সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৩৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দরপতনের শীর্ষে প্রাইম ফাইন্যান্স সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দর বৃদ্ধির শীর্ষে বাংলাদেশ অটোকারস লিমিটেড সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে লেনদেনের শীর্ষে ডমিনেজ স্টিল জ্বালানি সংকটে চরম বিপাকে মাছ ধরার ট্রলার ও জেলেরা : বজলুর রহমান বাবলু রাজধানীতে শ্রীলঙ্কা পর্যটনের বিশেষ মিডিয়া নেটওয়ার্কিং সেশন অনুষ্ঠিত নন-কমিউনিকেবল রোগ সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধি হওয়া দরকার রিকভারি কার্যক্রম জোরদারে যশোর ও রাজশাহীতে প্রিমিয়ার ব্যাংকের টাউন হল মিটিং অনুষ্ঠিত চুয়াডাঙ্গা পৌর বিএনপির ৪ নং ওয়ার্ড সভাপতিকে বহিস্কার ‎সুন্দরবনে ৪ হাজার ফুট ফাঁদসহ হরিণ শিকারিকে আটক করেছে বনবিভাগ শ্রীপুরে মেয়াদোত্তীর্ণ ও স্যাম্পল ওষুধ বিক্রি: ৩ ফার্মেসিকে জরিমানা ‎ ‎​

৪৮ কিলোমিটার দীর্ঘ নতুন একটি বাইপাস সড়ক হচ্ছে ব্যয় ৩৬০০ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : রবিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২২
  • ১৩৩ Time View

গাজীপুরের ভোগরা থেকে নারায়ণগঞ্জের মদনপুর পর্যন্ত ৪৮ কিলোমিটার দীর্ঘ নতুন একটি বাইপাস সড়ক হচ্ছে। পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপে (পিপিপি) হতে যাওয়া এই এক্সপ্রেসওয়ে বাইপাসটি নির্মাণে খরচ হবে প্রায় ৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে এক হাজার ৭৫ কোটি টাকা ঋণ সহায়তা দিচ্ছে সরকারি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফাইন্যান্স ফান্ড লিমিটেড (বিআইএফএফএল)।

আজ রোববার সচিবালয়ে ঋণ সহায়তার আওতায় বিআইএফএফএল ঢাকা বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ে ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডকে প্রথম কিস্তিতে ৪২ কোটি ৫০ টাকার চেক হস্তান্তর করেছে। ঢাকা বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণে চীনা নির্মাণ প্রতিষ্ঠান সিচুয়ান রোড অ্যান্ড ব্রিজ গ্রুপ কর্পোরেশন লিমিটেড (এসআরবিজি) এবং বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠান শামীম এন্টারপ্রাইজ ও ইউডিসি কনস্ট্রাকশন লিমিটেড যৌথভাবে ঢাকা বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ে ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি গঠন করেছে।

চেক হস্তান্তরের সময় সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব নজরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় তিনি বলেন, গাজীপুরের ভোগরা থেকে নারায়ণগঞ্জের মদনপুর পর্যন্ত পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের ভিত্তিতে ৩ হাজার ৫৮৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪৮ কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে। এটি ৮ লেনের সড়ক হবে। চীনের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বাংলাদেশের দুটি প্রতিষ্ঠান একত্রে এই রাস্তায় নির্মাণকাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, ভূমি অধিগ্রহণ ও পরিষেবা স্থানাস্তর কাজের জন্য ৯৫০ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। এ অর্থ সরকার দেবে। চার বছরের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ করার কথা। নির্মাণের পর নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ২১ বছর পর্যন্ত টোল আদায় করতে পারবে।

চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফাইন্যান্স ফান্ড লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম আনিছুজ্জামান, শামীম এন্টারপ্রাইজের শামীম আহমেদ, ক্রেডিট অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ডিপার্টমেন্টের প্রধান শেখ আনোয়ার সাদাতসহ নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS