1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ন
Title :
ঢাকা দক্ষিণ সিটির রাজস্ব ও সেবা ফি আদায়ে কমিউনিটি ব্যাংকের সঙ্গে সমঝোতা টাঙ্গাইলে ‘জব ফেয়ার’ চমক, একদিনেই ২ হাজার যুবকের ভাগ্যের দুয়ার উন্মোচন! সেমস-গ্লোবালের আয়োজনে শুরু হলো চার দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী ২৫তম টেক্সটাইল সিরিজ অফ এক্সিবিশন্স ২০২৬ বাংলাদেশ ব্যাংকের ৩,০০০ কোটি টাকার কৃষি পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি’র অংশগ্রহণ চুক্তি স্বাক্ষর বিদ্যুৎ ঘাটতি নিরসনে বাতিলকৃত ৩৭টি নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প চালু করা জনদাবি: সবুজ আন্দোলন আইএফআইসি ব্যাংক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মধ্যে ৩,০০০ কোটি টাকার পুনঃ অর্থায়ন তহবিলে অংশগ্রহণের চুক্তি স্বাক্ষর জুনে খেলাপি ঋণ বেড়ে ৬ লাখ ৬ হাজার ২৮৪ কোটি টাকা ভর্তুকি মূল্যে বিক্রিতে ২ কোটি লিটার পাম অলিন ও ১০ হাজার টন ডাল কিনবে সরকার কুমিল্লায় একদিনে ৪৩টি অভিযানে ১০ হাজারের বেশি ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার-৪৭ সাড়ে তিন মাস পর ব্যাংক থেকে ৫ কোটি ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক

বিদ্যুৎ ঘাটতি নিরসনে বাতিলকৃত ৩৭টি নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প চালু করা জনদাবি: সবুজ আন্দোলন

  • আপডেট : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯.৫২ পিএম
  • ৩৩ Time View

১লা সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রি: পরিবেশবাদী সামাজিক সংগঠন সবুজ আন্দোলন’র ৯ম বর্ষে পদার্পন উপলক্ষে আজ ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং বুধবার সকাল ১০ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে “বর্তমান বিদ্যুৎ ঘাটতি নিরসনে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার নিশ্চিত করতে করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভা ও গ্রিনম্যান অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠান” আয়োজন করা হয়।

সবুজ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান বাপ্পি সরদার’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ কামরুল আহসান। বিশেষজ্ঞ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নলেজ হাব ইনস্টিটিউট ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম, স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ’র অধ্যাপক ড. আহমেদ কামরুজ্জামান মজুমদার, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আদিল মুহাম্মদ খান, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ প্লানার্সের নগর পরিকল্পনাবিদ মেহেদী আহসান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোঃ ফরহাদুর রেজা, জাস্ট এনার্জি ট্রানজিশন (একশন এইড বাংলাদেশ)—এর ম্যানেজার মোঃ আবুল কালাম আজাদ, সাসটেনেবল রিসার্চ অ্যান্ড কনসালটেন্সি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নগর পরিবেশবিদ আবু জোবায়ের। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপি¯ত থাকবেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলমগীর কবির, মিশন গ্রিন বাংলাদেশ’র নির্বাহী প্রধান আহসান রনি, সবুজ আন্দোলন পরিচালনা পরিষদের মহাসচিব মহসিন সিকদার পাভেল, দ্য আম্পায়ার বে গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ নুরুজ্জামান হোসাইন বাবু, মাতৃভূমি গ্রুপের অর্থ পরিচালক মোঃ ফিরোজ আলম, বিএম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম রবি প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে পরিবেশ সচেতনতায় বিশেষ অবদান রাখায় ৭ প্রতিষ্ঠান ও বিশিষ্ট নাগরিককে “জাতীয় অ্যাওয়ার্ড গ্রিনম্যান—২০২৬” প্রদান করা হয়। তারা হলেন— মোঃ আবুল কালাম আজাদ, ম্যানেজার, জাস্ট এনার্জি ট্রানজিশন( অ্যাকশন এইড বাংলাদেশ); নগর পরিকল্পনাবিদ আবু জোবায়ের, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সাসটেনেবল এনার্জি এন্ড কনসালটেন্সি লিমিটেড; আহসান রনি, নির্বাহী প্রধান, মিশন গ্রিন বাংলাদেশ; ড. মোঃ ফরহাদুর রেজা, অধ্যাপক, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়; মোঃ মাহমুদুর রহমান সোহেল, নিউজ এডিটর, গাজী টেলিভিশন; ফাহিম মোনায়েম, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, বৈশাখী টেলিভিশন এবং রতন কুমার দে, বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি, নিউজ ২৪।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ কামরুল আহসান বলেন, লোডশেডিংসহ বর্তমানে জ্বালানি সংকটে সৃষ্ট জনদুর্ভোগে জনগণ ভোগান্তিতে পড়লেও এখনো জনরোষ সৃষ্টি হয়নি। কেননা তারা জানে এ সংকটের জন্য গত ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসন দায়ী। সরকার যদি নবায়নযোগ্য জ্বালানি সোলার বিদ্যুৎ, বায়ু বিদ্যুৎ ও জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের মাধ্যমে এ সংকট সমাধানে আড়াই বছরও সময় চায় তবে আমার মনে হয় জনগণ সেই সময় দেবে। এ সংকট থেকে উত্তোরণে সরকারের আর আড়াই মিনিটও সমক্ষেপন করা উচিত হবে না। কারণ মানুষের ধৈর্যে্যরও একটা সীমা আছে।

