মোটরসাইকেলে যাত্রী পরিবহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ভারত। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে চালকদের এক লাখ রুপি পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে। এ নিয়ে বিপাকে পড়েছে রাইড শেয়ারিং কোম্পানিগুলো।
বুধবার (২২ ফেব্রুয়ারি) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে উঠে আসে এ তথ্য।
সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা যায়, ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে মোটরসাইকেলে যাত্রী পরিবহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দিল্লি সরকার। মঙ্গলবার (২১ ফেব্রুয়ারি) এক নোটিশের মাধ্যমে রাইড শেয়ারিংয়ের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। এমন পদক্ষেপের কারণে হুমকির মুখে পড়েছে উবার, ওলা ও র্যাপিডোরের মতো রাইড শেয়ারিং কোম্পানিগুলো।
ভারতীয় মোটরযান আইন অনুযায়ী, ব্যক্তিগত যানবাহন বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার নিষিদ্ধ উল্লেখ কেরে নোটিশে বলা হয়, আইন অমান্য করলে চালকদের এক লাখ ভারতীয় রুপি পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি ভারতীয় রাইড শেয়ারিং কোম্পানিগুলো।
ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতিদিন যানজটের মধ্যে সহজে গন্তব্য পৌঁছাতে মোটরসাইকেল ব্যবহার করেন হাজার হাজার ভারতীয় নাগরিক। এ খাতে হাজারো মানুষের কর্মসংস্থানও রয়েছে। তাদের অধিকাংশই যাত্রী পরিবহনে ব্যক্তিগত মোটরসাইকেল ব্যবহার করেন। এমন সিদ্ধান্তের কারণে, এই পেশার সাথে জড়িতদের নিত্যদিনের খরচ মেটানো কঠিন হয়ে যাবে বলেও জনান চালকরা।
অ্যালাইড মার্কেট রিসার্চের প্রতিবেদন বলছে, ভারতে মোটরসাইকেলে যাত্রী পরিবহন খাতের আর্থিক বাজারমূল্য সাড়ে ৫ কোটি ৫ লাখ মার্কিন ডলার, যা ২০৩০ সালের মধ্যে দেড়শ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে এবারই প্রথম নয়, এর আগে জানুয়ারিতেও রাইড শেয়ারিং কোম্পানি র্যাপিডোরের চালকদের লাইসেন্স দিতে অস্বীকৃতি জানায় মহারাষ্ট্র রাজ্য সরকার। এসব চালকদের লাইসেন্স, নিরাপত্তা ও ভাড়া কাঠামো নিয়ে আইনি কোনো নির্দেশনা নেই। এ ছাড়াও বৈধ লাইসেন্স না থাকায় এর আগে পিডোরের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেন মুম্বাই হাইকোর্ট।