রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী পালিত ১২০ সেরা পরিবেশক প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করলো মার্সেল আইএফআইসি ব্যাংক এর “উপশাখা বিজনেস কনফারেন্স ২০২৬-খুলনা অঞ্চল” অনুষ্ঠিত সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না করা ও শপথ গ্রহণ না করা জাতির সঙ্গে প্রতারণার শামিল সৌদিতে পাঠিয়ে খোঁজ নেই দালালের: ৩ মাসেও ইকামা ও কাজ পাননি প্রবাসী সালেহ আহমেদ ডিএসইতে সূচকের উত্থান, তবুও কমল ৭৩৭ কোটি টাকার বাজার মূলধন বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইতে দর পতনের শীর্ষে আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইতে দর বৃদ্ধির শীর্ষে বিডি অটোকারস বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে খান ব্রাদার্স মায়ের ডাকের লাবনীর বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ

বাজেটে আরও কমতে পারে করপোরেট কর

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : সোমবার, ১৬ মে, ২০২২
  • ৬৮ Time View

আগামী অর্থবছরের বাজেটে কমানো হতে পারে কর্পোরেট কর হার। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এবং তালিকাভুক্ত নয়, দুই ধরনের কোম্পানিরই করপোরেট করহার বর্তমানের চেয়ে ১ দশমিক ৭৫ শতাংশ কমতে পারে। এনবিআর সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বিমা খাত ছাড়া আগামী ২০২২-২৩ বাজেটে পুঁজিবাজারে অতালিকাভুক্ত কোম্পানির করহার পৌনে দুই শতাংশ কমিয়ে ২৮ দশমিক ২৫ শতাংশ করা হতে পারে। অপরদিকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির করপোরেট কর হার বর্তমানে সাড়ে ২২ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ দশমিক ৭৫ শতাংশ হতে পারে।

বর্তমানে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত নয়, এমন কোম্পানির করপোরেট করহার ৩০ শতাংশ।

কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান বছর শেষে মুনাফার ওপর যে কর দেয়, সেটাকে করপোরেট কর বলে। বাংলাদেশে বর্তমানে পাঁচটি স্তরে এই কর আদায় করা হয়। সবোর্চ্চ কর হার ৪৫ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন সাড়ে ২২ শতাংশ। এর বাইরে পাট, ডায়মন্ডসহ কয়েকটি খাতে হ্রাসকৃত হারে কর আহরণ হয়।

প্রাক-বাজেট আলোচনায় দেশের শীর্ষ চেম্বারসহ স্থানীয় উদ্যোক্তারা প্রতি বছরই করপোরেট করহার কমানোর দাবি তোলেন। ব্যবসায়ীদেও মতে, কর হার কমলে বিনিয়োগ উৎসাহিত হবে, বাড়বে কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি।

বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে গত পাঁচ অর্থবছর ধরেই এই কপোরেট কর হার ক্রমান্বয়ে কমিয়ে আনা হচ্ছে, যা এক সময় ৪০ শতাংশের বেশি ছিল।

তবে কিছু খাতে করপোরেট কর কমানোর চিন্তা নেই। সিগারেট, জর্দা ও গুলসহ তামাকজাত দ্রব্য প্রস্তুতকারী কম্পানির ৪৫ শতাংশ, পুঁজিবাজারে তালিকাবহির্ভূত মোবাইল ফোন কোম্পানির ৪৫ শতাংশ, তালিকাভুক্ত মোবাইল কোম্পানির ৪০ শতাংশ, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক ও ২০১৩ সালে অনুমোদন পাওয়া নতুন ব্যাংকের ক্ষেত্রে ৩৭.৫ শতাংশ, ২০১৩ সালের আগে অনুমোদন পাওয়া তালিকাবহির্ভূত ব্যাংকের ৪০ শতাংশ, মার্চেন্ট ব্যাংক ও বিমা খাতে ৩৭.৫০ শতাংশ করপোরেট কর অব্যাহত থাকতে পারে।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৪ সালের আয়কর আইনে করদাতা দুই ধরনের। ব্যক্তি শ্রেণি করদাতা এবং কোম্পানি করদাতা। সংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশে ব্যক্তি শ্রেণির চেয়ে কোম্পানি করদাতা কম হলেও এ খাত থেকেই কর বেশি আদায় হয়।

মোট করদাতার মাত্র ২ শতাংশ কোম্পানি করদাতা। একক খাত হিসেবে এখান থেকে মোট আয়কর আদায় হয় ৩৫ শতাংশ। বাকি ৬৫ শতাংশ ব্যক্তি শ্রেণি, উৎসে করসহ অন্যান্য খাত থেকে আদায় করা হয়।

রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানির হিসাবে, দুই লাখের বেশি কোম্পানি থাকলেও নিয়মিত কর দিচ্ছে এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা মাত্র ৩০ হাজার। এখন পর্যন্ত ব্যাংক থেকে সবচেয়ে বেশি করপোরেট কর আদায় হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS