রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
আরজেএফ’র উদ্যোগে ‘রমজানের পবিত্রতা রক্ষায় গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ভৈরবে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকের ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু হবিগঞ্জ প্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণে মায়ের সংবাদ সম্মেলন    পেশাদার নারী পেইন্টারদের ক্ষমতায়নে বার্জার পেইন্টস ও বাংলালিংকের অংশীদারিত্ব ইসলামী ব্যাংকের বার্ষিক রিস্ক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত এইচএসসির ফল বিপর্যয়ের কারণে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের ১৩ কলেজের পাঠদান সাময়িক স্থগিত কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় অবৈধ ড্রেজারের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান ঈদকে ঘিরে কুমিল্লার দর্জিদের মাঝে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা চুয়াডাঙ্গা সদরের ৮ নং ওয়ার্ড জামায়াতের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত দেশের মানুষের খাদ্য ও জীবন নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন – মোমিন মেহেদী

চট্টগ্রাম বন্দরে যুক্ত হলে সেভেন সিস্টার্সও লাভবান হবে: প্রধান উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : বুধবার, ১৪ মে, ২০২৫
  • ৩৪ Time View

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, চট্টগ্রাম বন্দর শুধু বাংলাদেশের নয়, আশপাশের দেশগুলোর অর্থনীতির জন্যও হৃৎপিণ্ডস্বরূপ। এই বন্দর ব্যবহারের সুযোগ পেলে নেপাল, ভুটান এমনকি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সাত রাজ্যও (সেভেন সিস্টার্স) লাভবান হবে।

বুধবার (১৪ মে) সকালে চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালের (এনসিটি) ৫ নম্বর ইয়ার্ড পরিদর্শনের সময় বন্দর কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘এই বন্দর কেবল বাংলাদেশের হৃৎপিণ্ড নয়, বরং তা হয়ে উঠতে পারে এই অঞ্চলের দেশগুলোর জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল। তাই নেপাল, ভুটান কিংবা সেভেন সিস্টার্স— সবার জন্য এটি একটাই হৃৎপিণ্ড। নেপালের তো সমুদ্রবন্দর নেই, আমাদের এই হৃৎপিণ্ডের মাধ্যমে তাদের চলতে হবে। আমরা সেই সংযোগ তৈরি করতে চাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘হৃৎপিণ্ডে যুক্ত হলে শুধু তারা নয়, আমরাও উপকৃত হবো। এটি কোনো দয়াদাক্ষিণ্য নয়, পারস্পরিক লাভের বিষয়। যারা এই সংযোগ থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন রাখবে, তারাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আমরা চাই সবাই মিলে এই বন্দর থেকে শক্তি গ্রহণ করুক, যেনো অর্থনীতির গতি বাড়ে।’

চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে নিজের শৈশব-কৈশোরের স্মৃতি তুলে ধরে ড. ইউনূস বলেন, ‘এই বন্দর আমার জন্য অপরিচিত কিছু নয়। ছোটবেলায় এখানে বড় হয়েছি, ছাত্রাবস্থায়ও এসেছি জাহাজ দেখতে। তখন দেখতাম, জাহাজ থেকে শ্রমিকেরা কাঁধে করে মাল তুলছে। পরে ক্রেন এলো। সেই পর্যায় পেরিয়ে আজকের আধুনিক বন্দরে রূপ নিয়েছে চট্টগ্রাম।’

তবে বন্দরের অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘সবকিছু পাল্টে গেলেও বন্দরের পরিবর্তন কেন এত ধীরগতি? এটা নতুন প্রশ্ন নয়। চট্টগ্রামবাসী হিসেবে অনেকবার এই ভোগান্তি দেখেছি। রাস্তায় যানজট, ট্রাক ঠাসা, মাল খালাসে বিলম্ব, ট্রেন মিস— এসব সমস্যা পুরনো। এসব ভেবে আগেও লেখালেখি করেছি, এবার দায়িত্বে এসে শুরু থেকেই নজর দিচ্ছি, কীভাবে বন্দরের কার্যকারিতা বাড়ানো যায়।’

বাংলাদেশের অর্থনীতির কাঠামোগত পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে ড. ইউনূস বলেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দরই হলো আমাদের ভরসার জায়গা। এটিকে উপেক্ষা করে দেশের অর্থনীতির নতুন অধ্যায়ে যাওয়া সম্ভব নয়। এই পথ খুলে দিলে অর্থনীতির পথও খুলে যাবে। না খুললে যত চেষ্টা করি, উন্নতির স্বপ্ন অধরাই থেকে যাবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS