সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
পীর হত্যাসহ চলমান মব বন্ধের দাবিতে প্রদীপ প্রজ্জলন ও কালো পতাকা প্রদর্শন দিনাজপুরে ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ নোয়াখালীতে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত মাদানী এভিনিউতে বিওয়াইডি -এর নতুন শোরুম উদ্বোধন: বাংলাদেশে নিউ এনার্জি ভেহিকল সম্প্রসারণে আরেকটি পদক্ষেপ ‎সুন্দরবন ও উপকূলীয় এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে কোস্ট গার্ডের সাঁড়াশি অভিযান ‎ সুনামগঞ্জ বেসরকারি ক্লিনিক উদ্বোধনে সিভিল সার্জন, পক্ষপাত্বিতের আভাস। পাহাড় মেতেছে বিজুর আমেজে-নদীতে ফুল অর্পণের মধ্য দিয়ে পাহাড়িদের ঐতিহ্যবাহী উৎসব শুরু সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দরপতনের শীর্ষে তুং হাই নিটিং সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দর বৃদ্ধির শীর্ষে স্টান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে লেনদেনের শীর্ষে খান ব্রাদার্স

এক ধাক্কায় ৩ নম্বর ধনী থেকে ৩৮ নম্বরে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
  • ১৬৩ Time View

বিশ্বের শীর্ষ ধনীর তালিকায় আরও নিচে নেমে গেলেন ভারতের ধনকুবের গৌতম আদানি। ফোর্বস ম্যাগাজিনের  তালিকায় এখন ৩৮ নম্বর অবস্থানে তিনি। ফোর্বসের রিয়েল-টাইম ট্র্যাকার অনুসারে, আদানির মোট সম্পদের পরিমাণ ৩৩.৪ বিলিয়ন ডলার।

এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া।

গত ২৪ জানুয়ারি ছোট এক মার্কিন গবেষণা সংস্থা হিনডেনবার্গ রিসার্চের প্রতিবেদনে প্রকাশিত হওয়ার পর আদানি গোষ্ঠীর শেয়ারদর কমছেই। তার জেরে কমছে গৌতম আদানির ব্যক্তিগত সম্পদমূল্য।

হিনডেনবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আদানি গ্রুপ স্টক ও হিসাবের বিষয়ে জালিয়াতি করেছে। তাদের ভাষ্য, আদানি গ্রুপ ভুল তথ্য দিয়ে বাজারকে প্রভাবিত করেছে। এর মাধ্যমে তারা বাজারে নিজেদের শেয়ারের দাম বাড়িয়েছে। এই প্রতিবেদনে প্রকাশিত হওয়ার পর রীতিমতো ঝড় বয়ে যায় আদানির সাজানো সাম্রাজ্যে।

আদানি তার সাম্রাজ্য টিকে যাওয়ার ব্যাপারে এখনও তীব্র আশাবাদী। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, খুচরা বাজারে শেয়ার বিক্রি বাতিল করার সিদ্ধান্ত তার গ্রুপের বিদ্যমান কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার ওপর কোনো প্রভাব ফেলবে না। তিনি বলেন, ‘কোনো রেটিং এজেন্সি এখনও আমাদের ঋণ পুনর্মূল্যায়ন করেনি। হিন্ডেনবার্গের অভিযোগের ফলে এখনও বিশ্বব্যাপী স্টকমার্কেট সূচকগুলো থেকে আদানিকে বাদ দেয়নি।’

উল্লেখ্য, ১৯৮০-এর দশকে ব্যবসা শুরু করা গৌতম আদানির মালিকানায় আছে সমুদ্রবন্দর, বিমানবন্দর, বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী কোম্পানি। সেই সঙ্গে আছে কয়লা আমদানির অনুমোদন। আদানির নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠানগুলো ভারতের চাহিদার এক-তৃতীয়াংশের বেশি কয়লা আমদানি করে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS