1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন
Title :
ডিজিটাল রূপান্তরের নতুন বাস্তবতা আলোচনার মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হলো ১২তম ডিজিটাল সামিট কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে দুইজনের কারাদণ্ড টেকনাফ হ্নীলার নাটমুড়া পাড়ার আইয়ুব- ১৭ হাজার ৭২৫ পিস ইয়াবাসহ হাটহাজারীতে আটক আবারও চট্টগ্রাম ভাসল; মাত্র পৌনে এক ঘণ্টার বৃষ্টিতে চরম ভোগান্তিতে নগরবাসী জীবননগর উপজেলা আইসিটি অফিসারের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে দুই বাসের সংঘর্ষে নিহত-১ স্বপ্নজয়ী সংগঠনের উদ্যোগে বিধবা বৃদ্ধ মা পেলেন ঘর মেম্বারদের অনাস্থা, চেয়ারম্যানের দাবি আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে অপপ্রচার আপনার টিম কি পারফেক্ট শট নিয়েছে? তাহলে ‘শ্যুট অ্যান্ড উইন’-এ অংশ নিতে চলে আসুন অপো স্টোরে! রাঙ্গামাটি জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে -সহ সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ কামাল পাশা

মাধবপুর ন্যায্যমূল্য নেই আউশ ধান নিয়ে বিপাকে কৃষক

  • আপডেট : শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১০.২১ পিএম
  • ৬৬ Time View

লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি 

হবিগঞ্জের মাধবপুরে আউশ ধানের কাঙ্ক্ষিত দাম না পেয়ে হতাশ কৃষকরা। তারা বলছেন, চাষের জন্য প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ ও শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি পাওয়ায় ধানের উৎপাদন খরচ বেড়েছে। এ অবস্থায় বাজারে ধানের দাম কম থাকায় ঠিকমতো উৎপাদন খরচই উঠছে না তাদের। মাধবপুরের অন্যতম বড় ধানের হাট তেলিয়াপাড়া ও মনতলা বাজার। এখানে আমনের দাম মণপ্রতি ১০০ থেকে ১৫০ টাকা কমেছে। শুরুতে প্রতিমণ আমন ধানের বিক্রি ছিল এক হাজার ২০০ টাকা, যা কমে ৯০০ টাকা থেকে এক হাজার টাকায় নেমে এসেছে। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি বস্তা (৮০ কেজি) ধান দুই হাজার ৪০০ টাকা থেকে কমে এক হাজার ৯০০  টাকায় নেমেছে। এবার আউশ আবাদে খরচ বেশি হয়েছে। বাজারে ধানের দামও কম। উৎপাদন খরচ উঠছে না। মনতলা এলাকার কৃষক শহিদুল ইসলাম জানান, কৃষকদের হিসাবে এবার আউশ চাষে বিঘাপ্রতি উৎপাদন ব্যয় হয়েছে বেশি। এক বিঘা জমিতে ধান পাওয়া যাচ্ছে ১০ থেকে ১২ মণ। অর্থাৎ, ৯০০ টাকা মণ ধরলেও এক বিঘায় ধান বিক্রি হচ্ছে ৯ হাজার টাকা।

অথচ গত বছরও এক মণ ধান বিক্রি হয়েছে ১হাজার ২০০ থেকে এক হাজার ৪০০ টাকায়।আপৎকালীন সেই ফসল চাষ করে দাম না থাকার কারণে কৃষকরা বিপদে পড়েছেন। এ ব্যাপারে সরকারের নজর দেওয়া প্রয়োজন। মাধবপুর উপজেলার পরমানন্দপুর গ্রামের কৃষক আব্দুর রহিম জানান, প্রতিবিঘা জমিতে আউশ আবাদ করতে সব মিলিয়ে খরচ হয়েছে আট হাজার টাকা। সেই জমির প্রতিমণ ধান বিক্রি হয়েছে ৯০০ টাকা দরে। এতে তার উৎপাদন খরচই উঠছে না। তেলিয়াপাড়া বাজারের  ধানের আড়তদার দুলাল মিয়া জানান, মিল মালিকরা ঠিকমতো ধান কিনতে শুরু না করায় দাম কমতে শুরু করেছে। ধান কেনার মৌসুমে মিল মালিকরা ধান কেনা কমিয়ে দিয়েছেন। দর কমাতে কৌশল অবলম্বন করেছেন তারা। এ কারণে ধানের দাম কমে গেছে। মাধবপুর খাদ্য কর্মকর্তা রেজাউল ইসলাম জানান, এখন আউশ ধান কাটা-মাড়াইয়ের ভরা মৌসুম। এই সুযোগে এক শ্রেণির ব্যবসায়ী ধান কেনার চাহিদা ইচ্ছাকৃত ভাবে কমিয়ে দিয়েছেন। তাই আপাতত ধানের বাজার পড়ে গেছে। আর সরকারিভাবে আউশ মৌসুমে এখনও ধান কেনার কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com