1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:২৫ পূর্বাহ্ন
Title :
বৈদেশিক ঋণের তথ্য এবার মাসে মাসে চাইল বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এডিপি বাস্তবায়ন নেমেছে ৬৭.৫২ শতাংশে রপ্তানি ও বৈদেশিক মুদ্রা আনা সহজ করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন উদ্যোগ ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ১৫৩ হামে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১,০৮৫ দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ করেছে মার্কেন্টাইল ইসলামী ইন্স্যুরেন্স ইসলামী ব্যাংক ঢাকা নর্থ ও ঢাকা সাউথ জোনের অর্ধ-বার্ষিক ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলন অনুষ্ঠিত রেজিস্ট্রেশন ঝুলিয়ে অন্যায্য সার্ভিস চার্জ বৃদ্ধি: বিজয়ী রাকিন সিটিতে বাসিন্দাদের লাগাতার গণ-আন্দোলন নবীনগরে নিজ অর্থায়নে সড়ক সংস্কার করে আলোচনায় সালাউদ্দিন, এলাকাবাসীর প্রশংসা প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি ও বিসিএস হেলথ ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশনের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

মুখ থুবড়ে পড়ছে প্রকাশনা শিল্প

  • আপডেট : সোমবার, ২১ নভেম্বর, ২০২২, ৭.২৯ পিএম
  • ২৪০ Time View

দেশে সাহিত্যের মান নিয়ে কথা হয়ে আসছিল বহুদিন ধরে। এবার মানের সঙ্গে মুখ্য বিষয় হয়ে উঠেছে ২০২৩ সালের বইমেলায় আদৌ বই ছাপানো যাবে কি-না এমন বিষয়। মূলত কাগজ সংকট ও কাগজের দাম অত্যাধিক বেড়ে যাওয়ায় দিনকে দিন মুখ থুবড়ে পড়ছে প্রকাশনা শিল্প।

প্রকাশকদের দুরবস্থা উপলব্ধি করতে শাহবাগের আজিজ মার্কেটের নিচ তলায় একবার চোখ বুলানোই যথেষ্ট। কয়েক বছর আগেও আজিজ মার্কেটের নিচ তলার প্রথম সারিতে সবকটি ছিল প্রকশনা সংস্থা ও বইয়ের দোকান। কিন্তু দোকান ভাড়া বেড়ে যাওয়ায় ও বাজারে বইয়ের কাটতি কমে যাওয়ায় দিনকে দিন আজিজ মার্কেট থেকে প্রকাশনীগুলো উঠে যাচ্ছে, বইয়ের জায়গা দখল করে নিচ্ছে টি-শার্ট ও থ্রি-পিসের দোকান।

যারা আজিজ মার্কেটে দোকান ভাড়া সামাল দিয়ে ব্যবসা চালাতে পারছিল না, তাদের সিংহভাগ মাথা গুঁজেছে কাঁটাবনের কনকর্ড এম্পোরিয়াম শপিং কমপ্লেক্সের বেসমেন্টে।

প্রকাশকরা বলছেন, প্রকাশনা শিল্পের যে হাল তাতে করে এখানে ক’দিন টেকা যাবে তা নিয়ে সন্দিহান তারা।

চলমান কাগজ সংকট নিয়ে সময় সংবাদের সঙ্গে কথা হয় কাঁটাবনের কয়েকজন প্রকাশকের সঙ্গে। এদের মধ্যে কাঁটাবন পাবলিশার্স ফোরামের সভাপতি ও সমগ্র প্রকাশনীর প্রকাশক শওকত আলি তারা বলেন, ‘আমি ঠিক করেছি সামনের বইমেলায় আর কোনো বই বের করব না। আমি সামনের বইমেলায় যাচ্ছি না।’

কেন এই সিদ্ধান্ত জানতে চাইলে শওকত আলি তারা বলেন, ‘ক’দিনের ব্যবধানে রিমপ্রতি কাগজের দাম দ্বিগুণ হয়ে গেছে। সবাই বলছে সংকট, আমরা তা মনে করি না। দেশে পর্যাপ্ত কাগজ আছে ও কিছু সিন্ডিকেট এটাকে মজুত করে পয়সা কামিয়ে নিচ্ছে। দেশের কাগজশিল্প কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের কাছে জিম্মি হয়ে আছে। আর শুধু কাগজ কেন, বই ছাপানোর প্রিন্টের খরচ, প্লেটের খরচ ও বাইন্ডিং খরচও প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। এত সব করে যদি বই ছাপাই তাহলে ১৫০ টাকার বইয়ের দাম হবে ৩০০ টাকার ওপরে। পাঠক অত দামে বই কিনবে না।’

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কয়েক দিনের ব্যবধানে রিমপ্রতি কাগজের দাম বেড়ে গেছে ১ হাজার ২০০ টাকা। অনেকে আগাম অর্ডার দিয়েও কাগজ পাচ্ছেন না। এদিকে কাগজের দাম বাড়ায় ফর্মা হিসাবে বইয়ের দামও বেড়ে যাবে বলে জানিয়েছেন প্রকাশকরা। একদিকে বাজারে খাদ্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, অন্যদিকে এভাবে বইয়ের দাম বাড়ালে ক্রেতারা আদৌ বই কিনবে কি-না এ নিয়ে সন্দিহান প্রকাশকরা।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com