1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৮:৪৬ অপরাহ্ন
Title :
কুড়িগ্রামের চর রাজিবপুর উপজেলায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অনুষ্ঠিত হয়েছে কুমিল্লায় বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতির গুণিজন সম্মাননা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত সাপ্তাহিক দর পতনের শীর্ষে উঠে এসেছে বেক্সিমকো সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে এনসিসি ব্যাংক সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে শ্যামপুর সুগার মিলস ওয়ালটনের নতুন স্মার্ট ফোন ‘য্যানন এক্স২২ ৫জি’ বাজারে বাংলাদেশ কার্গো ভেসেল ওনার্স এসোসিয়েশন এর ক্ষতিগ্রস্থ সাধারণ জাহাজ মালিকবৃন্দ ১০ দফা দাবিতে মানববন্ধন নবীনগরে স্বঘোষিত শিল্পপতিসহ একাধিক জনের নামে হত্যা মামলা স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক এর এক্সিকিউটিভ কমিটির ১৫০তম সভা অনুষ্ঠিত মে মাসে ৬১৩ সড়ক দুর্ঘটনায় ৬২২ জন নিহত আহত ১৬৫২ : যাত্রী কল্যাণ সমিতি

মায়ের লাশ আটকে রেখে দুই ছেলেকে পুলিশে দিল ইন্টার্ন চিকিৎসকরা

  • আপডেট : রবিবার, ১০ এপ্রিল, ২০২২, ৮.৪০ পিএম
  • ২২৩ Time View

খুলনা জেলা প্রতিনিধি: খুলনায় চিকিৎসকের অবহেলায় মায়ের মৃত্যু হয়েছে এমন অভিযোগ এনে ইন্টার্ন চিকিৎসক সঙ্গে বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় মৃতের দুই ছেলেকে পুলিশে দিয়েছেন চিকিৎসকরা। শনিবার ভোর রাত ৩টার দিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে এই ঘটনা ঘটে।

এ দিকে হাসপাতাল কৃর্তপক্ষ লাশ আটকে রেখেছে বলে দাবি করেছে মৃতের পরিবার।

মৃত পিয়ারুন্নেছা (৫৫) মহানগরীর দৌলতপুরের পাবলা কারিকর পাড়ার মাওলানা আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী।

মৃতের স্বামী মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমার স্ত্রীর বুকে ব্যাথা ও পায়খানা-প্রসাব না হওয়ায় শুক্রবার রাতে মেডিকেল হাসপাতালের ভর্তি করা হয়। ওই রাতে তাকে চিকিৎসা দেয়া হয়। শনিবার রাতে আমার স্ত্রীর অবস্থা গুরুতর হলে আমার ছেলে চিকিৎসকদের ডাকতে যায়, কিন্তু কোনো চিকিৎসক আসেনি উল্টো রোগীকে নিয়ে যেতে বলে। ছেলে বলে রোগীকে কী করে আনবো তিনি তো অসুস্থ, আনা সম্ভব নয়। ডাক্তার তখন কাগজপত্র আনতে বলেন। কাগজপত্র দেখে ইন্টার্ন চিকিৎসক বলেন সব তো ঠিক আছে। এরপর রাতে ছটফট করতে করতে আমার স্ত্রী মারা যায়।

মায়ের এমন মৃত্যুতে আমার ছেলে মো. মোস্তাকিম গিয়ে ডাক্তারের কাছে জানতে চান তারা কেন দেখতে আসলেন না। এ নিয়ে ছেলের সঙ্গে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতি হয় চিকিৎসকের। আমি যখন জানতে পারি গিয়ে হাত পায় ধরে মাফ চাই। এসময় একজন ইন্টার্ন চিকিৎসক আমাকে আঘাত করেন। অপর দুই ছেলে মো. তরিকুল ইসলাম কাবির ও সাদ্দাম হোসেনকে পুলিশে দিয়ে দেন। তারা বর্তমানে সোনাডাঙ্গা থানায় আটক রয়েছেন। আর আমার স্ত্রীর লাশও হাসপাতালে আটকে রাখা হয়েছে।

এ বিষয়ে ইন্টার্ন চিকিৎসক কামরুল হাসানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দেয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ ব্যাপারে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার বলেন, মানুষ মারা গেলে একটি প্রসিকিউট আছে। সে অনুযায়ী লাশ ছাড়তে হয়। লাশ আটকানোর তো কিছু নেই। পরিস্থিতি সামাল দেয়ার জন্য পুলিশ তাদের নিয়ে গেছে। আমরা তাদের বিরুদ্ধে কোন জিডি বা মামলা করিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com