তিনি সবুজ আন্দোলনের প্রস্তাব ও দাবিগুলো সুবিবেচনা করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে লিখিত বক্তব্যে সবুজ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান বাপ্পি সরদার বলেন, দেশে আবারও গ্যাস সংকট, বিদ্যুৎ ঘাটতি ও লোডশেডিং উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। একই সঙ্গে শিল্পকারখানায় গ্যাস ও বিদ্যুতের অনিশ্চিত সরবরাহ উৎপাদন ব্যাহত করার পাশাপাশি বাড়িয়ে দিচ্ছে উৎপাদন ব্যয়। সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্যুৎ ঘাটতি একপর্যায়ে ৩ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির পাশাপাশি শিল্প ও অর্থনীতিতেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। গ্যাসের ক্ষেত্রেও পরিস্থিতি সংকটপূর্ণ। দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩,৮০০ – ৪,০০০ মিলিয়ন ঘনফুট, বিপরীতে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ হচ্ছে প্রায় ২,১০০ – ২,২০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এই পরিস্থিতিতে শুধু আমদানিনির্ভর গ্যাস ও এলএনজির ওপর নির্ভরতা বাড়িয়ে দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি সংকটের সমাধান সম্ভব নয়। বরং বর্তমান সংকটকে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সুযোগ হিসেবে নিয়ে দেশীয় ও বিকেন্দ্রীভূত নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার দ্রুত বাড়াতে হবে।

বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির বর্তমান অবস্থা:
টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি কর্তৃপক্ষের (SREDA) তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে স্থাপিত বিদ্যুৎ সক্ষমতা ১,৮২৬ মেগাওয়াটের বেশি। এর মধ্যে——
* সৌরবিদ্যুৎ: ১,৫৩৩.৮৭ মেগাওয়াট
* জলবিদ্যুৎ: ২৩০ মেগাওয়াট
* বায়ুবিদ্যুৎ: ৬২ মেগাওয়াট
* বায়োগ্যাস: ০.৬৯ মেগাওয়াট
* বায়োম্যাস: ০.৪ মেগাওয়াট

তবে স্থাপিত সক্ষমতা এবং জাতীয় গ্রিডে বাস্তবে সরবরাহকৃত বিদ্যুতের পরিমাণ এক নয়। বিশ্বব্যাংকের জুলাই ২০২৬—এর তথ্য অনুযায়ী, জাতীয় গ্রিডে সরবরাহকৃত বিদ্যুতের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ প্রায় ১.৫ শতাংশ। অর্থাৎ, দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্ভাবনা থাকলেও জাতীয় বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় এর ব্যবহার এখনো সীমিত। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় এই অংশ দ্রুত বাড়ানো জরুরি।

