ব্যাংক খাতের খেলাপি ঋণের পরিমাণ বাড়ছে আশঙ্কাজনক হারে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর শেষে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৩৯৬ কোটি টাকা। তিন মাস আগে জুলাইতে খেলাপি
ডলার সংকট কোনোভাবেই থামানো যাচ্ছে না। ধারাবাহিকভাবে কমছে প্রবাসী আয়। নভেম্বরের প্রথম দুই সপ্তাহে রেমিট্যান্স এসেছে ৬৫ কোটি ৮৫ লাখ ডলার। যা গত মাসের একই সময়ের চেয়ে ১১ কোটি ১৩
বাংলাদেশকে ২৫ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশি মুদ্রায় এ অর্থের পরিমাণ ২ হাজার ৬৭৫ কোটি টাকা। ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে এক বিলিয়ন ডলার ঋণ চেয়েছিল বাংলাদেশ।
ব্যাংকের আমানত নিয়ে চিন্তিত হওয়ার কারণ নেই। কোনো গ্রাহককে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আবুল কালাম আজাদ। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে কোনো ব্যাংক বন্ধ হয়নি। ভবিষ্যতেও
বিশ্বব্যাপী প্যাকেজিং, প্রিন্টিং এবং প্রকাশনা খাতের সম্মিলিত বাজার প্রায় এক হাজার ৫৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর ১ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারলে এ খাতের রপ্তানি ছাড়াবে ১৫ বিলিয়ন ডলার। বিশাল
দেশের বাজারে বাড়ছে স্বর্ণের দাম। সবচেয়ে ভাল মানের স্বর্ণের দাম ভরিতে ২ হাজার ৩৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৮২ হাজার ৪৬৪ টাকা হয়েছে। যা এতদিন ছিল ৮০ হাজার ১৩২ টাকা। আগামীকাল রোববার
করোনা পরবর্তী ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ক্রেডিট গ্যারান্টি স্কিমের আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংক ২ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠন করেছিলো। এখন পর্যন্ত এই তহবিল থেকে মাত্র ১৯২ কোটি টাকা বা ৯ দশমিক
মূল্যবৃদ্ধি, বাড়তি সুদের হার আর সঙ্গে শ্লথ বিশ্ব অর্থনীতি। এই তিনে গতি কমছে ভারতীয় অর্থনীতিরও। এ অবস্থায় মূল্যায়ন সংস্থা মুডিজ ইনভেস্টর্স সার্ভিস ফের ভারতের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির প্রবৃদ্ধির
সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বাজারে বেড়ে চলছে নিত্যপণ্যের দাম। যাতে নাজেহাল ভোক্তা। সাত দিনে লবণ-চিনিসহ ১৫ পণ্যের দাম বেড়েছে। অন্য পণ্যগুলো হলো-ডাল, আটা, ময়দা, ভোজ্যতেল, আদা, রসুন, শুকনা মরিচ, হলুদ,
ডলার কারসাজি করে দাম বাড়াচ্ছে অবৈধ মানি চেঞ্জারগুলো। অনেক প্রতিষ্ঠান হুন্ডির সাথেও জাড়িত। এমন পরিস্থিতিতে আর্থিক ও আইনগত ঝুঁকি এড়াতে বৈধ ২৩৫টি মানি চেঞ্জারের হালনাগাদ তালিকা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।