সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:৫৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
জেআইসি সেলে গুম–নির্যাতন: শেখ হাসিনাসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু আজ যশোর অঞ্চলে টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় চুয়াডাঙ্গায় কৃষি প্রযুক্তি প্রদর্শন মেলা অনুষ্ঠিত বড়লেখা উপজেলার আমেরিকা প্রবাসী আ. লীগ নেতা মিজান, দেশে প্রত্যাবর্তনে হয়ে গেলেন বিএনপি পারুলিয়ায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল আয়োজিত হলো নারী নেতৃত্ব ও ক্ষমতায়ন বিষয়ে সংলাপ আমদানী পর্যায়ে সংগৃহিত আয়কর স্বয়ংক্রিয়ভাবে করদাতার ই-রিটার্ন ক্রেডিট দেয়ার ব্যবস্থা চালু হলো কিশোরগঞ্জে প্রধান শিক্ষক ছাড়াই চলছে ৫৭ প্রাথমিক স্কুল, ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান পুঁজিবাজার সংস্কারের তিন ভিত্তি ২০২৫ সালের মধ্যেই সম্পন্ন: বিএসইসি চেয়ারম্যান বিভাগীয় পর্যায়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও সংস্কৃতি প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে কমিউনিটি ব্যাংকের টিডিএফ উদ্যোক্তাদের রিফাইন্যান্সিং সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর

জুমার দিন রোজা রাখা যাবে?

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ৩৬০ Time View

নিঃসন্দেহে জুমা সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন। এদিনের সওয়াব-মর্যাদা ঈদুল ফিতর ও আজহার মতো। মুসলমানদের কাছে এ দিন অপরিসীম ফজিলতের। আল্লাহ তাআলার কাছে জুমার গুরুত্ব এত বেশি যে, পবিত্র কোরআনে ‘জুমা’ নামে একটি সুরা নাজিল করা হয়েছে।

নবী কারিম (সা.) বলেন- যে দিনগুলোতে সূর্য উদিত হয়, ওই দিনগুলোর মধ্যে জুমার দিন সর্বোত্তম। ওই দিন আদমকে (আ.) সৃষ্টি করা হয়েছে। ওই দিন তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয় এবং ওই দিনই তাকে জান্নাত থেকে বের করে দেওয়া হয়। আর ওই দিনই কিয়ামত অনুষ্ঠিত হবে।

জুমার দিন তাড়াতাড়ি এবং সবার আগে মসজিদে যাওয়ার অনেক ফজিলত রয়েছে। হাদিসে এসেছে, জুমার দিন জুমার নামাজের জন্য যে যত তাড়াতাড়ি মসজিদে আসবে সে তত বেশি সওয়াব পাবে।

এ বিষয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যখন জুমার দিন আসে ফেরেশতারা মসজিদের দরজায় দাঁড়িয়ে প্রথম থেকে পর্যায়ক্রমে আগন্তুকদের নাম লিখতে থাকে। যে সবার আগে আসে সে ওই ব্যক্তির মতো যে একটি উট সদকা করে। তারপর যে আসে সে ওই ব্যক্তির মতো যে একটি গাভী সদকা করে। তারপর আগমনকারী মুরগি সদকাকারীর মতো। তারপর আগমনকারী একটি ডিম সদকাকারীর মতো। এরপর যখন ইমাম খুতবা দিতে বের হন, তখন ফেরেশতারা তাদের দফতর বন্ধ করে দেন এবং মনোযোগ দিয়ে খুতবা শুনতে থাকেন।’ (বুখারি, হাদিস: ৮৮২)

জুমার দিন কেউ রোজা রাখতে চাইলে পারবে। কিন্তু যদি কেউ শুধু জুমার দিনকে রোজা রাখার জন্য নির্দিষ্ট করে নেয় তাহলে তা উচিত হবে না। আলেমদের মতে, জুমার দিনে রোজা রাখা নিষেধ নয় তবে এককভাবে জুমার দিনকে রোজা রাখার জন্য নির্দিষ্ট করাও উচিত নয়।

হজরত আবু হুরায়রাহ (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, জুমার দিন কেউ যেন রোজা পালন না করে। কিন্তু যদি কেউ জুমার দিনের আগে বা পরে একদিন রোজা পালন করে তাহলে সে জুমার দিন রোজা পালন করতে পারে। ( মেশকাতুল মাসাবিহ, ১৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৫০)

এই হাদিসের মাধ্যমে বুঝানো হয়েছে, কোনো মুসলিম ব্যক্তির জন্য এটা জায়েজ নয় যে, সে শুধু শুক্রবারে বা জুমার দিনে রোজা রাখবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS