1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:২৬ অপরাহ্ন
Title :
সাহসী যোবনই সুন্দর আগামী- আসাদুল হাবিব দুলু দাউদকান্দিতে নকল ইয়াবা ও গাঁজাসহ আটক ২ ৩০ লাখ টাকার প্রলোভন, রাশিয়ার যুদ্ধে প্রাণ গেল কুমিল্লার সাগরের বিনিয়োগকারীদের জন্য আর্নিংস কল আয়োজন করেছে সিটি ব্যাংক প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ করেছে জিকিউ বলপেন সিলেটে অক্টোবরের ডেঙ্গুতে শনাক্ত হয়েছেন ৪৬৭ জন নিহত রাকিব জিপিএ-৫ পেয়েছে; গোপালপুরের বাড়িতে মিষ্টি বিতরণের পরিবর্তে কুলখানি অনুষ্ঠিত এবি ব্যাংকের স্থানান্তরিত অষ্টগ্রাম শাখার উদ্বোধন প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য ট্রাস্ট ব্যাংকের এনআরসিটি হিসাব চালু স্থানীয়ভাবে স্মার্টফোনের মাদারবোর্ড উৎপাদন শুরু স্মার্ট হাইটেকের

নড়াইলে নদীভাঙন ও পরিবেশ রক্ষায় বালুর চাতাল অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন

  • আপডেট : বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১০.৪৪ পিএম
  • ২২৩ Time View

মামুন মোল্যা, নড়াইল প্রতিনিধি: নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার মাকড়াইল এলাকায় নদীভাঙন রোধ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে বালুর চাতাল (বেড) অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে মধুমতী নদীর তীরে মাকড়াইল এলাকায় ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন ইকবাল মোল্যা, বাদশা মোল্যা, ওহিদুর মোল্যা, মাস্টার মতিয়ার রহমান মৃধা, ফজলুর রহমান মৃধাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, মধুমতী নদী তীরবর্তী মাকড়াইল, কাশিপুর ও রামচন্দ্রপুর গ্রাম দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। নদী থেকে বালু উত্তোলন এবং তীরে বালুর চাতাল স্থাপনের কারণে ভাঙন আরও তীব্র হয়েছে। এলাকাবাসীর আন্দোলনের মুখে বালু উত্তোলন বন্ধ হলেও মাকড়াইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে স্থাপিত বালুর চাতাল এখনো অপসারণ করা হয়নি।

বক্তারা জানান, চাতাল থেকে পানি চুইয়ে নদীতে পড়ায় নদীর পাড়ের ক্ষয় অব্যাহত রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্থাপিত প্রতিরক্ষা বস্তাগুলোও নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এছাড়া বালুবাহী ট্রাক চলাচলের কারণে বিদ্যালয়ের সামনের সড়ক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে, ফলে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ওহিদুর মোল্যা বলেন, “আমাদের আন্দোলনের মুখে বালু উত্তোলন বন্ধ হয়েছে। কিন্তু বালুর চাতাল এখনো রয়ে গেছে। প্রশাসনের কাছে বারবার দাবি জানিয়েও কার্যকর ব্যবস্থা পাচ্ছি না।”

স্থানীয় বাসিন্দা ইকবাল মোল্যা বলেন, “বালুবাহী গাড়ি চলাচলের সময় বালু উড়ে ঘরবাড়িতে ঢুকে পড়ে। এতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়েছে।”

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া নাবিল নামের এক শিক্ষার্থী জানায়, “স্কুলে যেতে ভয় লাগে। বালুর গাড়ি দ্রুতগতিতে চলাচল করে। বালু উড়ে জামাকাপড় নষ্ট হয়। আমরা স্কুলের পাশে বালুর বেড চাই না।”

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বালু ব্যবসায়ী হেমায়েত মোল্যা বলেন, “আমি প্রায় ৩০ বছর ধরে এখানে ব্যবসা করছি। প্রতিপক্ষরা ব্যবসায় ভাগ ও চাঁদা দাবি করেছিল। রাজি না হওয়ায় আমাকে হয়রানির উদ্দেশ্যে মানববন্ধন করা হয়েছে।”

এ বিষয়ে লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাম্মী কায়সার বলেন, উপজেলা প্রশাসন একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করেছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা ও শাস্তিও দেওয়া হয়েছে। পরিবেশ অধিদফতরও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। গ্রামবাসী লিখিত অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মানববন্ধন থেকে দ্রুত বালুর চাতাল অপসারণ এবং নদীভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান এলাকাবাসী।

নড়াইলে নদীভাঙন ও পরিবেশ রক্ষায় বালুর চাতাল অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন

নড়াইল থেকে মামুন মোল্যা

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার মাকড়াইল এলাকায় নদীভাঙন রোধ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে বালুর চাতাল (বেড) অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে মধুমতী নদীর তীরে মাকড়াইল এলাকায় ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন ইকবাল মোল্যা, বাদশা মোল্যা, ওহিদুর মোল্যা, মাস্টার মতিয়ার রহমান মৃধা, ফজলুর রহমান মৃধাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, মধুমতী নদী তীরবর্তী মাকড়াইল, কাশিপুর ও রামচন্দ্রপুর গ্রাম দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। নদী থেকে বালু উত্তোলন এবং তীরে বালুর চাতাল স্থাপনের কারণে ভাঙন আরও তীব্র হয়েছে। এলাকাবাসীর আন্দোলনের মুখে বালু উত্তোলন বন্ধ হলেও মাকড়াইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে স্থাপিত বালুর চাতাল এখনো অপসারণ করা হয়নি।

বক্তারা জানান, চাতাল থেকে পানি চুইয়ে নদীতে পড়ায় নদীর পাড়ের ক্ষয় অব্যাহত রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্থাপিত প্রতিরক্ষা বস্তাগুলোও নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এছাড়া বালুবাহী ট্রাক চলাচলের কারণে বিদ্যালয়ের সামনের সড়ক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে, ফলে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ওহিদুর মোল্যা বলেন, “আমাদের আন্দোলনের মুখে বালু উত্তোলন বন্ধ হয়েছে। কিন্তু বালুর চাতাল এখনো রয়ে গেছে। প্রশাসনের কাছে বারবার দাবি জানিয়েও কার্যকর ব্যবস্থা পাচ্ছি না।”

স্থানীয় বাসিন্দা ইকবাল মোল্যা বলেন, “বালুবাহী গাড়ি চলাচলের সময় বালু উড়ে ঘরবাড়িতে ঢুকে পড়ে। এতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়েছে।”

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া নাবিল নামের এক শিক্ষার্থী জানায়, “স্কুলে যেতে ভয় লাগে। বালুর গাড়ি দ্রুতগতিতে চলাচল করে। বালু উড়ে জামাকাপড় নষ্ট হয়। আমরা স্কুলের পাশে বালুর বেড চাই না।”

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বালু ব্যবসায়ী হেমায়েত মোল্যা বলেন, “আমি প্রায় ৩০ বছর ধরে এখানে ব্যবসা করছি। প্রতিপক্ষরা ব্যবসায় ভাগ ও চাঁদা দাবি করেছিল। রাজি না হওয়ায় আমাকে হয়রানির উদ্দেশ্যে মানববন্ধন করা হয়েছে।”

এ বিষয়ে লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাম্মী কায়সার বলেন, উপজেলা প্রশাসন একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করেছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা ও শাস্তিও দেওয়া হয়েছে। পরিবেশ অধিদফতরও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। গ্রামবাসী লিখিত অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মানববন্ধন থেকে দ্রুত বালুর চাতাল অপসারণ এবং নদীভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান এলাকাবাসী।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com