সবুজ আন্দোলনের প্রস্তাব:
(১) রুফটপ সোলারকে জাতীয় অগ্রাধিকার দিতে হবে। সরকারি ভবন, শিল্পকারখানা, অর্থনৈতিক অঞ্চল ও বড় বাণিজ্যিক স্থাপনায় দ্রুত রুফটপ সোলার স্থাপন করতে হবে। নেট মিটারিং ও গ্রিড সংযোগের জটিলতা দূর করতে হবে। বাতিলকৃত ৩৭ টি সোলার প্রজেক্ট অচিরেই বাস্তবায়ন করতে হবে।
(২) শিল্পকারখানায় সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার +থস্টোরেজ সিস্টেম: গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত শিল্পকারখানায় সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে বিশেষ প্রণোদনা দিতে হবে। দিনের সৌরবিদ্যুৎ সরাসরি ব্যবহারের পাশাপাশি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যাটারিতে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।
(৩) বিকেন্দ্রীভূত সৌরবিদ্যুৎ সম্প্রসারণ করতে হবে। বাড়ি, অফিস, কারখানা ও স্থানীয় পর্যায়ে ছোট সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা বাড়াতে হবে। গ্রাম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে সৌরভিত্তিক মিনি—গ্রিড সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিতে হবে।
(৪) ব্যাটারি স্টোরেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা  (Battery Energy Storage Szstem (BESS): দিনের অতিরিক্ত সৌরবিদ্যুৎ রাতে ব্যবহারের জন্য শিল্পাঞ্চল ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে বড় আকারের ব্যাটারি স্টোরেজ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। প্রয়োজনীয় ব্যাটারি আমদানিতে কর—শুল্ক সুবিধা দিতে হবে।
(৫) সৌরচালিত সেচ দ্রুত বাড়াতে হবে। ডিজেলচালিত সেচ পাম্প পর্যায়ক্রমে সৌরচালিত পাম্পে রূপান্তর করতে হবে। এতে ডিজেল আমদানি কমার পাশাপাশি কৃষকের উৎপাদন ব্যয়ও কমবে।
(৬) নেট মিটারিং ব্যবস্থা সহজ করতে হবে। আবেদন, অনুমোদন, মিটার স্থাপন ও গ্রিড সংযোগের প্রতিটি ধাপে নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করতে হবে। গ্রাহকের অতিরিক্ত সৌরবিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের প্রক্রিয়া সহজ করতে হবে।
(৭) কর—শুল্ক ছাড় ও সহজ ঋণের ব্যবস্থা করতে হবে। সৌর প্যানেল, ইনভার্টার, ব্যাটারি ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিতে কর—শুল্ক কমাতে বা প্রত্যাহার করতে হবে। ব্যক্তি, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য স্বল্পসুদের দীর্ঘমেয়াদি ঋণ চালু করতে হবে।
(৮) ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু করতে হবে। সৌর প্রকল্পের লাইসেন্স, পরিবেশগত অনুমোদন, গ্রিড সংযোগ ও নেট মিটারিংয়ের জন্য সমন্বিত অনুমোদন ব্যবস্থা চালু করতে হবে।
(৯) জাতীয় গ্রিড আধুনিকায়ন করতে হবে। নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের বাড়তি সরবরাহ গ্রহণের সক্ষমতা তৈরি করতে স্মার্ট গ্রিড, উন্নত পূর্বাভাস ব্যবস্থা ও স্টোরেজ প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।
(১০) কৃষিজমি রক্ষা করতে হবে। বড় সৌর প্রকল্পে কৃষিজমির ব্যবহার নিরুৎসাহিত করে অনাবাদি জমি, চর, সরকারি অব্যবহৃত জমি ও শিল্পাঞ্চলের অব্যবহৃত জায়গাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
(১১) ২০৩০ সালকে সামনে রেখে জাতীয় বিনিয়োগ পরিকল্পনা করতে হবে। নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে শুধু পরিবেশ সুরক্ষার বিষয় হিসেবে নয়, জাতীয় জ্বালানি ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তার অংশ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। সরকার, বেসরকারি খাত, ব্যাংক ও জনগণের অংশগ্রহণে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

বাংলাদেশ সবুজ আন্দোলনের দাবি:
(১) বর্তমান লোডশেডিং ও জ্বালানি সংকটকে সাময়িকভাবে মোকাবিলার পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি রূপান্তরের সুযোগ হিসেবে নিতে হবে।
(২) রুফটপ সোলার, সৌরচালিত সেচ, ব্যাটারি স্টোরেজ, আধুনিক গ্রিড এবং সহজ বিনিয়োগ ও ঋণ — এই পাঁচটি খাতকে জাতীয় অগ্রাধিকার দিতে হবে।
(৩) নেট মিটারিং ও গ্রিড সংযোগের জটিলতা দ্রুত দূর করে ব্যক্তি ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে উৎসাহিত করতে হবে।
(৪) কৃষিজমি রক্ষা করে অনাবাদি ও সরকারি অব্যবহৃত জমিকে বড় নবায়নযোগ্য প্রকল্পের জন্য অগ্রাধিকার দিতে হবে।
(৫) জাতীয় গ্রিডে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ দ্রুত বাড়ানোর জন্য একটি সময়বদ্ধ জাতীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

বাপ্পি সরদার আরো বলেন, জাতীয় গ্রিডে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ এখনো প্রায় ১.৫ শতাংশ। ফলে বিদ্যুৎ ঘাটতি ও আমদানিনির্ভর জ্বালানি ব্যবস্থার চাপ কমাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো এখন আর শুধু পরিবেশগত দাবি নয়; এটি বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তার প্রয়োজন।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আরো উপস্থিত ছিলেন সবুজ আন্দোলন পরিচালক, কেন্দ্রীয় কমিটি ও মহানগরের নেতৃবৃন্দ।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com