1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০১:২১ পূর্বাহ্ন
Title :
যমুনা ব্যাংক পিএলসির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন মো. মাহমুদুল হক ডিজিটাল সেবার অভিজ্ঞতায় নতুন মাত্রা যোগ করতে আসছে বাংলালিংকের ‘মুক্ত’ চুয়াডাঙ্গায় সপ্তাহব্যাপী নজরুল উৎসবের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত সাংবাদিকের মায়ের পরলোকগমণে প্রতিমন্ত্রী সহ বিভিন্ন সংগঠনের শোক জরুরি প্রয়োজনে এক কিস্তির সমপরিমাণ অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন ওয়ালটন প্লাজার ক্রেতারা মাউলীতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের কৃষিপণ্য রপ্তানি বাড়াতে নতুন অর্থায়ন মডেল গড়ে তুলছে আইএফআইসি ব্যাংক ও সুইসকন্ট্যাক্ট জাতীয় সংসদ ভবনে সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও স্পীকারের সাথে গ্লোবাল এভিয়েশন এন্ড ট্যুরিজম জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন (গ্যাটজা)-এর নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের চতুর্থ চালান এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, অনলাইনে ও এসএমএসে যেভাবে জানবেন

জুলাইয়ে ১৮০ মিলিয়ন ডলার ঋণ, পরিশোধ ৪৫৩ মিলিয়ন ডলার

  • আপডেট : সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ২.০১ পিএম
  • ১৭৫ Time View

বাংলাদেশে নতুন যে পরিমাণ বৈদেশিক ঋণ আসছে, তার চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি অর্থ চলে যাচ্ছে পুরোনো ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত ঋণের চেয়ে ২৭৩ দশমিক ০৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বেশি পরিশোধ করতে হয়েছে বাংলাদেশকে।

রোববার (৩০ আগস্ট) অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে বাংলাদেশকে ১৮০ দশমিক ১৮ মিলিয়ন ডলার বৈদেশিক ঋণ ছাড় করেছে উন্নয়ন সহযোগীরা। তবে একই সময়ে আগে নেওয়া ঋণের আসল ও সুদ বাবদ বাংলাদেশ পরিশোধ করেছে ৪৫৩ দশমিক ২৩ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, ছাড় হওয়া ঋণের বিপরীতে প্রায় আড়াই গুণ অর্থ পরিশোধে চলে গেছে।

ইআরডির তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত অর্থবছরের (২০২৫-২৬) জুলাইয়ে বৈদেশিক ঋণ ছাড় হয়েছিল ২০৮ দশমিক ০৪ মিলিয়ন ডলার। সে তুলনায় চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসে ঋণ ছাড় কমেছে ১৩ দশমিক ৩৯ শতাংশ। নতুন ঋণপ্রবাহ থমকে যাওয়া এবং ছাড়ের গতি ধীর হওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার নিট প্রবাহে এর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

নতুন অর্থছাড় কমলেও পুরোনো ঋণের বোঝার ওপর চাপ কমেনি। গত অর্থবছরের জুলাইয়ে বাংলাদেশ বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করেছিল ৪৪৬ দশমিক ৬৮ মিলিয়ন ডলার। চলতি অর্থবছরের একই সময়ে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৫৩ দশমিক ২৩ মিলিয়ন ডলারে। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে একই সময়ে ঋণ পরিশোধের পরিমাণ বেড়েছে প্রায় ৪ শতাংশ।

উল্লেখ্য, আগের নেওয়া বৃহৎ প্রকল্পগুলোর আসল ও সুদের কিস্তি পরিশোধের সময় বা গ্রেস পিরিয়ড শেষ হয়ে আসায় ঋণ পরিশোধের চাপ প্রতিনিয়ত বাড়ছে। বিপরীতে নতুন প্রকল্পের অর্থছাড় প্রত্যাশিত হারে না হওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও সার্বিক অর্থপ্রবাহের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com