বিদায়ী সপ্তাহে (১৯ মে-২২ মে) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) পতন হয়েছে। আলোচ্য সপ্তাহজুড়ে সূচক ও লেনদেনের সঙ্গে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জের মোট বাজার মূলধন কমেছে ৬৪ হাজার কোটি টাকার বেশি।
ডিএসই ও সিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা গেছে।
গত সপ্তাহের শুরুতে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের বাজার মূলধন ছিল ৭ লাখ ০১ হাজার ৮২৪ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। সপ্তাহ শেষে বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৫৩ হাজার ৬৬ কোটি ৭২ লাখ টাকায়। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের বাজার মূলধন কমেছে ৪৮ হাজার ৭৫৭ কোটি ৮৪ লাখ টাকা বা ৬ দশমিক ৯৫ শতাংশ।
আলোচিত সপ্তাহে ডিএসইতে ২ হাজার ৭০ কোটি ০২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ৩ হাজার ৮২১ কোটি ৪১ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট। এক সপ্তাহে ডিএসইতে গড় লেনদেন কমেছে ৩২ দশমিক ২৯ শতাংশ।
সপ্তাহ শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক ‘ডিএসইএক্স’ ২০৫ দশমিক ০২ পয়েন্ট কমেছে। বর্তমানে সূচকটি অবস্থান করছে ৫ হাজার ৩১২ পয়েন্টে। সপ্তাহের শুরুতে সূচকটি ছিল ৫ হাজার ৫১৭ পয়েন্টে।
প্রধান সূচকের সঙ্গে ‘ডিএসই এস’ সূচক ৫২ দশমিক ৬২ পয়েন্ট কমেছে। আর ‘ডিএস-৩০’ সূচক কমেছে ৬৬ দশমিক ২৯ পয়েন্ট।
আলোচিত সপ্তাহে ডিএসইতে ৩৮৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ২৮টির। আর ৩৩৮টি কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। এ সময়ে ২০টি কোম্পানির শেয়ারের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
আলোচ্য সপ্তাহে দেশের অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) প্রধান সূচক সিএএসপিআই সূচক কমেছে ৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ এবং সিএসসিএক্স সূচক কমেছে ৩ দশমিক ৮৬ শতাংশ। সূচক অবস্থান করছে যথাক্রমে ১৫ হাজার ৪০৩ দশমিক ৩৭ ও ৯ হাজার ২৬৪ দশমিক ৮৬ পয়েন্টে।
সপ্তাহ ব্যবধানে সিএসইতে লেনদেন কমেছে ৫৮ কোটি ২২ লাখ টাকা। সপ্তাহজুড়ে লেনদেন হয়েছে ১৫৫ কোটি ৮ লাখ টাকা। যা আগের সপ্তাহে ছিল ২১৩ কোটি ৩০ লাখ টাকা।
সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে ৩০৫টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৩৯টির, কমেছে ২৫২টির, আর অপরিবর্তিত রয়েছে ১৪টি কোম্পানির শেয়ার দর।