বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
রবির ৩০তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত বাকেরগঞ্জে সাবেক ইউএনও রুমানা আফরোজকে ঘিরে অপপ্রচার: নিন্দা ও দোষীদের শাস্তির দাবি “দরিদ্রের ভূমি ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হলে সামাজিক ন্যায়বিচার অসম্ভব” সিলেটে বিএনপির নেত্রী ও সাংবাদিক সেজে স্বপ্না ফিজিওথেরাপি ও হিজামা সেন্টারে ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী বিএনপির নাম ভাংগিয়ে লিজের পুকুরের মাছ ধরতে বাধা, চাষিদের উপর হামলা  বাস ও লঞ্চে একচেটিয়া ভাড়া বৃদ্ধি হলে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারী যাত্রী কল্যাণ সমিতির বীরগঞ্জে সাওতাল আদিবাসীদের মন্দির ও কালী প্রতিমা ভাংচুর এবং তির বৃদ্ধের ঘটনায় গ্রেফতার- ২ রাঙ্গামাটিতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬ উপলক্ষে কেন্দ্র পরিদর্শন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণে জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপার ‎সুন্দরবনের বনদস্যু সামাদ মোল্লা আটক, অস্ত্র-গুলি উদ্ধার ‎ “সুস্থ জীবন, আজকের সচেতনতা, আগামী সুরক্ষা” ক্যাম্পেইনের আওতায় ক্যান্সার সচেতনতা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে, সতর্ক থাকুন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : রবিবার, ৭ মে, ২০২৩
  • ২৬০ Time View

বাংলাদেশে কিছুদিন ধরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ বাড়ছে, তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। বলেন, ডেঙ্গু সংক্রমণ থেকে মুক্ত থাকতে সজাগ থাকার পাশাপাশি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে।

রোববার (৭ মে) দুপুর ১২টায় রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে বিশ্ব টিকাদান সপ্তাহের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে মশার কামড় থেকে মুক্ত থাকতে হবে। আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। বাসাবাড়ির ছাদ, আঙিনায় যেন পানি জমে না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

টিকাদান কার্যক্রম প্রসঙ্গে জাহিদ মালেক বলেন, ‘প্রতিবছরের মতো এ বছরও বিশ্বজুড়ে টিকাদান সপ্তাহ পালিত হয়েছে। আমরা প্রতিবছর আড়াই কোটি শিশুকে টিকা দিয়ে থাকি, সব মিলিয়ে প্রায় ১০টিরও বেশি অসুখের টিকা দেয়া হয়ে থাকে। এই প্রোগ্রামের জন্য ১ লাখ ২০ হাজার সেন্টার করে থাকি। এ ছাড়াও আমরা ১৫ থেকে ৪৯ বছরের নারীদের টিকা দিয়ে থাকি। তাদেরও ১০ রকমের রোগের টিকা দেয়া হয়।’

টিকা নেয়ায় সফলতার তথ্য তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে ৯৫ শতাংশ শিশু টিকার আওতায় এসেছে, যা ২০০১ সালেও ছিল ৫২ শতাংশ। আর নারীদের মধ্যে টিকার হার ৮০ শতাংশ। টিকায় আমাদের অনেক সফলতা আছে, সফলতার স্বীকৃতি পেয়েছি অনেক। বড় স্বীকৃতি হলো আমাদের প্রধানমন্ত্রী ভ্যাকসিন হিরো হয়েছেন। এই টিকার কারণেই আমরা এসডিজি অর্জন করেছি। টিকার কারণে শিশু ও মাতৃমৃত্যু হার কমেছে। টিকা এখানে বড় অবদান রেখেছে। আমাদের গড় আয়ু ৭৩, স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়েও ৫০ ছিল।’

জাহিদ মালেক বলেন, ‘বর্তমানে দেশে প্রায় ৭০০টি স্থায়ী ও ১ লাখ ২০ হাজার অস্থায়ী টিকাকেন্দ্রের মাধ্যমে শিশু ও নারীদের সরকারিভাবে সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে ১০টি মারাত্মক সংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে জীবন রক্ষাকারী টিকা প্রদান করা হয়ে থাকে। এ ছাড়া আরও কয়েকটি টিকা অচিরেই নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে যুক্ত হতে চলেছে, যার মধ্যে এইচপিডি টিকা অন্যতম। যার সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমরা আমাদের নারীদের জরায়ুমুখের ক্যানসারের মতো দুরারোগ্য ব্যাধি থেকে সুরক্ষা দিতে পারব।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মুহাম্মদ খুরশীদ আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের মহাপরিচালক সাহান আরা বানু, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ডা. বরদান জুং রানাসহ অনেকে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS