মোঃ আব্দুল্লাহ হক, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার আসমানখালী এলাকায় জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ও বীজ বিক্রি, লাইসেন্স ছাড়া গ্যাস বিক্রি এবং ডা.পদবী অপব্যবহারের অভিযোগে চারটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৬৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকাল ১১টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে ওষুধ, সার, গ্যাস ও বীজের দোকানে তদারকি করা হয়।
অভিযান চলাকালে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী লাইসেন্স ছাড়া গ্যাস বিক্রির দায়ে মো. মফিজ উদ্দীনের মেসার্স তিতাস সাইকেল স্টোরকে ২ হাজার টাকা, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি ও ‘ডা.’ পদবী ব্যবহারের দায়ে মো. আশরাফুল আলমের মেসার্স সামিরন ফার্মেসিকে ১০ হাজার টাকা, মেয়াদোত্তীর্ণ বীজ বিক্রির দায়ে মো. রবিউল হকের মেসার্স রবিউল বীজ ভান্ডারকে ৩ হাজার টাকা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ হোমিও ওষুধ বিক্রি ও সংরক্ষণের দায়ে মো. হুমায়ুন কবিরের মেসার্স বিসমিল্লাহ হোমিও ক্লিনিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে মোট ৬৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
এ সময় ব্যবসায়ীদের মূল্যতালিকা হালনাগাদ রাখা, নির্ধারিত ও যৌক্তিক মূল্যে পণ্য বিক্রি, মেয়াদোত্তীর্ণ ও মানহীন পণ্য, ওষুধ, বীজ ও শিশুখাদ্য বিক্রি থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসান।
অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করেন জেলা বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সি, চুয়াডাঙ্গার বহিরাঙ্গন কর্মকর্তা সালমা জাহান নিপা, ক্যাব প্রতিনিধি মো. রফিকুল ইসলাম এবং জেলা আনসার ব্যাটালিয়নের একটি দল।
জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।