জালিয়াতির দায়ে জেলে গেছেন দেশের অন্যতম শীর্ষ শিল্পগোষ্ঠি আমান গ্রুপের চেয়ারম্যান ও দুই পরিচালক। তারা হচ্ছেন- গ্রুপটির চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ রফিকুল ইসলাম, পরিচালক মোঃ শফিকুল ইসলাম ও মোঃ তৌহিদুল ইসলাম।
বেসরকারি যমুনা ব্যাংকের এক মামলার প্রেক্ষিতে তাদের জেলে পাঠানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
সূত্র অনুসারে, যমুনা ব্যাংক লিমিটেড রাজশাহী শাখা থেকে মেসার্স আরএসএন্ডটি ইন্টারন্যাশনালের নামে ঋণ নিয়েছিলেন প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী ও আমার গ্রুপের পরিচালক মোঃ তৌফিকুল ইসলাম। বিধি অনুসারে, এই ঋণের বিপরীতে স্থাবর সম্পদ বন্ধক রাখা হয়। আমান গ্রুপের চেয়ারম্যান মোঃ রফিকুল ইসলাম ও পরিচালক মোঃ শফিকুল ইসলাম ওই ঋণের অন্যতম বন্ধকদাতা ও জামিনদার। দীর্ঘদিন ধরে ঋণের কিস্তি শোধ না করায় ব্যাংকটি তাদের বিরুদ্ধে আদালতের শরনাপন্ন হয়। এরই মধ্যে অভিযুক্তরা জালিয়াতির মাধ্যমে বন্ধকী সম্পদ অন্য জায়গায় হস্তান্তর করে দেন।
যমুনা ব্যাংক ওই জালিয়াতির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে (সিআর মামলা নং-২৮ সি/১৯ তারিখ (শাহমুখদুম)। আজ সোমবার (২৩ মে) অভিযুক্ত ব্যক্তিরা রাজশাহীর বিজ্ঞ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জামিন নিতে আসেন। বিজ্ঞ কোর্ট তাদের জামিন না মঞ্জুর করেন এবং জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ প্রদান করেন।
মেসার্স আরএসএন্ডটি ইন্টারন্যাশনালের কাছে যমুনা ব্যাংক লিমিটেডের প্রায় ৮৮.০০ কোটি টাকা পাওনা।
উল্লেখ, আমান গ্রুপের দুটি প্রতিষ্ঠান দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত। কোম্পানি দুটি হচ্ছে-আমান কটন ফাইবার্স ও আমান ফিড লিমিটেড। এদের মধ্যে আমান ফিড লিমিটেডও একটি খেলাপি প্রতিষ্ঠান। এবি ব্যাংকের কাছে ঋণ খেলাপি এই কোম্পানি। কোম্পানিটিকে দেওয়া ঋণের অর্থ আদায় করতে না পেরে এবি ব্যাংক আদালতের শরনাপন্ন হয়েছে। একবার আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে অর্থঋণ আইনের আওতায় কোম্পানিটির কারখানা ভবন ও জমি বিক্রি করার জন্য নিলাম আহ্বান করেছিল এবি ব্যাংক। তবে কোম্পানিটি উচ্চ আদালত থেকে এ নিলামের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আসে।
Design & Developed By: ECONOMIC NEWS
Leave a Reply