1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ০৪:৩৯ অপরাহ্ন
Title :
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৩১ বিলিয়ন ডলারে সুন্দর, স্বাভাবিক ও বাস্তবমুখী বাজেট উপহার দেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে লেনদেনের শীর্ষে বেক্সিমকো সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দর বৃদ্ধির শীর্ষে বেক্সিমকো সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দরপতনের শীর্ষে ড্যাফোডিল কম্পিউটারস কুমিল্লার প্রথম নারী জেলা প্রশাসক হলেন রোজী আক্তার অর্থনীতি ও ব্যাংকিং খাতের সংস্কারে ৪৫ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক পিএলসি. এর ৪২৮তম বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪; ক্রিকেটার তাসকিন, অভিনেত্রী মিমের সঙ্গে আনন্দঘন সময় কাটালেন ওয়ালটন ফ্রিজ ও এসির ২৪ ক্রেতা ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন পরিদর্শন করেছেন মোহাম্মদ জহির হোসেন

লঞ্চে প্রতিদিন কত যাত্রী উঠে জানেন না বিআইডব্লিউটিএ

  • আপডেট : রবিবার, ১৫ মে, ২০২২, ৭.২৮ পিএম
  • ১৫২ Time View

বরিশাল প্রতিনিধি: লঞ্চের প্রথম তলার খোলা জায়গাকে ডেক বলা হয়। লোহার প্লেটের ওপর এখানে চাদর বিছিয়ে যাত্রা করেন যাত্রীরা। এখানকার যাত্রীদের কারোরই নেই অগ্রিম টিকিট। লঞ্চে ওঠার আগে নয়, মাঝরাত কিংবা গন্তব্যে পৌঁছে, লঞ্চ থেকে নেমে যাওয়ার সময় টিকিট কাটেন তারা। যুগ যুগ ধরে চলছে এ ব্যবস্থা।
যাত্রী জানান, যে কোনো সময়ই টিকিট কাটা যায়। তারা যদি চাপ প্রয়োগ করে, তবে আগে টিকিট কাটবে। কিন্তু টিকিটের জন্য তো সে রকম চাপ প্রয়োগ করা হয় না।

লঞ্চের কেবিন, সোফার জন্য অগ্রীম টিকিট কিনতে হলেও সেগুলোর প্রায় প্রতি সিটে একের অধিক যাত্রী চলাচল করেন। লঞ্চ কর্তৃপক্ষও স্বীকার করেন, কেবিন ও সোফার যাত্রী তালিকা কিছুটা থাকলেও লঞ্চঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়ার সময় ডেকের পরিসংখ্যান থাকে না। সুপারভাইজাররা বলেন, ডেকে কে কোন সময় আসে, তার কোনো ঠিক নেই। তাই লঞ্চ ছাড়ার পর টিকিট কাটা হয়। টিকিট কাটার জন্য আমরা ডেকে যাই।


ধীরে ধীরে টিকিট কাটি। সেখানে কোনো তাড়াহুড়া নেই। অথচ নিয়মানুযায়ী লঞ্চ ছাড়ার আগে, কত যাত্রী উঠল, তা ধারণক্ষমতা অনুযায়ী আছে কি না, বিআইডব্লিউটিএর কাছ থেকে তা ভয়েজ ডিক্লেয়ারেশন নিতে হয়। লঞ্চ কর্তৃপক্ষও ভয়েজ ডিক্লেয়ারেশন নেয়। কিন্তু ডেকের যাত্রী হিসাব না থাকায় গোটা বিষয়টিই হয় অনুমাননির্ভর।
বিআইডব্লিউটিএ একে শুভঙ্করের ফাঁকি বলছে।

বিআইডব্লিউটির বরিশালের যুগ্ম পরিচালক মো. মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, লঞ্চে কী পরিমাণ যাত্রী আছে, সেটার একটা ভয়েজ ডিক্লেয়ারেশন করা হয়। তবে এটার সঙ্গে কিছুটা অসংগতি লক্ষ্য করা যায়। আমরা এ বিষয়ে তাদের সাবধান করেছি যে ভয়েজ ডিক্লেয়ারেশন যথাযথ করেই আমাদেরকে সাবমিট করতে হবে।

স্থানীয় প্রশাসনের আইনশৃঙ্খলা সভাতেও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।জেলা প্রশাসকও মনে করেন, লঞ্চের টিকেটিং সিস্টেমটি আধুনিক করা দরকার।
বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. জসীম উদ্দীন হায়দার বলেন, আমরা সব কিছুরই আধুনিকায়ন করছি। কিন্তু টিকিটিং সিস্টেমটা এখনও পুরনো আমলের রয়ে গেছে। আশা করছি, খুব শিগগিরই তাদের টিকিটিং সিস্টেমের আওতায় নিয়ে আসা যাবে।
তিনি আরো বলেন, দেশের সর্ববৃহৎ যাত্রীবাহী লঞ্চগুলো চলাচল করে ঢাকা বরিশাল রুটে। প্রতিদিন ৮ থেকে ১০টি বিলাসবহুল লঞ্চে অর্ধলক্ষ মানুষ যাতায়াত করে। শুধু তাই নয়, দেশের বিভিন্ন স্থানে লঞ্চ চললেও কোথাও আধুনিক টিকিটিং সিস্টেম নেই। 

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com