আজ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। তরুণ-তরুণী শুধু নয়, নানা বয়সের মানুষের ভালোবাসার বহুমাত্রিক রূপ প্রকাশের আনুষ্ঠানিক দিন আজ। ভালোবাসা এমন এক চেতনা, যা জীবনের প্রতিটি দিনে, প্রতিক্ষণে অনুভূত ও উদযাপিত হওয়া
তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪ হাজার ছাড়িয়েছে। ধ্বংসস্তূপ থেকে এখনও লাশ বের করছে উদ্ধারকারীরা। সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সর্বশেষ নিহতের সংখ্যা ৩৪ হাজার ১৭৯ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে
তুরস্ক ও সিরিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের রেশ না কাটতেই এবার ভূমিকম্প আঘাত হানল ভারতে। দেশটির সিকিম রাজ্যের ইয়ুকসম শহরে সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৪টা ১৫ মিনিটে আঘাত হানে ভূমিকম্পটি। প্রাথমিকভাবে এতে
ভয়াবহ ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত তুরস্ক ও সিরিয়ায় অবস্থানরত ব্যক্তিদের কাছে বিনা মূল্যে কল করার সুবিধা দিয়েছে গ্রামীণফোন। আগামী তিন দিনের জন্য গ্রামীণফোন এই সুবিধা চালু করেছে বলে জানা গেছে। রোববার (১২
তুরস্কে ভূমিকম্প কবলিত এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি ঘটেছে। ব্যাপক লুটপাট ও সহিংসতার ঘটনাও ঘটেছে এসব অঞ্চলে। সহিংসতার মুখে উদ্ধার কাজ স্থগিত করেছে জার্মানি ও অস্ট্রিয়ার উদ্ধারকর্মীরা। তবে দেশটির সরকার
তুরস্ক-সিরিয়া সীমান্তে সংঘটিত ৭.৮ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পের ৬ দিন পেরিয়েছে। সময় যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কমছে ধ্বংস্তূপের নিচে আটকেপড়াদের জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা। বিপরীতে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃতদেহ উদ্ধারের সংখ্যা। এখন পর্যন্ত
তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পের ৬ দিনের মাথায় নিহতের সংখ্যা ২৮ হাজার ছাড়ালো। ধ্বংসস্তুপে আটকে পড়াদের জীবিত উদ্ধার করতে এখনো অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা। স্থানীয় সময় শনিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) অনুসন্ধান
তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভূমিকম্পের ১২৯ ঘণ্টা পর পাঁচ সদস্যের পরিবারকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তুরস্কের গাজিয়ানতেপ প্রদেশের নুরদাগ শহরের একটি ভবনের ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিবারটিকে বের করে আনে উদ্ধারকর্মীরা। এ সময়
তুরস্ক এবং সিরিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পের রেশ কাটতে না কাটতেই একদিনের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে ইন্দোনেশিয়া। শনিবার দেশটির তালাউদ দ্বীপপুঞ্জের কাছে রিখটার স্কেলে ৬ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।
প্রচলিত আছে, রক্তের সম্পর্ক না থাকলেও পৃথিবীর কোনো না কোনো প্রান্তে একই রকম দেখতে দুজন মানুষের দেখা মেলে। আগেও এমন অনেক ঘটনা সামনে এসেছে। তবে এবারের বিষয়টি কিছুটা ভিন্ন। কারণ,