামও বেস্ট ট্যুরিজম ভিলেজ হতে পারেনি। এর কারণ গ্রামগুলোর কোনো প্রমোশন নেই, প্রচার নেই।’
ট্যুরিজম বিষয়ক এই শিক্ষক আরও বলেন, ‘আমাদের শক্তি নেচারাল রিসোর্স। এই শক্তি কাজে লাগাতে হবে। সৌদি আরব যেখানে স্মার্ট সিটি তৈরি করছে, বিশ্বের অনেক দেশ তাদের শহরগুলোকে উন্নত করছে, সেখানে আমাদের শহরগুলো সেই অনুযায়ী উন্নত হচ্ছে না। এ জন্য কোনো পদক্ষেপ আমরা নিয়েছি কি?’
তিনি বলেন, ‘ভারত যেভাবে তাদের ‘ইনক্রেডিবেল ইন্ডিয়াকে’ ফোকাস করে প্রচারণা করে, মালদ্বীপ যেভাবে প্রচারণা করে, সেখানে আমাদের বিউটিফুল বাংলাদেশ আমরা কতটুকু প্রমোট করতে পারছি? অন্যদের প্রচারের তুলনায় আমরা অনেক বেশি পিছিয়ে।’
তিনি বলেন, ‘পর্যটন শিল্পকে এগিয়ে নেয়ার জন্য প্রচার এবং মার্কেটিং অনেক বেশিই গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও সেবার মান এবং মূল্য ঠিক করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ঢাকা থেকে কক্সবাজার যেতে এবং ঘুরতে যে টাকা লাগে তার সমপরিমাণ টাকা দিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশে ঘুরে আসা যায়। এই সমস্যাগুলো কেন হচ্ছে তা শনাক্ত করে ঠিক করতে হবে।’