1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন
Title :
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে লেনদেনের শীর্ষে বেক্সিমকো সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দর বৃদ্ধির শীর্ষে বেক্সিমকো সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দরপতনের শীর্ষে ড্যাফোডিল কম্পিউটারস কুমিল্লার প্রথম নারী জেলা প্রশাসক হলেন রোজী আক্তার অর্থনীতি ও ব্যাংকিং খাতের সংস্কারে ৪৫ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক পিএলসি. এর ৪২৮তম বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪; ক্রিকেটার তাসকিন, অভিনেত্রী মিমের সঙ্গে আনন্দঘন সময় কাটালেন ওয়ালটন ফ্রিজ ও এসির ২৪ ক্রেতা ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন পরিদর্শন করেছেন মোহাম্মদ জহির হোসেন কমিউনিটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ৭৮তম সভা অনুষ্ঠিত রহিমআফরোজ ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেডের নতুন RZ Solar IPS উন্মোচন

চলতি মৌসুমে বরিশাল বিভাগে আমনের উচ্চ ফলন হলেও দাম নিয়ে শঙ্কা কাটছে না কৃষকের

  • আপডেট : রবিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৬, ১১.৩০ এএম
  • ১৯০ Time View

চলতি মৌসুমে সোনালি ধানে ভরে উঠেছে বরিশাল বিভাগ। এরই মধ্যে বেশির ভাগ ধান কেটে ঘরে তুলেছেন কৃষক।

সোনালি ধানে ভরে উঠেছে বরিশাল বিভাগ। এরই মধ্যে বেশির ভাগ ধান কেটে ঘরে তুলেছেন কৃষক। অনুকূল আবহাওয়া, সময়মতো বৃষ্টিপাত ও বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না থাকায় এবার উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে। তবে খাদ্য উৎপাদনে ইতিবাচক বার্তা মিললেও মাঠপর্যায়ে ধানের প্রত্যাশিত দাম নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন কৃষক।

তারা বলছেন, অনেক বছর পর এমন ফলন পেলেও বাজারে নতুন ধান ওঠার সঙ্গে সঙ্গে দাম কমতে শুরু করেছে। বাজারে মানভেদে প্রতি মণ ধান বিক্রি হচ্ছে ১০০০-১১০০ টাকায়। গত মৌসুমেও একই দামে বিক্রি হয়েছে। তবে এ বছর প্রতি মণ ধান উৎপাদনে খরচ হয়েছে ৮০০-৯০০ টাকা। এর সঙ্গে পরিবহন খরচ যুক্ত করলে কৃষকের লাভের পরিমাণ কমে আসবে। সামনের দিকে দাম কমে গেলে লোকসান গুনতে হবে তাদের।

কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকার সময়মতো ধান সংগ্রহ কার্যক্রম জোরদার করলে পূর্ণ সুফল কৃষকের ঘরে পৌঁছবে, যা দেশের খাদ্যনিরাপত্তায় বড় ভূমিকা রাখবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে, চলতি বছর বরিশালের ছয় জেলায় আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭ লাখ ২ হাজার ১৩৫ হেক্টর জমি। এর বিপরীতে আবাদ হয়েছে ৭ লাখ ২৫৮ হেক্টর জমিতে। প্রায় ৪০ শতাংশ জমির ধান কাটা শেষ হয়েছে।

কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরগুনা—ছয় জেলাতেই আমনের ফলন গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। অনেক এলাকায় প্রতি বিঘায় ধান উৎপাদন বেড়েছে ১৫-২৫ শতাংশ পর্যন্ত। বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না থাকায় ধানের শীষ ভালোভাবে ভরেছে। ফলে প্রতি বিঘায় ফলনও সন্তোষজনক। এ বছর বৃষ্টি সময়মতো হয়েছে, খরা বা বড় ধরনের বন্যা হয়নি। পাশাপাশি উন্নত জাতের ধান ও আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতির কারণে ফলন বেড়েছে। সামগ্রিকভাবে এটি একটি সফল আমন মৌসুম।

ধানের উচ্চফলনে কৃষক খুশি হলেও বাজার দাম নিয়ে কিছুটা শঙ্কা রয়েছে। অনেক এলাকায় নতুন ধান ওঠার সঙ্গে সঙ্গে দাম কিছুটা কমতে শুরু করেছে। যদি সরকারিভাবে সময়মতো ধান সংগ্রহ করা হয়, তাহলে ন্যায্যমূল্য পাবেন বলে জানিয়েছেন কৃষক।

এ ব্যাপারে বরিশাল বিভাগীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক ড. মো. নজরুল ইসলাম সিকদার বলেন, ‘সব মিলিয়ে চলতি মৌসুমে বরিশাল বিভাগের ছয় জেলায় আমনের উচ্চফলন কৃষি অর্থনীতির জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা। এখন প্রয়োজন সঠিক বাজার ব্যবস্থাপনা ও সরকারি সহায়তা, যাতে মাঠের সাফল্য কৃষকের জীবনেও বাস্তব সুফল বয়ে আনে।’

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com