1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:০১ পূর্বাহ্ন
Title :
যমুনা ব্যাংক পিএলসির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন মো. মাহমুদুল হক ডিজিটাল সেবার অভিজ্ঞতায় নতুন মাত্রা যোগ করতে আসছে বাংলালিংকের ‘মুক্ত’ চুয়াডাঙ্গায় সপ্তাহব্যাপী নজরুল উৎসবের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত সাংবাদিকের মায়ের পরলোকগমণে প্রতিমন্ত্রী সহ বিভিন্ন সংগঠনের শোক জরুরি প্রয়োজনে এক কিস্তির সমপরিমাণ অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন ওয়ালটন প্লাজার ক্রেতারা মাউলীতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের কৃষিপণ্য রপ্তানি বাড়াতে নতুন অর্থায়ন মডেল গড়ে তুলছে আইএফআইসি ব্যাংক ও সুইসকন্ট্যাক্ট জাতীয় সংসদ ভবনে সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও স্পীকারের সাথে গ্লোবাল এভিয়েশন এন্ড ট্যুরিজম জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন (গ্যাটজা)-এর নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের চতুর্থ চালান এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, অনলাইনে ও এসএমএসে যেভাবে জানবেন

বিডি ওয়েল্ডিংয়ের মালিকানায় আসছে সি পার্ল

  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৩, ১১.২০ এএম
  • ২১০ Time View

পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত বাংলাদেশ ওয়েল্ডিং ইলেকট্রোডস লিমিটেডের মালিকানা পরিবর্তন হচ্ছে। দীর্ঘ দিন ধরে উৎপাদন বন্ধ ও অস্তিত্বহীন এ কোম্পানির মালিকানায় আসছে দেশের অন্যতম ব্যবসায়ী রয়েল টিউলিপ সি পার্ল বিচ রিসোর্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও তার পরিবার। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সব শেষ কমিশন সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বিএসইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, ২৩ কোটি ৪০ লাখ টাকায় কোম্পানির উদ্যোক্তা-পরিচালকদের শেয়ার কিনে রয়েল টিউলিপ সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা লিমিটেডের পরিচালকরা এর মালিকানায় আসছে। নতুন মালিকদের মধ্যে রয়েছেন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক টিটু, তার ভাই আমিনুল হক শামীম এবং ভাতিজা সামিউল হক সাফা।

মালিকানায় আসা তিন ব্যক্তির মধ্যে মেয়র ইকরামুল হক টিটু পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি রয়েল টিউলিপ সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা লিমিটেডের পরিচালক। তার ভাই শামীম হলেন রয়েল টিউলিপের এমডি আর সামিউল হক সাফা এমডির ছেলে।

বিএসইসির তথ্য মতে, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে গত সপ্তাহের কমিশন সভায় বিডি ওয়েল্ডিংয়ের মালিকানায় থাকা সরকারি প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) শেয়ার বিক্রির প্রস্তাব অনুমোদন করে।

একই সাথে বিডি ওয়েল্ডিংয়ের এমডির শেয়ার হস্তান্তরের অনুমোদন দেওয়া হয়। শেয়ার কিনে কোম্পানির পর্ষদে আসার পর পরিচালকরা কোম্পানিকে উৎপাদনে নিয়ে আসার প্রক্রিয়া শুরু করবেন। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের কোম্পানির শেয়ার সোমবার ৩০ জানুয়ারি সর্বশেষ বিক্রি হয়েছে ২৯ টাকা ৩০ পয়সা। ৪৩ কোটি ৩৪ লাখ ৯০ হাজার টাকার পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানির বর্তমান মূল্য ১২৭ কোটি ৮৮ লাখ ৪ হাজার টাকা।

বিএসইসির তথ্য মতে, ১৯৯৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিডি ওয়েল্ডিয়ের বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ৪ কোটি ৩৩ লাখ ৪৯ হাজার ৩০৫টি। এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের শেয়ার সংখ্যা ৩১ দশমিক ১ শতাংশ। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের শেয়ার সংখ্যা ২ দশমিক ৮৮ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের শেয়ার সংখ্যা দশমিক ৭২ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের শেয়ার সংখ্যা ৬৫ দশমিক ৩৯ শতাংশ।

তার মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে থাকা ৩১ দশমিক ১ শতাংশ শেয়ার ১৭ টাকা ৫০ পয়সা এবং ১৭ টাকা দরে কিনবেন ইকরামুল হক টিটু, আমিনুল হক শামীম এবং ভাতিজা সামিউল হক সাফা।

