করোনা মহামারী মোকাবিলায় সারাবিশ্বে ঋণের বোঝা বেড়েছে। উন্নত দেশগুলো মানুষকে সরাসরি নগদ সহায়তা দিয়েছে। কিন্তু আমাদের দেশে তেমনটা হয়নি, তা সত্ত্বেও দেশে সরকারের ঋণ গত ১০ বছরে অব্যাহতভাবে বেড়েছে। তবে
শ্রীলঙ্কার বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঋণ পরিশোধে এক বছর সময় বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রোববার (০৮ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে,
করোনা মহামারি পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর থেকেই আমদানিতে জোয়ার বইছে। রফতানি আয় বাড়লেও সেই তুলনায় বাড়ছে না। এতে রেকর্ড পরিমাণ বাণিজ্য ঘাটতি (আমদানি ও রফতানির মধ্যে ব্যবধান) তৈরি হয়েছে। চলতি
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ধান উঠতে শুরু করলেও চালের বাজারে প্রভাব পড়েনি। এখনও খুচরা দোকানে উচ্চ মূল্যেই বিক্রি হচ্ছে চাল, যা সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। বিক্রেতাদের আশা, আগামী সপ্তাহে হাটে আসতে
করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর থেকে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আমদানি ব্যয়। সেই তুলনায় বাড়ছে না রেমিট্যান্স এবং রফতানি আয়। ফলে মাত্রাতিরিক্ত আমদানি ব্যয় পরিশোধ করতে গিয়ে বাংলাদেশের বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন বলছে, রমজান মাসেই প্রবাসীরা ২’শ কোটি ৯৫ লাখ ডলারের রেমিটেন্স পাঠিয়েছে যা বাংলাদেশি টাকায় ১৭ হাজার ৩৬২ কোটি টাকা (এক ডলার সমান ৮৬ টাকা ৪০ পয়সা
ঈদের আগে অব্যাহতভাবে বাড়ছে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স। চলতি এপ্রিল মাসের ২৭ দিনেই ১৮২ কোটি ২০ লাখ (১.৮২ বিলিয়ন) ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। বর্তমান বিনিময় হার হিসাবে (প্রতি ডলার ৮৬ টাকা ৪৫
ঈদযাত্রার গত ২৪ ঘণ্টায় বঙ্গবন্ধু সেতুতে ৩ কোটি ১৮ লাখ ৮ হাজার টাকা টোল আদায় হয়েছে। এই সময়ে সেতু দিয়ে পারাপার হয়েছে ৪২ হাজার ১৯৯টি যানবাহন। স্বাভাবিক অবস্থায় প্রতিদিন গড়ে
দেশের বিভিন্ন পৌরসভায় অবসরে যাওয়া ৯৯৫ জন কর্মচারীর বেতন-ভাতাসহ মোট ১৯৩ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। পাওনা টাকার জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোনো কাজ হচ্ছে না। ফলে মানবেতর জীবন-যাপন করছে ভুক্তভোগীদের
দেশের মুদ্রাবাজারে বেড়েই চলছে তারল্য সঙ্কট। প্রায় সব ব্যাংকেই এ সঙ্কট ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে। ফলে মুদ্রাবাজার থেকে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রধান চার ব্যাংককেও ধার করতে হচ্ছে। অথচ ওই ব্যাংকগুলোই সঙ্কটের সময়