কোম্পানির তথ্য মতে, উদ্যোক্তা-পরিচালকদের ৩১ দশমিক ১ শতাংশ শেয়ারের মধ্যে আইসিবির হাতে রয়েছে ২৫ দশমিক ২৫ শতাংশ শেয়ার। আর কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এস এম নুরুল ইসলামের মালিকানায় রয়েছে ৫ দশমিক ৭৮ শতাংশ শেয়ার।

আইসিবির ২৫ দশমিক ২৫ শতাংশ অর্থাৎ ১ কোটি ৯ লাখ ৪৬ হাজার ৬৯৯টি শেয়ার কিনতে গত ২৫ জানুয়ারি আইসিবি ও সি পালের এমডি ও পরিচালকদের মধ্যে চুক্তি সাক্ষর হয়। চুক্তি অনুসারে আইসিবির ২৫ দশমিক ২৫ শতাংশ শেয়ার ইকরামুল হক টিটু ও আমিনুল হক শামীম কিনবেন ১৭ টাকা ৫০ পয়সা করে।

আর বর্তমান এমডির হাতে রয়েছে ৫ দশমিক ৭৮ শতাংশ শেয়ার। কিন্তু ক্যান্সারের আক্রান্ত হয়ে এমডি মৃত্যুবরণ করায় এমডির শেয়ার এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের ২৫ লাখ ২৫৬টি শেয়ার ১৭ টাকা দরে ৪ কোটি ২৫ লাখ ৪ হাজার ৩৫২ টাকা কিনবেন আমিনুল হক, একরামুল হক এবং সামিউল হক সাফা। এরপর স্টক এক্সচেঞ্জ এমডির শেয়ার নিজেদের কাছে হস্তান্তর করবেন।

এমডির শেয়ার বিক্রির টাকা ব্রোকার হাউজের ডিপোজিটরি পার্টিসিপেটরি অ্যাকাউন্টে রাখা হবে। আদালতের অনুমতিক্রমে উত্তরাধিকারীদের কাছে অর্থ বিতরণ করে দেবে স্টক এক্সচেঞ্জ।

উল্লেখ্য, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের কোম্পানিটি ৩০ জুন ২০১৯ সালের পর থেকে শেয়ারহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ দিতে পারেনি। এমনকি গত তিন বছরের কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) করেনি। ২০১৯ সালে সর্বশেষ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দেওয়া হয়েছিল।

৫০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনী কোম্পানির ব্যাংক ঋণ রয়েছে ৪ কোটি ৪৫ লাখ ২০ হাজার টাকা। কোম্পানিটি ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটা ছিল তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তানের প্রথম ওয়েল্ডিং ইলোক্টোডস ম্যানুফেচারিং কোম্পানি।

এরপর স্বাধীনতা পরবর্তীতে কোম্পানিটি বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৩ সালে পরিত্যক্ত সম্পত্তি হিসেবে দখল করে নেয়। এরপর ১৯৮৪ সালে, সরকার এটি হস্তান্তর করে এবং একজন সাবেক আমলার কাছে। তিনি সর্বোচ্চ দাতা হিসেবে এটি কিনে নিয়েছিলেন।

এরপর এটি ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত একটি প্রাইভেট কোম্পানির ছিল এবং প্রায় ১২ বছর ধরে বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ড ওরলিকনের জন্য ওয়েল্ডিং ইলেক্ট্রোড তৈরিতে নিয়োজিত ছিল, যা একটি প্রযুক্তিগত সহযোগিতা এবং জুরিখের ওরলিকন ওয়েল্ডিং লিমিটেডের সাথে লাইসেন্সিং চুক্তির অধীনে।

১৯৯৯ সালে, কোম্পানিটি চট্টগ্রামে একটি অক্সিজেন প্ল্যান্ট স্থাপনের জন্য তহবিল সংগ্রহের জন্য পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ঋণ খেলাপির কারণে কাঁচামাল আমদানি ব্যাহত হলে এটি সংকটে পড়ে। সাউথ ইস্ট ব্যাংকের ঋণ পরিশোধের জন্য ২০১৬ সালে কোম্পানিটি চট্টগ্রামে অবস্থিত তার কারখানাটি বাংলাদেশ স্টিল রি-রোলিং মিলসের কাছে বিক্রি করে এবং ঢাকায় একটি নতুন কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা করে। যা একটি জমি কিনলেও কোম্পানি পরিচালনার জন্য একটি কারখানা তৈরি করতে ব্যর্থ হয়। বর্তমানে ঢাকার জমিতে এর কোনো কারখানা নেই।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com